কমলনগরে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বন উজাড়ের অভিযোগ
Published : Thursday, 23 November, 2017 at 12:00 AM
কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলা বন কর্মকর্তা (রেঞ্জার) তরিকুল ইসলামের (তারেক) বিরুদ্ধে তোরাবগঞ্জ থেকে হাজীগঞ্জ ওয়াপদা বেড়ির রব বাজার থেকে ফজুমিয়ার হাট পর্যন্ত অংশে সরকারি অনুমতিবিহীন শ’ শ’ গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া যায়। সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ফজুমিয়ার হাট বাজার থেকে উত্তর দিকে ৪ কি.মি. দূরে রহিমগঞ্জ বাজার-সংলগ্ন এলাকা থেকে ২০ বছর বয়সের বন বিভাগের লাগানো শ’ শ’ গাছ কেটে লাকড়ি হিসেবে ব্রিক ফিল্ডে বিক্রি করছেন এবং কাঠের গুড়িগুলো চোরাইভাবে এলাকার লোকজনের কাছে ও বিভিন্ন স-মিলে বিক্রি করার তথ্য পাওয়া যায়। ফজুমিয়ার হাট এলাকার সাহাববুদ্দিন বেপারি থেকে ইতিমধ্যে ৫০০ মণ লাকড়ি বিক্রি করার তথ্য জানা যায়। ইসলামগঞ্জ মসজিদের মাঠে ও শাহজাহান মেম্বারের বাড়ির দরজার অনেক কাঠের গুড়ি ও লাকড়ির স্তূপ পাওয়া যায়। ওই স্থানগুলোতে অসংখ্যা কাটা গাছের গোড়া পাওয়া যায়। গত ১৯ নভেম্বর থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত গাছ কাটা অব্যাহত আছে। ফাজিল বেপারির হাট বাজারের পূর্ব পাশে অনেক গাছ কাটার সন্ধান পাওয়া যায়। এ ছাড়া ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বলিরপোল, তোরাবগঞ্জ, মতির হাট সড়কেও গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, রহিমগঞ্জ বাজার থেকে ইসলামগঞ্জ পর্যন্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম উপস্থিত থেকে গাছ কাটছেন। তার সঙ্গে বন বিভাগের কর্মচারী মুগবুল, মল্লিক ও তাদের সোর্স ও দালাল আবদুর রহমান উপস্থিত আছেন। একই সঙ্গে লাকড়ি বেপারি সাহাবউদ্দীন ও গাছ কাটার লেবার কয়েকজনকে ঘটনাস্থলে গাছ কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তারেকের কাছে গাছ কাটার অনুমতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোনো প্রকার লিখিত অনুমতি নাই আমি নিজের অনুমতিতেই ঝড়ে পড়া গাছগুলো লেভার দিয়ে কাটতেছি। লক্ষ্মীপুর জেলা এসিএফ মোহাম্মদ উল্লাহর কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাছ কাটার সরকারি কোনো অনুমোদন নাই, তবে আমরা বিষয়টি শুনেছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নোয়াখালী আঞ্চলিক বন কর্মকর্তা অহিদুজ্জামানের কাছে ওই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি তদন্ত করব। সংশ্লিষ্ট এলাকার সচেতন মহল জানায়, রক্ষকই মনে হয় এখানে ভক্ষক, এই কর্মকর্তা বিনা অনুমতিতে সরকারি গাছ কর্তন করে বিক্রি করছে যার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। না হলে এসব অসাধু কর্মকর্তারা বন বিভাগের বন উজাড় করে ফেলবে।  ‘বেড়ায় ক্ষেত খায়’ এই প্রবাদটির বাস্তবায়নই মনে হয় এখানে বাস্তব হচ্ছে। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে বলে বিশ্বাস করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
26079 জন