স্কুল পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতির সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড়
Published : Friday, 1 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 30.11.2017 11:15:12 PM
দিনকাল রিপোর্ট : মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ব্যাপারে চিঠিও ইস্যু করা হয়েছে সংগঠনের প থেকে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বার করা ওই চিঠিতে প্রত্যেক মাধ্যমিক স্কুলে কমিটি গঠন করতে সব সাংগঠনিক ইউনিটকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্কের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। অভিভাবক, শিকসহ সচেতন মহল অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। অনেকেই একে জাতির জন্য অশনি সংকেত বলেও আখ্যায়িত করেছেন। অধিকাংশ মতামতই কোমলমতি শিার্থীদের যেন ছাত্র রাজনীতি ছুঁতে না পারে। বিশেষ করে ছাত্ররাজনীতির নামে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, প্রতিপরে ওপর হামলা, চাঁদাবাজি, আধিপত্যের সংঘর্ষ, গোলাগুলি, টেন্ডারবাজি, দখল বাণিজ্য, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, হলের সিট নিয়ন্ত্রণসহ ছাত্রনেতাদের নানা অপকর্মে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। এক হিসাবে দেখা যায়, এসব ঘটনায় শুধু ছাত্রলীগেরই গত ৮ বছরে প্রায় ১৩০ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া পুরান ঢাকায় প্রকাশ্যে ছাত্র নেতাদের হাতে দর্জি বিশ্বজিত হত্যাকান্ডের লোমহর্ষক দৃশ্য দেশের মানুষ দেখেছে। বরিশালে কলেজের অধ্যকে চ্যাংদোলা করে পানিতে ফেলে দেয়া, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিকদের গায়ে এসিড নিপে, জাহাঙ্গীরনগরে ছাত্রী ধর্ষণে সেঞ্চুরি করা, সিলেটের এমসি কলেজের হোস্টেলে অগ্নিসংযোগ, শরিয়তপুরসহ সম্প্রতি কয়েকটি এলাকায় ছাত্রলীগের নেতার নারী ধর্ষণ এবং ধর্ষণের দৃশ্য ধারণ করে ভিডিও প্রচার কাহিনীসহ অসংখ্য ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাদের নাম জড়িয়েছে। ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটির নেতাদের এসব কর্মকান্ডে ত্যাক্ত-বিরক্ত হয়ে সংগঠনের অভিভাবক পদ থেকে পদত্যাগ পর্যন্ত করেছিলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সম্প্রতি কয়েকটি বক্তব্যে প্রকাশ পায় ছাত্রলীগের কর্মকান্ডে মূল সংগঠনের নেতারা কত ত্যক্ত-বিরক্ত। আর এরই মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ছাত্ররাজনীতি ঢোকানো হচ্ছে  কোন্ উদ্দেশ্যে- এ নিয়ে প্রশ্ন রেখেছেন সচেতন মানুষ। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এরপর বাচ্চা ছেলেরা গ্রুপিং নিয়ে সামান্য বিষয়েই মারামারি করবে! অবুঝ শিশু-কিশোররা মাথা গরম করে অঘটন ঘটাবে! প্রাণহানির ঘটনাও ঘটবে! আগামীতে অন্যান্য দলও কমিটি করবে। দলাদলি থেকে মারামারি হবে নিত্যদিনের ঘটনা। না, দয়া করে বাচ্চাদের প্রতিহিংসার দিকে ঠেলে দেবেন না। তাহসিনুর রহিম নামে একজন লিখেছেন, রাজনীতিকে পারলে ডেলিভারি রুম পর্যন্ত নিয়ে যান, বাচ্চা জন্মের সাথে সাথেই রাজনৈতিক দীা দিয়ে দিবেন। অভিভাবক ও সাংবাদিক নাজনীন মুন্নী শঙ্কার কথাগুলো জানিয়ে তার পোস্টে লিখেছেন, স্কুলে ১১ বছর বয়সে আমার বাচ্চাকে বিসিএস-এর প্রশ্ন দেবেন পরীায়। আমি কিছু বলতে পারবো না। সারা দিন-রাত পড়াশোনা করে প্রশ্নফাঁসের ফাঁসি নিয়ে ফেলু ছাত্রের জিপিএ পাওয়া দেখবো। আমার কিছু বলার থাকবে না। এসএসসির আগে আরও দুটো বোর্ড পরীা জেতাতে কোচিং-এ লাখ টাকা ব্যয় করবো!! আমি বাধ্য, কারণ আমার সন্তানের ভালো আমার চেয়ে রাষ্ট্র নাকি বেশি চায়। চুপ থাকি... কিন্তু এই ভয়াবহ বিজ্ঞপ্তি দেখে আমি পাথর হয়ে গেছি!!!! এখন কি আমার শিশুকে রাজনীতিও করতে হবে? আমার বাচ্চা। কষ্টের টাকায় নিজে না খেয়ে আমি পালি। এই শিশু লালন-পালনে কতটা ভাগ আপনার, যে আপনার কথামতো সে চলতে বাধ্য? আপনার কাছে খুচরা আলাপ, আমার আর আমার সন্তানের জীবন মরণ। মার চেয়ে মাসির দরদ বেশি হয়ে যাচ্ছে।  