‘পদত্যাগ’ নামক আপোসনামা রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার প্রতিফলন
অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার
Published : Wednesday, 22 November, 2017 at 12:00 AM, Update: 21.11.2017 9:34:22 PM
‘পদত্যাগ’ নামক আপোসনামা রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার প্রতিফলনঅ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার রোহিঙ্গা সমস্যা, অনুষ্ঠিতব্য ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি যে বিষয়টি দেশব্যাপী তো বটেই, সন্দেহ, প্রচার অপ্রচারসহ কোনটি সত্য ও কোনটি মিথ্যা তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার ঝড় যখন তুঙ্গে তখন মুখরোচক অনেক কথাই ইথারে ভেসে এসেছে। আইনজীবীদের পাশাপাশি পক্ষে-বিপক্ষে তোড়জোর অবস্থান নিয়েছিল মিডিয়া। বুদ্ধিজীবীরাও কম যাননি। তবে বিপদে ছিল জনগণ এই ভেবে যে, প্রকৃত পক্ষে প্রধান বিচারপতি সিন্হা কি সুস্থ না অসুস্থ? তিনি কি স্বেচ্ছায় ছুটিতে গিয়েছিলেন না তাকে জোরপূর্বক বা কূটকৌশলে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল? এখন আলোচনায় রয়েছে তার এ পদত্যাগ কি স্বেচ্ছায় না চাপের মুখে? ইতোমধ্যে বঙ্গভবনে আপীল বিভাগের বিচারপতিদের দাওয়াতের পরিমাণটিও বৃদ্ধি পেয়েছে যা ইতোপূর্বে লক্ষ্য করা যায়নি। অন্যদিকে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণের বরাতে মিডিয়াতে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি প্রদানের ঘটনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতোপূর্বে পরিলক্ষিত হয়নি। যদি একটু পিছনে ফিরে দেখি তবে দেখা যায় যে, সরকার ও আওয়ামী ঘরানাদের বক্তব্য মতে, একজন ছিচকে উকিল, পাকিস্তান সমর্থিত শান্তি কমিটির সদস্য, একজন ঘুষখোরসহ নানা উপাদানে যাকে (সিনহা) ভূষিত করা হয়েছে তাকেই প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার, যারা নিজেদের অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের একক প্রতীক হিসাবে মনে করে। : প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মূর্তি বানিয়ে এক বির্তকের জন্ম দিলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে তার সোচ্চার ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মত। তাছাড়াও আদালতের ঘুনেধরা প্রশাসনিক পদ্ধতিকে তিনি সংস্কার করার চেষ্টা করেছেন। মি. সিন্হা নিজে যদিও আওয়ামীলীগার হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করতে বিন্দুমাত্র ছাড় দেননি, যার ফলশ্রুতিতে বিরোধী দলকে কোনঠাসা করেছেন সিদ্ধহস্তে। কিন্তু বিধি বাম হলো একটি রায়ের অবজারবেশনের কারণে। ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপতি হিসাবে আসন অলঙ্কৃত করার আভাষ-ইঙ্গিত ভারতীয় পত্রপত্রিকায় ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছিল বটে, বর্তমানে দেশ পরিচালনায় ভারতীয়দের প্রভাব অস্বীকার করা যায় না, প্রধান বিচারপতির নিয়োগ সংক্রান্তে ভারতের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে উড়িয়ে দেয়ার মত নয় বলে অনেকই মনে করছেন, যদিও কাগজে-কলমে দেয়ার মত এখানে কোন প্রমাণ নেই, পক্ষান্তরে কাগজে- কলমে সব প্রমাণ থাকার কথা