শৈলকুপায় সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
Published : Saturday, 25 November, 2017 at 12:00 AM
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ : শৈলকুপার ৫৪টি সমবায় সমিতি যেন লুটপাটের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। শুধু কাগজ-কলমে ঠিক করেই প্রতি বছর সরকারি অনুদানের লাখ লাখ টাকা লুটে নিচ্ছে সমিতিগুলো। অভিযোগ রয়েছে ফিফটি পার্সেন্ট কমিশনের বিনিময়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাটের সুযোগ করে দিচ্ছেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা বাবুল হোসেন। এতে গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সংঘটিত করে অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম তরান্বিত করার মতো সরকারের মহতী উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সমবায় অফিস সূত্র জানায়, উৎকোচ না পাওয়ায় সমবায় কর্মকর্তা বাবুল হোসেন যোগদানের পর সমিতির সংখ্যা প্রায় ২০৪টি থেকে কয়েক মাসের কয়েক গুণ কমে ৫৪টিতে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এগুলোর মধ্যে অনেক  প্রতিষ্ঠানই নামসর্বস্ব। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো অফিস নেই, ঠিকানাও ভুয়া। সমবায় অফিসের ট্রেনিংসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানেই এদের দেখা মেলে। আর সমবায় অধিদফতরের অনুদানসহ সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে তাদের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। বিভিন্ন কাজের বিবরণ দেখিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতই এদের প্রধান লক্ষ্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা সমবায় অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন সময়ে ছিন্নমূল জনোগোষ্ঠীর জন্য আসা সরকারি অনুদান দেয়া হয় পছন্দনীয় সমিতিকে। তবে সব অনুদানের ক্ষেত্রেই সমবায় কর্মকর্তার অনুমোদন বাধ্যতামূলক। আর এ সুযোগেই নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুদানের টাকা পাইয়ে দেয়ার শর্তে ৫০ ভাগ কমিশন নিয়ে নেন সমবায় কর্মকর্তা। তবে এর একটি অংশ স্থানীয় মাস্তানদের পকেটেও যায়। ফলে সমবায় অফিসের কোনো কর্মকর্তাই তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করে না। এ ছাড়া সমবায় নীতিমালায় সমিতির সদস্য নন এমন ব্যক্তিকে ঋণদানে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এ নিয়ম মানা হচ্ছে না। অন্তত ৫০টি এনজিও সমবায়ের নামে মাইক্রোক্রেডিটের মতো কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এ ছাড়া ২ বছরের অধিক সময় একই জায়গায় চাকরির সুবাদে দুর্নীতির আখড়া গেড়ে বসাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি! দুর্নীতিগ্রস্ত এ সমবায় কর্মকর্তাকে শৈলকুপা থেকে অপসারণ করা সরকারের কাছে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। এ ছাড়া তিনি চেয়ার বসে ধূমপান করেন। এতে বদ্ধ ঘরে অধূমপায়ীরা কাজ করতে এসে বিপাকে পড়েন। এ ব্যাপারে সমবায় কর্মকর্তা বাবুল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অফিসে চা পানের দাওয়াত দিয়ে বলেন, অফিসে আসুন আথিতিয়তা গ্রহণ করুন। তারপর সব বলব। :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রমাণ হয় গুমের সঙ্গে সরকারই জড়িত। আপনি কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
24361 জন