মা হয়ে এই দরদ নেয়া যাচ্ছে না। : অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম এ সম্পর্কে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমাদের বড় দুই দল আদর্শহীন রাজনীতি করে। এই আদর্শহীনতা স্কুলের শিার্থীদের মধ্যে যাওয়া মোটেও উচিত নয়। স্কুল পর্যায়ে কমিটি বন্ধ করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে একে অন্যকে গালিগালাজ করা, দোষারোপ করা একটি সহজাত অভ্যাস। একজন শিার্থী কি এসব শিখবে ছোটবেলাতেই? তিনি বলেন, স্কুলে কমিটি করার অর্থ হলো এসব মূলধারার বা সরকারি দল সমর্থক সংগঠনের শিার্থীরা প্রশ্ন ফাঁস করা শিখবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আলামিন আহমেদ এমন পদপেকে ধিক্কার জানিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, আমরা সকলেই অবহিত আছি যে, বর্তমান ছাত্র রাজনীতি অতীতের ইতিহাস ঐতিহ্যকে ম্লান করে বর্তমানে কলুষিত হয়েছে (কলুষিত হয়েছে তা নয়; কলুষিত করা হয়েছে)। যদিও ছাত্র রাজনীতির ফলে দেশের জাতীয় ইস্যু গণতন্ত্র রা, সার্বভৌমত্ব রার ইস্যুতে ছাত্রনেতাদের ভূমিকা থাকলেও সামগ্রিকভাবে যদি ছাত্ররাজনীতির ফলাফল নির্ণয় করি তাহলে দেখা যাবে ছাত্ররাজনীতিকে অসুস্থ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াতে এবং জাতীয় রাজনীতিতে দেশপ্রেমের অবয়ের কারণে আজকে মেধাবী হাজার হাজার ছাত্রনেতার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে, এমনকি জীবনের ছন্দপতন হয়ে আজকে অনেকেই বিপথগামী হবার ইতিহাসও রয়েছে! তিনি লিখেন, নিশ্চিত ধ্বংসের পথে যাবে, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনাকে ধ্বংস করবে বলে আমি আশঙ্কা করছি। কেননা প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এগুলো হলো শিা ব্যবস্থার ভিত্তি, সেখানে ছাত্ররাজনীতি প্রবেশ করিয়ে দিলে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিভা বিকাশে বাধাগ্রস্ত হবে, শুধু তাই নয় বরং আমাদের জনসম্পদ বোঝা হয়ে দাঁড়াবে! এর সপে আমি শত শত যুক্তি উপস্থাপন করতে পারব। তার মধ্যে অন্যতম কিছু কারণ উল্লেখ করছি। বাংলাদেশের আইনে আমার জানামতে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু। আর একটা ছাত্র এসএসসি পাস করে ন্যূনতম ১৫ বছর বয়সে। তাহলে কোন যুক্তিতে শিশুদের ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা হবে? মাধ্যমিক পড়ুয়া একটা ছেলে নেতৃত্ব দিবে নাকি পড়াশোনা করবে? তাছাড়া ১০-১২ বছরের একটা ছাত্র কিভাবে নেতৃত্ব দেয়ার মতো সমতা অর্জন করবে? এটা কি বাচ্চার হাতে অস্ত্র তুলে দেয়ার শামিল নয়! : জনৈক হাসানুজ্জামান লিখেছেন, রাজনীতি করে এরা দেশের কি উন্নতিটা করবে শুনি? সবগুলো তো শিখবে গুন্ডামি আর জোচচুরি। এই দেশকে কখনো রাজনীতিবিদরা এগিয়ে নিতে পারবে না। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে দরকার বিজ্ঞান-প্রযুক্তিবিষয়ক শিা এবং তার প্রয়োগ। বর্তমান রাজনীতি হচ্ছে একটি ভন্ড পেশা কিংবা অবৈধভাবে টাকা উপার্জন এর একটি পন্থা। এভাবে চলতে থাকলে সমাজের ধ্বংস অনিবার্য। আসিফ লিখেছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ তো গেছে এবার স্কুলগুলোও বাকি থাকবে না। কোমলমতি ছেলেমেয়েগুলো আগেই হাতে কলমে শিা নিবে কি করে টেন্ডারবাজি করতে হয়। : ফেরদৌস লিখেছেন, এ ব্যাপারে আওয়ামীপন্থী ও শিাবিদদের বক্তব্য শুনতে চাই! মোরশেদ লিখেছেন, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ভোটার না, ১৮ বৎসরের আগে ভোটার হতে পারে না। আর মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বয়স ১৪ বা ১৫ এর বেশি হয় না। স্কুল এর এই ছোট শিশুদেরকেও নষ্ট করে দিচ্ছে আওয়ামীলীগ এর নোংরা রাজনীতি। অন্য একজন লিখেছেন, দেশ এবং দেশের শিাঙ্গন ধ্বংসের একটি পদপে! আরেকজনের মন্তব্য, প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিকের অপ্রতুলতা, গাইড বই, কোচিং বাণিজ্য, পাঠ্য পুস্তকে ভুল, এমপিওভুক্ত করণে জটিলতা ইত্যাদি নানা সমস্যায় যখন আমাদের মাধ্যমিক শিা ব্যবস্থা যখন ডুবতে বসেছে সে সময় ছাত্রলীগের এ সিদ্ধান্ত মাধ্যমিক শিার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ারই