আদমদীঘিতে এখন শখের বাহন ঘোড়ার গাড়ি
Published : Friday, 8 December, 2017 at 12:00 AM
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : ঘোড়ার গাড়িতে কে না চড়তে চান, ছোট-বড় সবারই প্রিয় এই গাড়ি। তখনকার বিশেষ এ গাড়িটি অনেকের কাছে ‘টমটম’ নামে বেশ পরিচিত ছিল। বর্তমান যুগে ঘোড়ার গাড়ি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ায় আর চোখেই পড়ে না এ বাহনগুলো। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে যানবাহনেরও। লোহা বা স্টিল দিয়ে যাত্রীদের বসার জায়গা তৈরি করে তার সঙ্গে চাকা লাগিয়ে তৈরি করা হয় এই গাড়িগুলো। বগুড়ার আদমদীঘির ছোটআখিড়া গ্রামের রেজাউল ইসলাম অনেকটা শখ করেই হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে পেতে চালু করেছেন এই বাহন। প্রাচীনকাল থেকেই এই বাহনের কদর ছিল। এমনকি এর কথা, রূপকথা-উপকথার কল্প কাহিনীতেও আছেÑ যা ঐতিহ্যের অংশ। এক সময় শহর ও দেশের গ্রামাঞ্চলে এই ঘোড়ার গাড়িই ছিল যাতায়াতের অন্যতম বাহন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে দেখা না গেলেও বিশেষ করে বগুড়ার আদমদীঘিতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া এই বাহন পুনরায় চালু হওয়ায় অনেকেই এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন। জানা যায়, ইংরেজ শাসন আমলে ১৮৫৬ সাল থেকে ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন শুরু হয়। সিরকো নামীয় একজন আর্মেনীয় প্রথম ঢাকায় ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন করেন, যা তখন  ‘ঠেলা গাড়ি’ নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে অনেক যাত্রী শখ করে আদমদীঘি থেকে সান্তাহার, ছাতিয়ানগ্রাম, মুরইলসহ বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য এই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ছেন। আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতিতে এই ঘোড়ার গাড়িকে দেখা হয় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে। একটি ঘোড়ার গাড়িতে ৮ থেকে ১০ জন যাত্রী বহন করে থাকে, যা ঘোড়ার ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি। আগের দিনে অনেকে বিয়ের অনুষ্ঠানেও শখ করে পালকির পরিবর্তে এই গাড়িতে চড়ে কনের বাড়ি যেতেন। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
32693 জন