ঢাকায়ও রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করলেন না তিনি
বাংলাদেশের পাশে থাকতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি পোপের আহবান
Published : Friday, 1 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 30.11.2017 11:14:25 PM
বাংলাদেশের পাশে থাকতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি পোপের আহবানদিনকাল রিপোর্ট : পোপ ফ্রান্সিস ঢাকায়ও রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করলেন না। বঙ্গভবনে সুশীল সমাজ ও কূটনীতিক প্রতিনিধিদের সামনে দেয়া বক্তব্যে পোপ বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোকে রাখাইন রাজ্য থেকে শরণার্থীদের বিরাট ঢল সাদরে গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশিরা। এতে বাংলাদেশি সমাজের উদারতা ফুটে উঠেছে। শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছেন তারা। জীবন ধারণে প্রয়োজনীয় মৌলিক সহায়তা দিয়েছেন। আর বাংলাদেশিরা এটা করেছেন সারা বিশ্বের সামনে। রোহিঙ্গা সঙ্কটের প্রতি ইঙ্গিত করে পোপ ফ্রান্সিস তার বক্তব্যে বলেন, গত কয়েক মাসে রাখাইন থেকে আসা বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে এবং তাদের মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের সমাজ উদার মন এবং অসাধারণ ঐক্যের পরিচয় দিয়েছে। এটা ছোট কোনো বিষয় নয়, বরং পুরো বিশ্বের সামনেই এটি ঘটেছে। পুরো পরিস্থিতি, মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট এবং শরণার্থী শিবিরগুলোতে থাকা আমাদের ভাইবোন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু, তাদের ঝুঁকির গুরুত্ব বুঝতে আমরা কেউই ব্যর্থ হইনি। এই সঙ্কট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এগিয়ে আসাটা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন পোপ। : তিনি বলেন, কঠিন এই সঙ্কট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। তবে শুধু রাজনৈতিক বিষয় সমাধানই নয়, বাংলাদেশে দ্রুত মানবিক সহায়তাও দিতে হবে। পোপ বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাাৎ করতে বঙ্গভবনে পৌঁছান পোপ ফ্রান্সিস।  গতকাল বৃহস্পতিবার তিন দিনের সফরে বিকেল তিনটায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সাভারের স্মৃতিসৌধে যান তিনি। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে স্মৃতিসৌধ থেকে ফিরে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ‘বঙ্গবন্ধু’ শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিকে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন।  বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাাতের পর সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও কূটনীতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন পোপ। আজ শুক্রবার স্বাধীনতার স্মৃতি বিজড়িত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৮০ হাজার পুণ্যার্থীর উপস্থিতিতে প্রার্থনা সভা ছাড়াও খ্রিস্টান যাজক এবং যুব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় হবে তার। নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও পোপের সাাৎ সূচি রয়েছে। এছাড়া সফরের তৃতীয় দিন কাকরাইল চার্চে সর্বধর্মীয় সভায় বক্তব্য দেবেন। পরিদর্শন করবেন তেজগাঁও গির্জা। এদিন বিকালেই তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন। ১৯৭০ সালে ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের ১৪ দিন পর ২৬ নভেম্বর তৎকালীন পোপ ষষ্ঠ পল ফিলিপাইনে যাওয়ার পথে বাংলাদেশে এক ঘণ্টার যাত্রাবিরতি করেছিলেন। আর পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় এবং পালকীয় সফরে ১৯৮৬ সালের ১৯ নভেম্বর পোপ দ্বিতীয় জন পল বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

টিআইবি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের বিচার ব্যবস্থা উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছে । আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
13151 জন