পার্বত্য চুক্তির ২ দশকেও পাহাড়ে শান্তি ফিরেনি
চলছে নীরব চাঁদাবাজি, থামেনি প্রাণঘাতী সংঘাত : বেড়েছে অপহরণ
Published : Saturday, 2 December, 2017 at 12:00 AM
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি, দিনকাল : পার্বত্য চুক্তি (শান্তি চুক্তির) দুই দশকেও পাহাড়ে ফিরেনি শান্তি নামের সোনার হরিণ। বরং বেড়েছে নীরব চাঁদাবাজি, খুন, অপহরণ ও প্রাণঘাতী সংঘাত। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শান্তি বাহিনী নামক গেরিলা উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সাথে পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে পার্বত্য শান্তি চুক্তি করলেও পাহাড়ের শান্তি নামের সে মরীচিকা যেন আজো অধরা। : পাহাড়ের অধিকার আদায়ে আন্দোলনরত সংগঠনগুলো পার্বত্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন দাবি করে আসলেও “পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক নয়” এবং সরকার জুম্ম জাতির সাথে প্রতারণা করছে বলেই বার বার অভিযোগ করেছে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) ও উপজাতীয় আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দরা। : পাহাড়ের শান্তি ও বর্তমান উন্নয়নের অব্যাহত ধারা পার্বত্য চুক্তির ফসল আখ্যায়িত করে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পার্বত্য চুক্তির দুই দশক পুর্তি উপলক্ষে ৩ দিনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ১ ডিসেম্বর আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া ২৯ নভেম্বর দৃশ্যমান স্থানে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বিষয়ক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী ও ৩০ নভেম্বর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের হলরুমে সেমিনারের আয়োজন করা হয়। পার্বত্য চুক্তির বর্ষপুর্তি পালনে পার্বত্য ৩ জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ডাকডোল পিটিয়ে দিবসটি উদযাপন করে আসলেও পাহাড়ে এখনো নিভেনি অশান্তির দাবানল।  : উপজাতীয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ব্যানারে একের পর এক পাহাড়ে নীরিহ পাহাড়ি-বাঙালী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, ঠিকাদারসহ সরকারি উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করে মোটা অঙ্কের চাঁদা উত্তোলন করে তাদের অস্ত্রের মজুদকে শক্তিশালী গড়ে তুলছে বলে অভিযোগ করে আসছে পার্বত্য বাঙালী সংগঠনগুলো। তবে এ অভিযোগ বার বারই অস্বীকার করে আসছে উপজাতীয় সংগঠনগুলো। পার্বত্য চুক্তির আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি  (জেএসএস) নামের একটি সংগঠনকে চাঁদা দিতে হতো কিন্তু চুক্তির পর ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সুধাসিন্দু খীসার নেতৃত্বে গঠিত হয় জেএসএস এমএন লারমা সমর্থিত (সংস্কার গ্রুপ)। : তিনটি সংগঠনকে আলাদা আলাদা চাঁদা দিয়ে আসলেও গত ১৫ নভেম্বর ২০১৭ তারিখ খাগড়াছড়ির খাগড়াপুরস্থ কমিউনিটি সেন্টারে প্রসীত বিকাল খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) কে প্রত্যাক্ষণ করে ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক) নামে আরেকটি সংগঠনের জন্ম নিয়েছে। আগে নিজের অধিকার আদায়ের লক্ষে আন্দোলনের বিষয়টি পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক তিনটি সংগঠনের সাইনবোর্ড হলেও বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারে। তবে সকল সংগঠনের লক্ষই এক। : অধিকার আদায়ের সাইন বোর্ডের আড়ালে চাঁদাবাজির অন্তরালে সংগঠনগুলো বছরের পর বছর শত শত কোটি টাকার নীরব চাঁদাবাজি করে আসলেও বর্তমানে পার্বত্য জনপদ তাদের জন্য স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ আছে পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর সশস্ত্র হুমকির মুখে অসহায় সকল পেশাজীবীসহ বসবাসরতরা। পাহাড়ের এক সময়ের আতঙ্কের শান্তি বাহিনী খোলস পাল্টিয়ে ভিন্ন নামে চাঁদাবাজি করে চললেও থামেনি অস্ত্রের ঝনঝনানি। পাহাড়ে থেমে থেমে শুনা যায় অস্ত্রের প্রকট শব্দ। ভেসে আসে বারুদের গন্ধ। তাই প্রাণভয়ে ধার্যকৃত