প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ ৬ জন আটক
Published : Sunday, 26 November, 2017 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগসহ ৬ জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ৫টি এন্টি জ্যামার ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ৫টি ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক ব্লুটুথ ইনডাকশন (ইয়ারফোন), প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাজে ব্যবহৃত ১১টি মোবাইল সেট (সিমসহ), অতিরিক্ত ২টি সিমকার্ড, ১টি হেডফোন এবং ৩টি পেনড্রাইভ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে আরশেদ আলী কনস্ট্রাক্টর গলির নাহার ম্যানশনের নিচতলার ভাড়াটিয়া বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মুয়ীদুর রহমান বাকীর বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেনÑ যশোরের বাঘারপাড়া থানার বলরামপুর গ্রামের মো. মুরাদ মোল্লার ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মারুফ হোসাইন মারুফ (২২), পটুয়াখালীর দুমকীর কার্তিকপাশা গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের হাওলাদারের ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য আলমগীর হোসেন শাহিন (২৪), পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকার মো. জাহিদুল ইসলামের ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মাহমুদুল হাসান আবিদ (২৩), পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়া গ্রামের গাজী হাফিজুর রহমানের ছেলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মুয়ীদুর রহমান বাকী (২২), পটুয়াখালীর দুমকীর লেবুখালী গ্রামের আবুয়াল হোসেনের ছেলে ঢাকার মোহাম্মদপুর ডিগ্রি কলেজের বিবিএ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রাকিব আকন (২১) এবং পটুয়াখালীর গলাচিপার পানপট্টির জাফর আহম্মেদের ছেলে গলাচিপা ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সাব্বির আহম্মেদ প্রিতম (২৩)। আটকদের মধ্যে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অন্যতম হোতা এবং তিনি ঢাকার সিআইডি পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটায় বরিশাল নগরীর সিঅ্যান্ডবি রোড পুলিশ কমিশনারের অস্থায়ী কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মহানগর পুলিশ কমিশনার এস এম রুহুল আমিন এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আটকদের সঙ্গে ৩ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী যোগাযোগ করেছিল। তাদের কাছে ১ লাখ টাকা করে চাওয়া হয়েছিল। তাদের সঙ্গে চুক্তি করলে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা এই চক্রের দেয়া এন্টি জ্যামার ইলেকট্রনিক ডিভাইস শরীরের সঙ্গে বেঁধে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক ব্লুটুথ ইনডাকশনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস করতে পারত এবং বাইরে থেকে এই চক্রের সদস্যরা তাদের উত্তরপত্র সরবরাহ করত। কিন্তু তার আগেই তাদের আটক করা হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার উত্তম কুমার পাল, মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবু নাসের ও সহকারী কমিশনার মো. নাসির উদ্দিন মল্লিকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে কোনো আশার আলো দেখতে পান?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
24859 জন