মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন বাহিনীতে কর্মরতরা ভাতা পাবেন : প্রধানমন্ত্রী
Published : Wednesday, 22 November, 2017 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক। কারণ আমার ভাই শেখ কামাল, জামাল দুজনেই মুক্তিযোদ্ধা ছিল। শেখ কামাল সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ছিল এবং শেখ জামাল মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফিরে এসে সেন্ডারসে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদান করে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৭ উপলক্ষে আয়োজিত বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকার এবং খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। : শেখ রাসেলের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার ছোট ভাই রাসেলকেও জিজ্ঞাসা করলে বড় হলে তুমি কী হবে? সে বলত আমি সেনাবাহিনীতে যাব। এছাড়া শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের সহায়তায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ করতে হবে। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের আগামী জানুয়ারি থেকে বিশেষ ভাতা প্রদানের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর নির্বাচিত সদস্যদের পদক প্রদান করেন তিনি। : এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১০ জন, নৌবাহিনীর একজন এবং বিমানবাহিনীর একজন সদস্যকে ২০১৬-১৭ সালের শান্তিকালীন পদক এবং সেনাবাহিনীর ১০ জন, নৌবাহিনীর দুজন এবং বিমানবাহিনীর দুজন সদস্যকে ২০১৬-১৭ সালের অসামান্য সেবা পদকে ভূষিত করা হয়। : এর আগে সকালে সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে (শিখা চিরন্তন) পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। : প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। : এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। সেই সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। : প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরে শিখা অনির্বাণ প্রাঙ্গণে রাখা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। : এর আগে প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে পৌঁছলে সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনীপ্রধান অ্যাডমিরাল এম নিজামউদ্দিন আহমদ, বিমানবাহিনীপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান তাকে স্বাগত জানান। : পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যান। সেখানে তিন বাহিনীর প্রধানরা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। : প্রধানমন্ত্রী এএফডিতে পৌঁছলে এএফডির ডাইরেক্টরস জেনারেল এবং পিএসও তাকে অভ্যর্থনা জানান। : উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২১ নভে¤॥^র সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয়। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

ফেনী জেলা আ’লীগের নেতারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার নেপথ্য নায়ক নিজাম হাজারী। এরপরেও আ’লীগ মিথ্যাচার করবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
7937 জন