আদালতে মামলার অনুমতি
পুলিশ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন ফরহাদের স্ত্রী
Published : Friday, 8 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 07.12.2017 10:31:19 PM
দিনকাল রিপোর্ট : কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারকে অপহরণের ঘটনায় পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) চূড়ান্ত দাখিলের ওপর অনাস্থা জ্ঞাপন করে আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল ঘোষণা দিয়েছেন বাদীপক্ষ। বাদী ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা আক্তার এই নারাজি আবেদন দাখিল করবেন। : গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালত বাদীর নারাজি দাখিলের আবেদন গ্রহণ করেন এবং  আগামী ৯ জানুয়ারি এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। গতকাল আদালত প্রথমে ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে পুলিশের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি আমলে নেন। পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বাদীপক্ষ মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা ও জিডি করে প্রশাসনকে হয়রানি করেছেন। : পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কবি ফরহাদ মজহারকে অপহরণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। পুলিশের এই বক্তব্য আমলে নিয়ে বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনকে নিয়মিত মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। পরে গতকাল এই বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা পরস্পর বিরোধী বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এক পর্যায়ে বাদীপ আদালতে নারাজি দাখিল করবেন বলে সময়ের আবেদন করেন। অভিযোগে দায়ের করা মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ৯ জানুয়ারি ধার্য করেছেন বিচারিক আদালত। : আদালতের বাইরে বাদীপরে আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ সাংবাদিকদের বলেন, কবি ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। কিন্তু আমরা বাদীপক্ষ মনে করি এই মামলাটি সঠিক তদন্ত হয়নি। এখানে পক্ষপাতিত্বের বিষয় রয়েছে। তাই আদালতে নারাজি দেওয়ার জন্য সময়ের আবেদন করি। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৯ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। : এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবুল হক ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি মর্মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রসঙ্গত, গত ৩ জুলাই ভোরে রাজধানীর শ্যামলী রিং রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর ফরহাদ মজহার ‘অপহৃত’  হয়েছেন বলে অভিযোগ করে তার পরিবার। এরপর তার স্বজনরা আদাবর থানায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করলে অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। টানা ১৮ ঘণ্টা ‘নিখোঁজ’ রহস্যের পর ওইদিন রাতেই ফরহাদ মজহারকে যশোরের নোয়াপাড়া থেকে উদ্ধার করে র‌্যাব। ওই সময় তিনি হানিফ পরিবহনের একটি বাসে খুলনা  থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। : ফরহাদ মজহার নিখোঁজ বিষয়ে তার স্ত্রীর করা জিডি নং- ১০১। পরে ওই জিডিটিকে মামলা আকারে নেয়া হয়। এতে ভিকটিম হিসাবে ফরহাদ মজহার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে নিজ জিম্মায় বাসায় ফেরার অনুমতি চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। : : : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
32743 জন