নামান্তর। : ফ্রান্স প্রবাসী আবদুর রব এ বিষয়টিতে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে তাদের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে তাদের সাংগঠনিক ইউনিটকে। আমি একজন সন্তানের পিতা ও দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এই চরম হঠকারী ও আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তার মতে, সব কিছুরই একটা বয়সসীমা আছে। নির্ধারিত বয়সের আগে কিছু হলে তাকে অকালপক্ব বলে। বিদ্যার্জনের সর্বোত্তম সময়ে রাজনীতি শেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই। সুশিায় শিতি হলে উপযুক্ত বয়সে প্রাকৃতিকভাবেই রাজনীতি শিখবে। দেশে অচিরেই এই আইন করা উচিত যেভাবে আঠারো বছর বয়স না হলে কেউ ভোটার হতে পারে না ঠিক সেভাবেই আঠারো বছর না হলে কেউ রাজনীতিও করতে পারবে না। আঠারো বছর বয়স না হলে কোনো মানুষ মানসিকভাবে পরিপূর্ণতা লাভ করে না। তাহলে কীভাবে সে রাজনীতির জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হয়? আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত পুরোটা সময় যেন একজন শিার্থী তার পড়াশোনার পেছনে ব্যয় করে। আমাদের শিা ব্যবস্থা এমনিতেই সহস্র সমস্যায় জর্জরিত তদুপরি মড়ার উপর এই খাঁড়ার ঘা কেন? মনে হচ্ছে অতি সুপরিকল্পিতভাবে আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছি। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিকরা তো প্রতিনিয়ত ছাত্র নেতাদের হাতে লাঞ্ছিত অপমানিত হচ্ছেন। কলেজ ভার্সিটির অধ্যকে অফিসে তালাবদ্ধ করে রাখার পর পুলিশ এসে উদ্ধার করছে এমন সংবাদ তো প্রায়ই আমাদের শুনতে হয়। এ সকল দৃশ্য কি আমরা এখন স্কুলগুলোতেও দেখতে চাচ্ছি? স্কুল পর্যায়ে রাজনৈতিক কমিটি গঠন আর কোমলমতি ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই বলেই মনে করি। পারলে তাদেরকে নৈতিক শিা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে উৎসাহিত করা হোক। তাদেরকে সকল প্রকার রাজনীতির বাইরে রাখা হোক। কোনো রাজনৈতিক নেতার আগমন উপলে তাদেরকে ফুলের তোড়া হাতে দাঁড় করিয়ে রাখার নির্লজ্জ তোষামোদি সংস্কৃতি বন্ধ করা হোক। বর্তমানে ছাত্র রাজনীতি এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। তাই আমাদের কোমলমতি ছাত্রদের এই নোংরা রাজনীতিতে জড়ানোটা হবে চরম এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কিছুদিন আগে শুনেছিলাম শিশুলীগ নামে একটি সংগঠনের কথা। ভেবেছি-হাসিঠাট্টা। অনলাইনে তো কত কিছু নিয়েই হাসি-তামাশা হয়। এখন তো অতি আতংকগ্রস্ত হয়ে দেখছি ঘটনা ভয়াবহ। এরপর এই নোংরা রাজনীতির জীবাণু তো আস্তে আস্তে প্রাইমারি পর্যন্ত চলে আসবে। এটা কি কোনো রাজনৈতিক টিকাদান কর্মসূচি যে বাদ যাবে না কোনো শিশু। অভিযান শুরু করেছেন? ছাত্রলীগ বলছে শুধু তারাই নয়- ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়নসহ আরো অনেক রাজনৈতিক দলের কমিটি মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে রয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কমিটি রয়েছে বলে তোমাদেরকেও কমিটি গঠন করতে হবে এমন তো কোনো কথা নয়। তোমাদের কাছে জাতির প্রত্যাশা বেশি। তোমরা বরং এর প্রতিবাদ করবে, রাস্তায় নামবে। যাতে কোনো রাজনৈতিক দল এরূপ কমিটি গঠন করে ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে না পারে, জাতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে তা প্রতিরোধ করবে। তা না করে তোমরাও সেই একই ধারায় শিশুদের ব্যবহার করতে চাচ্ছ যা সত্যিই হতাশাজনক। অনেক ছাত্র সংগঠনের গঠনতন্ত্রেই নাকি স্কুল কমিটির কথা উল্লেখ আছে। এরূপ থাকলে অনতিবিলম্বে তাদের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন আনা দরকার। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

টিআইবি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের বিচার ব্যবস্থা উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছে । আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
13160 জন