রাজশাহীতে অবৈধ ইটভাটা ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন
Published : Saturday, 2 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 01.12.2017 9:13:40 PM
রাজশাহীতে অবৈধ ইটভাটা ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসনরাজশাহী ব্যুরো ও গোদাগাড়ী প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন ধরে চারপাশের পরিবেশ দূষণের মধ্যে ফেলে রাজশাহী জেলাজুড়ে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে একের পর এক অবৈধ ইটভাটা। হাজার হাজার কৃষি জমি নষ্ট করে চলছে তাদের এ কার্যক্রম। এবং ইট উৎপাদনে ইতিমধ্যে সকল প্রকার কার্যক্রম শেষ করেছেন ভাটা ব্যবসায়ীরা। ভাটাগুলোতে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। শ্রমিকেরা জানান, এসব ভাটায় কয়লা ব্যবহারের সুযোগ নেই। তাই সারা বছর কাঠই পোড়াতে হয়। ভাটাগুলোর পাশে রয়েছে ফলের বাগান, আলু ও ধানখেত। আর ১০০ থেকে ১৫০ গজের মধ্যে রয়েছে জনবসতি। টিনের ড্রামচিমনি দিয়ে কাঠ পোড়ানোর ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে লোকালয়ে। তবে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী, আবাসিক এলাকা ও কৃষিজমির এক কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা স্থাপন নিষিদ্ধ। অথচ এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। উল্টো অবৈধ এসব ইটভাটা থেকে আদায় করা হচ্ছে কোটি টাকা। ফলে বিরূপ প্রভাব পড়ছে পরিবেশের ওপর। রাজশাহী ইট প্রস্তুতকারী সমিতির দেওয়া তথ্য মতে,রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় ১৯৫টির মতো ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি ইটভাটার। বাকিগুলো চলছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে। তবে এসব ইটভাটা মালিকরা সরকারকে রাজস্ব দিচ্ছেন নিয়ম মতোই। পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে, আইন না মেনে গড়ে ওঠা ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে। ইটভাটা মালিকরা বলছেন, পরিবেশবান্ধব ইট তৈরির জন্য সরকার সহায়তায় এগিয়ে না এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ অনুযায়ী আবাসিক এলাকা ও কৃষি জমিতে ইটভাটা করা যাবে না। কিন্তু এ আইনের কোনো তোয়াক্কা না করেই রাজশাহী অঞ্চলে গড়ে উঠেছে বহু ইটভাটা। অধিকাংশ ইটভাটায় আবার জনবসতির খুব কাছাকাছি। ফলে এসব ইটভাটার কারণে মানুষের স্বাস্থ্যগত সমস্যা যেমন হচ্ছে, তেমনি পরিবেশের ওপরও পড়ছে বিরুপ প্রভাব। তাছাড়া একের পর এক ইটভাটা নির্মাণের কারণে কৃষি জমির পরিমাণও কমছে দিন দিন। ভাটা মালিকদের বক্তব্য, তারা বৈধভাবেই ব্যবসা করতে চান। কিন্তু আইনী জটিলতার কারণে ছাড়পত্র ও লাইসেন্স পাচ্ছেন না। তাই চাঁদা দিয়ে চালাতে হচ্ছে এসব ইটভাটা। বৈধতা না থাকলেও প্রতি ১০ লাখ ইটের বিপরীতে প্রায় চার লাখ টাকা রাজস্বও দিতে হচ্ছে সরকারকে। : :  





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ক্ষমতাসীনরা ব্যাংকিং খাতে হরিলুট চালাচ্ছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
11257 জন