দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতে খুনের নেশায় মেতে উঠেছে আওয়ামী লীগ
রাজকোষ শূন্য করে নামকরণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
Published : Tuesday, 5 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 04.12.2017 10:39:02 PM
রাজকোষ শূন্য করে নামকরণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভীদিনকাল রিপোর্ট : বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার আওয়ামী দুঃশাসনকে টিকিয়ে রাখতে বিরোধী দল দমনে হামলা-মিথ্যা মামলা ও জেলজুলুমের পাশাপাশি খুনের নেশায় মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন  বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সঙ্গে সিইসির বক্তব্যের সুর মিলে যাচ্ছে। যা প্রমাণ করছে বর্তমান সিইসিও সরকারের নির্মিত সেই পুরোনো পথেই হাঁটবেন। গতকাল সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে দুঃসময় চলছে অথচ প্রধানমন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা দুঃসময়েও রাজকোষ শূন্য করে নিজের পরিবারের নামকে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বর্তমান এক ভয়াবহ সঙ্কট রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক পা ফেলছেন না বরং কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে পিতার নামে সড়ক নামকরণ ও উদ্বোধন করতে চলে গেলেন সুদূর কম্বোডিয়ায়। মূলত তিনি যদি দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হতেন তাহলে দেশের স্বার্থ বাদ দিয়ে নামকরণে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন না। : রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্বোডিয়া সফরে গিয়ে গতকাল বলেছেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর উদ্যোগ নেয়ায় সবাই সমীহ করে। পদ্মা সেতুকে নিয়ে দুর্নীতির মাল্টিডাইমেনশনের কথা নিশ্চয়ই মানুষ ভুলে যায়নি, যা দেশের মানুষকে লজ্জিত ও হতবাক করে দিয়েছিল, পাশাপাশি সেকথাও কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বলা উচিত ছিল। পদ্মা সেতু শব্দটি উচ্চারিত হওয়ার সাথে সাথেই আওয়ামী সরকারের ভয়াবহ দুর্নীতির চিত্র জনমানসে ভেসে ওঠে। এর আগেও প্রধানমন্ত্রী এবং সরকারের মন্ত্রীরা বিশ্বব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বারবার ধমক দিয়ে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নের গতিকে থামিয়ে দিয়েছেন। পদ্মা সেতুকে নিয়ে দুর্নীতির আন্তর্জাতিক অভিযোগগুলো কথার ফুলঝুরি দিয়ে ঢাকা যাবে না। ভুল নীতির কারণে আওয়ামী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে নিতে পারছে না। বিদেশি অনুদান প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন তছনছ হয়ে গেছে। সরাদেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোর বেহাল দশায় সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। লন্ডভন্ড সড়কে মানুষের জীবনযাত্রা প্রায় থমকে গেছে। আজকেও পত্রিকার হেডলাইন ব্যাংকগুলোর মূলধন খেয়ে ফেলা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সাত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি সতেরো হাজার কোটি টাকা। ক্ষমতাসীনদের লুটপাট-দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতায় বাংলাদেশে এখন সর্বকালের সর্বোচ্চ বিষাদ ঘনঘোর নৈরাজ্য বিরাজ করছে। কারণ এর ভুক্তভোগী হচ্ছে সাধারণ জনগণ। এখন যে দুঃসময় চলছে, এমন দুঃসময়েও প্রধানমন্ত্রী কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে পিতার নামে সড়ক নামকরণ ও তা উদ্বোধন করতে চলে গেলেন সুদূর কম্বোডিয়া। : বাংলাদেশে যেন হবুচন্দ্র রাজার উদ্ভট রাজত্ব চলছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, রাজকোষ শূন্য করে শুধু পরিবারের নামকে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া প্রতিযোগিতায় নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শাসকদলের সবাই। অথচ বাংলাদেশে বর্তমানে এক ভয়াবহ সংকট রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি ঘর থেকে এক পা ফেললেন না। এই সংকট সমাধানে বিএনপিসহ দেশের বিশিষ্টজন এবং বুদ্ধিজীবীরা চীন-ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে বাংলাদেশের পক্ষে রাজি করতে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানানো হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি উদোগী হলেন না। পিঁয়াজের কেজি বিশ টাকা থেকে এখন এক শ বিশ টাকা, দশ টাকার চাল এখন সত্তর টাকা, বিদ্যুতের দাম বর্তমান সরকারের আমলে আট বার বাড়ানো হয়েছে, নানা ট্যাক্সের চাপে মানুষের জীবন বিপন্ন, অশান্তির আগুনে ভিতরে ভিতরে মানুষ ˜গ্ধ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যদি দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হতেন তাহলে দেশের স্বার্থ বাদ দিয়ে নামকরণে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন না। : বিএনপির এই নেতা বলেন, গত দু-তিন আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলে আগাম নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আওয়ামী লীগ। সিইসি সমস্বরে বলেছেন, সরকার চাইলে আগাম নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি। আমরা বারবার বলেছি, বর্তমান সিইসি আওয়ামী সরকারের কৃপাধন্য। ওবায়দুল কাদের সাহেবের বক্তব্যের সাথে সাথে সিইসির একই সুর প্রমাণ করে, সিইসি সরকারের নির্মিত সেই পুরনো পথেই হাঁটবেন। একটি স্বাধীন সার্বভৌম নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব দেশে অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, চাকরি রক্ষার্থে বর্তমান সিইসি অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়টি আমলে নেবেন না। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে আবারো দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই, প্রধান নির্বাচন কমিশনার মহোদয়, আপনি আওয়ামী সরকারের অশুভ ইচ্ছা পূরণের ‘খাঁচায় বন্দি তোতা পাখী হবেন না’। কেননা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত আর বড় বড় বুলির মায়াজাল সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের ঘাতক প্রতিহিংসাপরায়ণ শেখ হাসিনা ও তার সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন এদেশের জনগণ মেনে নেবে না। কারণ জনগণের ললাটে একটি বিষাক্ত কাঁটার নাম আওয়ামী লীগ। সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ কোনো নীলনকশার ফাঁদে পা দেবে না। : সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনকালে গতকাল শান্তিপূর্ণ মিছিল থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান নাদিম, শাহবাগ থানা বিএনপি নেতা মফিজুল ইসলাম মফিজ, বিল্লাল হোসেন, পল্টন থানা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক, লালবাগ থানা বিএনপি নেতা মনির হোসেন, কুমিল্লা মহানগর জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, রাজবাড়ী জেলাধীন গোয়ালন্দ উপজেলা যুবদলের ১ম যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস সরকার, জেলা ছাত্রদল নেতা আসিফুর রহমান খান কিবরিয়া এবং মামুন মিয়াসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ হামলা চালিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মীকে আহত করেছে। ক্ষমতা হারানোর হতাশার বিকার থেকেই বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালাচ্ছে। গণদুশমনরা শাসনদন্ড হাতে রেখেছে বলেই পুলিশি আক্রমণ ও সহিংস সন্ত্রাসের এতো বাড়বাড়ন্ত। : তিনি বলেন, আমি বিএনপির পক্ষ থেকে পুলিশ কর্তৃক বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার ও হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি। : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আওয়ামী দুঃশাসনকে টিকিয়ে রাখতে বিরোধী দল দমনে হামলা-মিথ্যা মামলা ও জেলজুলুমের পাশাপাশি খুনের রাজত্বে মেতে উঠেছে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার। তরুণদেরকে টার্গেট করে ধারাবাহিকভাবে হত্যা করা হচ্ছে। গতকালও চট্টগ্রামের সদরঘাট থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হারুন চৌধুরীকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে সরকারের নীলনকশা অনুযায়ী এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। যুবসমাজের কন্ঠকে স্তব্ধ করে দিতেই মরণ খেলায় মেতেছে সরকারি দল ও তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলো। দেশটাকে যেন তারা নরমুন্ডের অরণ্য বানিয়ে ছাড়বেন। আওয়ামী লীগ সবসময় অসত্য বলা এবং খুন ও সন্ত্রাসের আশ্রয়প্রার্থী। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদল নেতা হারুন চৌধুরীকে হত্যাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। নিহতের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা। : তিনি আরো বলেন, গত ১ ডিসেম্বর বাদ আছর ধানমন্ডির ১ নং রোডে অবস্থিত বিভিন্ন বাসার সিকিউরিটি গার্ডদের নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের সহধর্মিনী মরহুমা নিলুফার মান্নানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় কুলখানি ও দোয়া মাহফিল আবদুল মান্নানের ধানমন্ডিস্থ বাসভবনে আয়োজন করা হয়। যে আয়োজনটা ছিল অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে। মিলাদ শেষে আবদুল মান্নান বাসার ২য় তলায় উঠে যান এবং তিনি বারান্দায় তসবিহ পড়া অবস্থায় হঠাৎ কয়েকজনের ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান শুনতে পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দেয়া লোকজন তার বাসার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে এবং মান্নানসহ তার জামাতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। দুর্বৃত্তরা বাসার ভেতরে ঢুকতে না পেরে বৃষ্টির মতো ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। সন্ত্রাসীরা বাসার নিচে রাখা মান্নান সাহেবের ব্যবহৃত লেক্সাস গাড়িসহ বাড়ির জানালা-দরজা ভাঙচুর করে। ব্যাপক ভাঙচুরের ফলে লেক্সাস গাড়িটির মারাত্মক ক্ষতি হয়। মূলত আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী আব্দুল মান্নান এবং তার জামাতা ব্যারিস্টার অসীমকে মারধর করার উদ্দেশ্যেই লাঠিসোটা, রড, চাপাতি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় এই যে, গত ২ ডিসেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলা দিতে গেলে থানার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এজাহার থেকে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান বাদ দেয়া হলেই মামলা নেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে এই ধরনের ন্যক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দোষী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করছি। থানায় মামলা নিতে অসম্মতির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি। : রিজভী বলেন, নাটোরে বিএনপির কর্মীসভাকে কেন্দ্র করে গত ২ ডিসেম্বর রাতে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর সহধর্মিনী সাবিনা ইয়াসমিন ছবির উপস্থিতিতে তাদের নাটোরের বাসভবনে পুলিশ এবং গতকাল দুপুরে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা একই বাসভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। আমি এই ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে দোষী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করছি। : সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতে খুনের  নেশায় মেতে উঠেছে আওয়ামী লীগ। আপনি কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
35023 জন