৫ কোটি টাকা জমা দিতে হবে এমপি শওকতকে : আপিল বিভাগ
Published : Tuesday, 5 December, 2017 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : আগামী দুই মাসের মধ্যে নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টির দলীয় সংসদ সদস্য মো. শওকত চৌধুরীকে ৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে জমা দিতে আদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আর এই অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে ব্যর্থ হলে তার জামিন বাতিল হবে বলেও জানিয়ে দেয়া হয়েছে। আসামি মো. শওকত চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুই মামলায় জামিন নেয়া প্রসঙ্গে আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। : গতকাল সোমবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ শুনানি শেষে এই আদেশ জারি করেন। আদেশে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্য শওকতের করা লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আদালতে সংসদ সদস্য শওকতের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়েছেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন ও এ এম আমিন উদ্দিন।  অপরদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। : দুদকের আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন, গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এক রায়ে শওকত চৌধুরীকে ৫০ দিনের মধ্য ২৫ কোটি টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে নির্দেশ দেন। এতে ব্যর্থ হলে নিম্ন আদালতে তাকে দেয়া জামিন বাতিল হবে বলে উল্লেখ করেন হাইকোর্ট। : পরে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন সংসদ সদস্য শওকত। চেম্বার জজ ২৯ অক্টোবর হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। এর ধারাবাহিকতায় সংসদ সদস্য শওকতের আবেদনটি গত ১২ নভেম্বর আপিল বিভাগের নিয়মিত  বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেয়া রায়ের স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩ ডিসেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। পাশাপাশি নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলেন। : এদিকে রায় স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে দুদক একটি আবেদন করে। উভয়পক্ষের করা পৃথক দুই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে গতকাল সোমবার আদেশ দেন আপিল বিভাগ। : তিনি বলেন, শওকত চৌধুরীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক থেকে ১২০ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা এবং এক কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেছে দুদক। : মামলার এজাহারে বলা হয়, যমুনা এগ্রো কেমিক্যাল কোম্পানি ও যমুনা এগ্রো কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড নামের দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ব্যাংকটির বংশাল শাখা থেকে ৯৩ কোটি কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ২৩১ টাকা আত্মসাৎ করে। পরে সুদে-আসলে সেটা দাঁড়ায় ১২০ কোটি ৯ লাখ ৮০ হাজার ৯৯০ টাকা। প্রতিষ্ঠান দুটির মালিক শওকত চৌধুরী। ব্যাংক থেকে জালিয়াতির জন্য নানা কৌশল নেয় প্রতিষ্ঠান দুটি। ভুয়া মেয়াদি আমানত (এফডিআর) দেখিয়ে তার বিপরীতে ঋণ নেয়া, বিটিআরসির একটি হিসাবকে জাল কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দেখিয়ে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনসহ নানা প্রক্রিয়ায় ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। : :





শেষ পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতে খুনের  নেশায় মেতে উঠেছে আওয়ামী লীগ। আপনি কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
34978 জন