নয়, সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে, পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যই ক্ষেত্র বিশেষে যথেষ্ট। : পাঠকের যদি স্মরণে পড়ে, রায়ের পরেই প্রকাশ পেলো যে, সিন্হার বিরুদ্ধে ১২৬টি অভিযোগ দুদকে জমা পড়েছে, যা খতিয়ে দেখছে দুদক। দুদক চেয়ারম্যান রাজনৈতিক নেতার মতোই দৃঢ়তার সাথে বলেছিলেন যে, এ মর্মে দুদক স্বচ্ছ থাকবে। তবে রাষ্ট্রপতির হাতে ছিল ১১টি অভিযোগ যা থেকেই আপীল বিভাগের বিচারপতিগণ সিনহার সাথে আপীল বিভাগের বেঞ্চে একত্রে না বসার জন্য প্রভাবান্বিত হয়েছেন, না কি সত্য ও ন্যায়কে অবনত মস্তকে গ্রহণ করে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন এ মর্মে জনগণের নিকট সেটার দালিলিক কোন তথ্য নেই। ঘরের ছেলে বেয়াদবি করলে যা হয় তাই জুটেছে সিনহার ভাগ্যে। অন্যদিকে শক্রর পাথরের আঘাত সহ্য করা গেলেও বন্ধুর ফুলের আঘাত সহ্য করা যায় নাÑলাইলী-মজনুর প্রেম কাহিনীতে একথাই বলা হয়েছে। আওয়ামী সরকারের আপনজন হিসাবে প্রধান বিচারপতি পদে তিনি অলঙ্কৃত হয়েছিলেন, এখন তাকে কলঙ্কিত করছেন তারাই যারা (সরকার) সিনহার লালন-পালন ও নিয়োগকর্তা। ঘরের ছেলে অযোগ্য হলেও যোগ্য, সে হিসাবে শান্তি কমিটির সদস্যকে সরকার যোগ্য মনে করেছিলেন। সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে ১৩/১০/২০১৭ ইং তারিখে রাতে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পূর্বে প্রধান বিচারপতি সিনহার বক্তব্য প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেছিলেন, ‘আমি সম্পূর্ণ সুস্থ। পালিয়ে যাচ্ছি না, দেশে অবশ্যই ফিরে আসবো।’ সিনহার উক্ত বক্তব্য দেশবাসী ও আন্তর্জাতিক বিশ্ব শুনেছে। সিনহার বক্তব্য যদি সত্য হয় তবে রাষ্ট্রপতির নিকট দাখিলকৃত অসুস্থতার কারণে ছুটির দরখাস্ত মিথ্যা। অন্যদিকে বঙ্গভবন ও সরকারের বক্তব্য যদি সত্য হয় তবে প্রধান বিচারপতি মিথ্যা বলেছেন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যদি ‘সত্য’-‘মিথ্যা’ অর্থাৎ  ‘চোর-পুলিশ’ (ছোটবেলায় চোর-পুলিশ খেলতাম, সেখানে একবার পুলিশ হিসাবে, অন্যবার চোর হিসেবে খেলেছি) খেলা হয় তবে অসহায় জনগণ আস্থার স্থানটি কোথায় পাবে?    : বিষয়টি দিনের আলোর মত সত্য যে, স্বাভাবিকভাবেই ধরে নিতে হবে যে, নিশ্চয় রাষ্ট্রপতি স্থির নিশ্চিত হয়েই ১১টি অভিযোগ আপীল বিভাগের বিচারপতিদের নিকট শুধু উপস্থাপন করেননি বরং যে উদ্দেশ্যে করেছেন তার বাস্তবায়ন হয়েছে। অতএব, সামাজিক আচার-বিচারের মত সিনহার বিচার আপীল বিভাগের বিচারপতিরা করে ফেলেছেন সিনহার সাথে একত্রে না বসার ঘোষণা দিয়ে। (গ্রাম্য সালিশেও এখনো ‘একঘরে’ রাখা হয়। যেখানে যাকে ‘একঘরে’ করে রাখা হয় তার সাথে কেউ কোন আচার অনুষ্ঠানে যোগ দেয় না, কোন সামাজিক/পারিবারিক যোগাযোগ রাখাকে অপরাধ মনে করেন)। কিন্তু মি. সিনহার আইনগত বিচার বা সাংবিধানিক পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম শুরু হবে কি হবে না এটাও নির্ভর করে প্রধানমন্ত্রীর ‘অভিমানের’ গভীরতার উপরে।   