চাঁদা পরিশোধে বাধ্য সবাই। নইলে প্রাণ সংহারের শঙ্কায় দিন কাটাতে হয় স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বসবাসরতদের। চাঁদা না দিলেই ঘটে হত্যা ও অপহরণের মতো নৃশংসতা। : পার্বত্য শান্তি-সম্প্রীতির লাল সবুজ ব্যানারে ঢাকঢোল পিটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বর্ষপূর্তি পালন করে আসলেও এখনো পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। বরং হত্যা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদান, বেপোরোয়া চাঁদাবাজি ও নাশকতামূলক তৎপরতা আরও প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিন সংগঠনের তৎপরতার মধ্যে এবার প্রসিত খীসার নেতৃত্বাধীন ১৯ বছরের ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ভেঙে ‘ইউপিডিএফ সংস্কার’ (ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক) নামে একটি গ্রুপ আত্মপ্রকাশ করায় নতুন করে শঙ্কার দানা আরও পোক্ত হয়েছে। ফলে আতঙ্ক বেড়েছে পাহাড়ের ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। : এবার চাঁদার ভাগ নিতে মাঠে আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে সশস্ত্র তৎপরতার স্বর্গরাজ্যে যোগ হচ্ছে নতুন আরেক নাম, ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নামের ইউপিডিএফ’র সংস্কার’ গ্রুপ। এই বিভক্তির আগে পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট তিনটি পাহাড়ি আঞ্চলিক সংগঠন আধিপত্যের যুদ্ধ আর চাঁদাবাজীতে লিপ্ত ছিলো। তবে বৃহত্তর পাহাড়ি আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ’র ভাঙ্গনের ফলে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো চারে। এর আগে ২০১০ সালের এপ্রিলে বিভক্ত হয় সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। জেএসএস’র কেন্দ্রীয় অপর শীর্ষ নেতা সুধাসিন্দু খীসার নেতৃত্বে গঠিত হয় জেএসএস (সংস্কার/এমএন লারমা গ্রুপ)। : ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে জনসংহতি সমিতির শান্তি বাহিনীর সদস্যরা। গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও বর্তমান আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)। : চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১০ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠনিকভাবে অস্ত্র সমর্পণ করেন সন্তু লারমা। আর খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামসহ চারটি স্থানে অস্ত্র সমর্পণ করেন শান্তি বাহিনীর এক হাজার ৯৬৮ জন সদস্য। পাহাড়ে আসে শান্তির বারতা। শুরু হয় চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলায় প্রায় দুই হাজার শান্তি বাহিনীর সদস্য অস্ত্র সমর্পন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এরপর অস্ত্র সমর্পন করা শান্তি বাহিনীর সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি চাকরি দেয়া হয়েছিল। : তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের আগে তৎকালীন গেরিলা বাহিনী (শান্তিবাহিনী) প্রধান ও বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ছিল পাহাড়িদের একক সংগঠন। সেই সময়ে ইউপিডিএফ’র প্রতিষ্ঠাতা প্রসিত বিকাশ খীসা ছিলেন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস’র সহযোগী ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষর করে জনসংহতি সমিতি। এরপরই প্রসিত খীসার সাথে সন্তু লারমার বিরোধ শুরু হয়। : আর সেই বিরোধ প্রকাশ্য রূপ নেয় ১৯৯৮ সালের ১০ ফেরুয়ারি। পার্বত্য চুক্তির শর্তানুযায়ী ওই দিন গেরিলা নেতা সন্তু লারমার নেতৃত্বে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে অস্ত্র সমর্পণ করে শান্তিবাহিনীর সশন্ত্র সদস্যরা। আর তখনই খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে প্রসিত বিকাশ খীসার নেতৃত্বে শত শত কালো পতাকা উত্তোলন করে অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠানকে ধিক্কার জানায়, বিক্ষোভ করে প্রসিত খীসার অনুসারীরা। