কসবায় ডাকাত সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা
Published : Wednesday, 29 November, 2017 at 12:00 AM, Update: 28.11.2017 10:44:24 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গণপিটুনিতে দুই ডাকাত নিহত হয়েছে। গত সোমবার রাতে উপজেলার গোপউনাথপুর ইউনিয়নের চৌকিঘাট এলাকার বটতলী নামক স্থানে ১০/১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ডাকাতিকালে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে তাদের দু’জনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু ঘটে। অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। পুুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রাত প্রায় সোয়া ১১টার দিকে  উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চৌকিঘাট এলাকার বটতলী নামক স্থানে ডাকাত দল গাড়ি থামিয়ে ডাকাতিকালে যাত্রীদের চিৎকারে এলাকার লোকজন লাঠিসোঠা নিয়ে ডাকাতদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যাওয়ার সময় দুজনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিহত  দুইজনের  বাড়ি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায়। তাদের একজন গোপীনাথপুর ইউনিয়নের রাজনগর এলাকার প্রবাসী খায়ের মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকত। তার নাম কুদরত আলী (৩৫)। অপরজন সীমান্তবর্তী বাগানবাড়ি গ্রামে বসবাস করতো। তার নাম জানা যায়নি। ঘটনার পর পর গভীর রাতে নিহত দুজনের স্ত্রী গা ঢাকা দেয়। পুলিশ গতকাল সকালে নিহত দু ডাকাতের লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠালে ময়না তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ গ্রহণ করতে কেউ আসেনি। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন  জানায়, এ সকল ডাকাতদের সাথে স্থানীয় একটি চক্র জড়িত রয়েছে। এবিষয়ে ব্যাপক তদন্ত কার্যক্রম চলছে। : উল্লেখ্য, গত কিছুদিন যাবত কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ও বিনাউটি এলাকায় বেশ ক’টি ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। গত ২১ অক্টোবর বিনাউটি ইউনিয়নের টিঘরিয়া নামক স্থানে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে সাদ্দাম হোসেন (২৫) নামক এক কুখ্যাত ডাকাত নিহত  হয়েছে। ডাকাত আতংকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামবাসী নিজেরাই রাত্রিকালীন পাহারার ব্যবস্থা করেছে।    : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

মির্জা ফখরুল ইসলাম পিলখানা হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। আপনিও কি তাই চান?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
33768 জন