জাবি সিনেটে গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন
জয় পেতে একাট্টা জাতীয়তাবাদী শক্তি : বিভক্ত আওয়ামী লীগে
Published : Saturday, 2 December, 2017 at 12:00 AM
নাইমুল হাসান কৌশিক, জাবি থেকে : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে প্যানেল নিয়ে মাঠে নামলেও বিভক্ত আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা। আগামী ৩০ ডিসেম্বর এই রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটরা তাদের ২৫ জন প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার মূল কেন্দ্র সিনেটে দায়িত্ব পালন করবেন। এবারের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী হয়েছেন ১১৮ জন। এর মধ্যে আওয়ামী পন্থী গ্র্যাজুয়েটরা ২টি ও বিএনপিপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের পক্ষ থেকে ১টি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে এসব প্যানেল ঘোষণা করা হয়। বিএনপিপন্থী গ্র্যাজুয়েটরা একাট্টা হয়ে ‘স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী’ নামে একটি প্যানেল ঘোষণা করেন। যার নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম। আর এ প্যানেলের উপদেষ্টা হিসেবে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন সাবেক ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান। অন্যদিকে আওয়ামীপন্থী গ্র্যাজুয়েটরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন দুভাগে। এতে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবীরের নেতৃত্বে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট। অন্যদিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ে গঠিত হয় ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল গ্র্যাজুয়েট মঞ্চ। যার নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক এম এ মতিন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী ও জাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল আলম। জানা যায়, নির্বাচনে মোট ১১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫টি সিটের বিপরীতে তিন প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন মোট ৭৫ জন প্রার্থী। এ ছাড়া অন্য ৪৩ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন স্বতন্ত্র হিসেবে। এদিকে দীর্ঘ ১৯ বছর পর বৃহস্পতিবারের (৩০ ডিসেম্বর) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে ক্যাম্পাসের শিক্ষক রাজনীতি। প্রত্যেক প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা। আর আওয়ামীপন্থীদের গ্র্যাজুয়েটদের দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার কারণে নির্বাচনে জটিল সমীকরণ হবে বলে জানান ভোটাররা। যদিও এক প্যানেল থেকে সমোঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আওয়ামীপন্থী গ্র্যাজুয়েটরা। অন্যদিকে ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের জন্য এ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা নিয়ে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। কারণ দীর্ঘ ১৯ বছর পরে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন শিক্ষকরা। নির্বাচন সম্পর্কে ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম দিনকালকে বলেন, আমরা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। আশা করছি নির্বাচন সঠিক সময়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ক্ষমতাসীনরা ব্যাংকিং খাতে হরিলুট চালাচ্ছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
11261 জন