বিচারপতি সিনহা এজলাসে বসে প্রকাশ্যে এমন কথাই বলতেন যা থেকে তার আপোসহীন চরিত্রের গুণাবলী লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু ঘটনা অথবা প্রভাব যা-ই হোক বিদেশ থেকে পদত্যাগের মাধ্যমে আপোসহীন সিনহার ‘আপোসহীনতার’ মৃত্যু ঘটেছে। নিরাপত্তা অথবা জেল-হাজতের ভয়েই কি দেশে ফেরা তার সুদূরপরাহত? (যে ভাষায় বলেছিলেন এ্যাটর্নি জেনারেল) তবে প্রধানমন্ত্রীর অভিমানে (সিনহার মতে) সিনহাকে যেমন দেশ ছাড়তে হয়েছে, অনুরূপ ‘পদত্যাগ’ প্রধানমন্ত্রীর অভিমানকে কতটুকু ধুয়ে-মুছে ফেলেছে তারই উপর নির্ভর করবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহার দেশে ফেরা না ফেরা বা জেলে যাওয়া না যাওয়া। কিন্তু আলোচনার দ্বার এখানেই শেষ নয়। রাষ্ট্রীয় স্বার্থে জাতিকে আরো গভীরে যাওয়া দরকার, বিচার বিভাগের বহুল আলোচিত ‘স্বাধীনতা’ হালকা না গভীর তা পরখ করার জন্য।   : ২১/০১/২০১৮ ইং তারিখে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ার সাথে সাথেই সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬(১) মোতাবেক বিচারপতি সিনহার স্বাভাবিক নিয়মে অবসরে যাওয়ার কথা। সরকারি ভাষ্যমতে, ০২/১০/২০১৭ ইং তারিখে তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এক মাসের ছুটিতে গিয়েছেন। ‘অসুস্থতার’ বিষয়টি যে মিথ্যা তার প্রমাণ ১৩/১০/২০১৭ ইং তারিখে নিজ স্বাক্ষরিত ও নিজ হাতে বিলিকৃত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দৃঢ়তার সাথে প্রকাশ করেছেন, তখনো তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি। সিনহা ১০/১১/২০১৭ ইং তারিখে দেশে ফেরার বিষয়টি বার বার মিডিয়াতে নিশ্চিত করলেও ০৯/১১/২০১৭ ইং তারিখে সিঙ্গাপুর দূতাবাসের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির পদ থেকে ‘পদত্যাগ’ করেছেন যা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে ১৪/১১/২০১৭ ইং তারিখে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণে আইন মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত হয়েছে। সরকার বলছে, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ, বিরোধীদের দাবির প্রচণ্ড চাপের মুখে এই পদত্যাগ। : এ ‘চাপ’টি কি তা খুঁজে বের করা দরকার, নতুবা প্রধান বিচারপতি বিদায়ের যে কলঙ্কিত নজির সৃষ্টি হলো তা মুছা যাবে না। মি. সিনহা আমাদের মত বোমা বিষ্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ বা খুন মামলার আসামী নন। (উল্লেখ্য, ২০০১ ইং সালের ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলায় ২২ জন নিহত হওয়া মামলার প্রধান আসামীসহ লেখকের বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধশতাধিক রাজনৈতিক ফৌজদারী মামলা বিচারাধীন) তাছাড়া দেশে ফিরলে সিনহাকে হত্যা বা রিমান্ডের নামে তারেক রহমানের মত রিমান্ডে নিয়ে মেরুদ  ভাঙার আশঙ্কা নেই। তবে কি দুদকের ১২৬টি অভিযোগ এবং রাষ্ট্রপতির নিকট দুর্নীতির ১১টি প্রমাণপত্র বা প্রধানমন্ত্রীর অভিমানই ‘চাপ’ নামক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে? না-কি ‘পদত্যাগ’ পত্রটি ‘আপোসের’ হাতিয়ার হিসাবে কার্যকর হয়েছে?   যদি তাই হয় তবে এটাই প্রমাণিত যে, ‘দুর্নীতির’ সাথে রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে রাষ্ট্রও আপোস করতে পারে।  