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীতে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জেএসএস ভেঙে ইউপিডিএফ’র জন্ম দেয় প্রসিত বিকাশ খীসা। স্লোগান দেয়, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণ স্বায়ত্ত শাসন চাই’। : স্থানীয় সাধারণ পাহাড়ি-বাঙালিরা বলছে, মূলত চাঁদার লোভেই অধিকার আদায়ের আন্দোলনের আড়ালে সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের অনিবন্ধিত আঞ্চলিক দলগুলো। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি প্রত্যাখ্যানকারী পূর্ণস্বায়ত্তশাসন বা স্বশাসনের দাবিতে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া ইউপিডিএফ পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘জুম্ম ন্যাশনাল আর্মি (জেএনএ)’ নামে গেরিলা বাহিনী গঠন করে দীর্ঘ এই ১৯ বছর ধরে সশস্ত্র তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও জেএসএস’র বিভক্ত দুটি গ্রুপও এই অপতৎপরতার সমান অংশীদার। : পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মজিদ বলেন, ইউপিডিএফ’র এই বিভক্তির ফলে চাঁদাবাজিতে নতুন একটি নাম যোগ হলো। আগে তিন গ্রুপকে চাঁদা দিতে হতো, এখন গ্রুপ হলো চারটি। এছাড়া নিজেদের মধ্যকার সংঘাত পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থির করে তোলে। নতুন এই বিভক্তিতে সেই সংঘাত আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। : পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলে সকল ক্ষেত্রে পাহাড়িদের সকল সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে আর বঞ্চিত হয়েছে পার্বত্য জেলার বসবাসরত বাঙালিরা।  : সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ প্রতিরোধ কমিটির খাগড়াছড়ি জেলা শাখার আহবায়ক পৌর মেয়র রফিকুল আলম বলেন, ‘বেকার, কর্মহীন মানুষদের নিয়ে সংগঠন গড়ে তুলছে পাহাড়ি আঞ্চলিক দলগুলো। অধিকার আন্দোলনের কথা বলে পার্বত্য চট্টগ্রামে ওরা চাঁদাবাজির মহোৎসব পালন করছে। আর ইউপিডিএফ’র সংস্কার গ্রুপ তাতে নতুনমাত্রা যোগ করবে। তবে চাঁদাবাজির কোন চিন্তা তাদের নেই বলে জানালেন সদ্য ঘোষিত ‘ইউপিডিএফ সংস্কার’ গ্রুপের মিডিয়া সমন্বয়কারী রিপন চাকমা। তিনি মুঠোফোনে জানান, সংগঠন পরিচালনার জন্য প্রচুর অর্থের দরকার হয়। তবে প্রসিত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের মতো কাউকে নির্যাতন, অত্যাচার করে চাঁদা আদায় করবেনা নতুন এই সংগঠন।’ : চাঁদার রাজ্যে আধিপত্য বিস্তারের নেশায় পার্বত্য চট্টগ্রামের পরস্পর বিরোধী আঞ্চলিক সংগঠনগুলো বরাবরই বদ্ধ উন্মাদ। হিংসা-হানাহানি, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য অব্যাহত রেখেছে সবকটি সংগঠন। থেমে নেই নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত। সন্ত্রাস দমনে পার্বত্যাঞ্চলে নিয়োজিত সেনাবাহিনী যথেষ্ট তৎপর। তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে বেশিরভাগ সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করে নেয়ায় এসব সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো আরও বেশি বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে। সেই সাথে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের পর হতে এই অঞ্চলে খুন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। : পার্বত্য চুক্তির পর পাহাড়ে প্রাঁণঘাতী সংঘাতে নিহত: পার্বত্য চুক্তির পর ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রাণঘাতী সংঘাতে ইউপিডিএফ ও জেএসএস এর দু’গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৩৪৪ নেতাকর্মী নিহত হয়েছে বলে জানান সংগঠন দুটি। তার মধ্যে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর থেকে গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত ইউপিডিএফ তাদের ২৫৪ জন নেতাকর্মী প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে জেএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা জানান, শান্তিচুক্তির পর থেকে তাদের ৯০ জন নেতাকর্মী প্রতিপক্ষের হাতে নিহত হয়েছে। :   :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ক্ষমতাসীনরা ব্যাংকিং খাতে হরিলুট চালাচ্ছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
11228 জন