তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি : ড. এমাজউদ্দীন
Published : Saturday, 25 November, 2017 at 12:00 AM, Update: 24.11.2017 11:23:44 PM
তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি : ড. এমাজউদ্দীনদিনকাল রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাবার যোগ্য সন্তান ও উত্তরসূরি। যিনি সাধারণ মানুষের কাছে বাবার মতোই ছুটে গিয়েছিলেন। এই নেতাকে ফিরিয়ে আনতে হলে তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোগ নিতে হবে। : গতকাল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দল । বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বড় ছেলে তারেক রহমান বাবার গড়া দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন। : এমাজউদ্দীন বলেন, তারেক রহমান দেশে ফিরে এলে নেতৃত্বে নতুন ধারা প্রবাহিত হবে। বক্তব্যে এমাজউদ্দীন গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তিনটি শর্তের কথা বলেন। প্রথমত, বর্তমান সংসদ ভেঙে দিতে হবে। এ সংসদ রেখে নির্বাচন করাকে ‘বাতুলতা’ করা হবে। দ্বিতীয়ত, ভোটপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা আছে তা তুলে দিয়ে বা স্থগিত করে তাদের নির্বাচনের সুযোগ করে দিতে হবে। তৃতীয়ত, বর্তমান নির্বাচন কমিশন আলোচনার মাধ্যমে যেভাবে গঠিত হয়েছে, সেভাবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নিরপেক্ষ সরকার গঠনে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। : আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে দেয়া মামলা প্রত্যাহার বা স্থগিত এবং বিরোধী দলের প্রধানদের কিছু নেতার সাথে আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্তে আসতে হবে। এই ৩ শর্ত পূরণ করলেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হবে। : প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন সঠিকভাবে করতে হলে সর্বপ্রথম পদক্ষেপ হবে সংসদ ভেঙে দেয়া। বর্তমান সংসদকে অক্ষুণœ রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলা বাতুলতা-অর্থহীন, নিরর্থক। সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ করতে প্রথম পদক্ষেপ হবে জাতীয় সংসদকে ভেঙে দিতে হবে। তা না হলে নির্বাচন যথার্থ হবে না। সব দেশেই এরকম হয়। সংসদীয় ব্যবস্থা জাপানে, কানাডা, ভারতে আছে। সব জায়গাতেই নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া হয়। : ২য় শর্ত, বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার মামলায় ইনভলভ আছে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ। সুতরাং এই আড়াই লাখ মানুষকে যদি ভোটের জন্য কথা বলতে হয়, তাই তাদের বিরুদ্ধে এসব মামলা-মোকদ্দমা হয় তুলে দিতে হবে। কারণ এর বেশিরভাগই মিথ্যা মামলা। আর যারা প্রার্থী হবেন তাদেরতো ভোট চাইতে যেতে হবে। আর তা না করা গেলে নির্বাচন পর্যন্ত এই মামলাগুলোকে স্থগিত রাখতে হবে। এছাড়া কোনো পথ নেই। অনেক মামলা আছে যেগুলো তুলে ফেলা যায় না সেগুলোকে স্থগিত রাখা উচিত। ৩য় শর্ত হলো, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সকল দলের প্রধানদের কিছু নেতার সাথে আলোচনা করা। এই তিনটি শর্ত বাদ দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলেন এই বুদ্ধিজীবী। : তিনি আরও বলেন, নিউট্রাল এনভায়রনমেন্ট নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেই তৈরি করতে হবে। এটা বিরোধী দলের দায়িত্ব নয়। এটা ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্ব, এটা করতে যদি ক্ষমতাসীন দল ব্যর্থ হয়, তাহলে এই ব্যর্থতা জাতির ব্যর্থতা, জাতীয় পর্যায়ের ব্যর্থতা, এটা হবে জাতীয় পর্যায়ের লজ্জা। : আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, তারেক রহমান ফিরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য নয়। নির্যাতিত মানুষের নেতা হিসেবে ফিরবেন। গুম, খুনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারে না। নির্বাচন প্রসঙ্গে এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, কোনো পাগলও বিশ্বাস করবে না যে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি জয়ী হবে। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন আর হতে পারবে না। : জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের সভাপতি মো. লিটনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রমাণ হয় গুমের সঙ্গে সরকারই জড়িত। আপনি কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
24344 জন