যে যে অবস্থায়ই থাকুক না কেন রাষ্ট্রকে অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে। সে স্বচ্ছতা প্রমাণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। দুদক তো সরকারের ক্রীড়নক হিসাবে পূর্বেও ছিল, বর্তমানেও এর ব্যতিক্রম নেই, বরং সরকার-প্রীতি নগ্নভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাপক চুরি ও আত্মসাতের জন্য বেসিক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করলেও ব্যাংকের চেয়ারম্যান আ. হাই বাচ্চু ধরা-ছোঁয়ার বাইরে, কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছের লোক। এ ধরনের অনেক প্রমাণ দেয়া যাবে যেখানে দুদক সরকারের প্রভাবশালীদের ছাড় দিয়েছে। কোচিং সেন্টারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদক মাঠে নেমেছে। অথচ গরীব কৃষকের ভূমি জোরপূর্বক ভূমিদস্যুরা দখল ও বালু ভরাট করে আবাসন প্রকল্প বানিয়ে প্লট আকারে অন্যত্র বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা লোপাটের বিষয়ে দুদক নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, কারণ ভূমিদস্যুরা সরকারি ঘরানার লোক। রাজধানীর পার্শ্বে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ, সোনারগাঁও, আড়াইহাজার থানা ঘুরে আসলেই এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।  উল্লেখ্য, বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের সম্পত্তির হিসাব চেয়ে দুদক ১৮/৭/২০১০ ইং তারিখে একটি নোটিশ প্রদান করে। প্রধান বিচারপতি সিনহার নির্দেশে সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের অফিস থেকে বিচারপতিদের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত না করার জন্য নির্দেশনামূলক  চিঠি’কে ১৪/১১/২০১৭ ইং তারিখে প্রদত্ত এক রায়ে বিচারপতি এম. এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যাঞ্চ বাতিল ঘোষণা করেছেন। ফলে সিনহার ১২৬টি অভিযোগের তদন্ত করতে অন্য কোন বাধা নেই, প্রধানমন্ত্রীর অন্যরূপ নির্দেশ ব্যতীত। : ‘অভিমান’-এর সমাপ্তি যদি পদত্যাগের মাধ্যমে হয়ে থাকে তবে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সিনহা জাতীয় সংসদকে DIS FUNTIONAL  বলে যে মন্তব্য করেছেন তার সুরাহা হবে কিভাবে? তবে কি DIS FUNTIONAL হওয়ার রায় হতে পারে মর্মে প্রধানমন্ত্রীর ‘ভয়’, অন্যদিকে দুর্নীতির মামলায় জড়িয়ে যাওয়ায় প্রধান বিচারপতির ভয় (!)Ñদু’জনার ‘ভয়’ কি এখানে আপোস ফর্মুলা তথা ‘পদত্যাগ’ নামক অস্ত্রের মাধ্যমে স্বস্তির নিঃশ্বাস নির্গম করেছে? ‘ভয়’কে ‘জয়’ করার জন্যই কি ‘পদত্যাগ’ নামক এই আপোসনামা? যদি তাই হয় তবে কেউ কারো মানসম্মানে হাত না দেয়ার ‘পদত্যাগে’ জাতি কতটুকু লাভবান?      : এ্যালজেবরার থিউরি যথা মাইনাম+মাইনাস= ইজিকেল টু প্লাস (- + - = +) থিউরির বাস্তবায়ন এখানে হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। Disfunctional হওয়ার ভয় প্লাস দুদকের মামলায় আসামী হওয়ার ভয় ‘পদত্যাগে’ নিষ্পত্তি হয়েছে ধারণা করা যাচ্ছে। তবে এ ঘটনার যে কলঙ্কিত নজির সৃষ্টি হলো  এ জন্য কে দায়ী বঙ্গভবন না বিচার বিভাগ? : : লেখক : কলামিস্ট ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা    : taimuralamkhandaker@gmail.com : :





অনলাইন জরিপ

ফেনী জেলা আ’লীগের নেতারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার নেপথ্য নায়ক নিজাম হাজারী। এরপরেও আ’লীগ মিথ্যাচার করবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
7945 জন