জনগণ ভোট দিলে আছি না দিলে নাই : প্রধানমন্ত্রী
Published : Friday, 8 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 07.12.2017 10:30:42 PM
দিনকাল রিপোর্ট : দেশে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি যে, আগাম নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচন যথাসময়ে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশটাকে উন্নত করবো। সেই ল্য নিয়েই দেশ চালাচ্ছি। তারপর জনগণের ইচ্ছা, যাকে ইচ্ছা ভোট দেবে। কারণ আমি স্লোগান দিয়েছিলাম আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব। ভোট দিলে আছি, না দিলে নাই। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সদ্য সমাপ্ত কম্বোডিয়া সফরের বিস্তারিত জানাতে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। : আগাম নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পার্লামেন্টারি সিস্টেমে যেকোনো সময় কিন্তু ইলেকশন হয়। আমরা এমন কোনো দৈন্যদশা বা সমস্যায় পড়িনি যে, আগাম ইলেকশন দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেকটা েেত্র যে উন্নয়ন করেছি, চ্যালেঞ্জ দিতে পারি, তা কেউ করতে পারেনি। আরেক প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে আসা প্রত্যেকটা দলের কর্তব্য। যে দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না; এটা যে যে দলের সিদ্ধান্ত। এতে আমাদের কিছু করার নেই। যারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশ্বাস করে না তারা নির্বাচনে আসবে না। তিনি এেেত্র কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না- এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি অপাত্রে ঘি ঢালি না। বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলটির চেয়ারপারসন  বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো আলোচনার উদ্যোগ নেবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। বিএনপি একটি নির্দলীয় সরকার চায়, এেেত্র তাদের নির্বাচনে আনতে সরকারপ্রধান হিসেবে কোনো অবদান রাখবেন কি না- এমন প্রশ্নে তিনি একথা বলেন। : প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার সঙ্গে আলোচনা? কিসের প্রস্তাব! একবার প্রস্তাব দিয়ে যে ঝাড়িটা খেলাম আর প্রস্তাব দেয়ার ইচ্ছা নেই। তাকে আর প্রস্তাব দেয়ার দরকার আছে বলে মনে করি না। তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) নির্বাচনে আসতে চায় আসবে এটা তাদের পার্টির সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। এত সাধাসাধির দরকার কি হলো, আমি বুঝতে পারলাম না। শেখ হাসিনা বলেন, আর যাই হোক আমি প্রধানমন্ত্রী। তার ছেলে মারা গেল, আমি তার ছেলেকে দেখতে গেলাম। আমাকে ঢুকেতে দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে তুলতে গভীর ভূমিকা রাখবে। এতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দূঢ় হবে। : সম্প্রতি আমার কম্বোডিয়া সফরে দুই দেশই লাভবান হবে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি বলেন, যেহেতু তারা প্রতিবেশী দেশ; আমি চাই প্রতিবেশী দেশের সাথে সদভাব থাকুক। মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছি; কিন্তু তাদের অবশ্যই ফিরিয়ে নিতে হবে। : প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বার হয়েছে। মিয়ানমার সরকার স্বীকার করেছে-একটা কমিটি করা হবে; তাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্ব আজ বাংলাদেশকে সমীহ করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে আওয়ামী লীগকে দরকার। জনগণের জন্য কাজ করেছি। আগামীতে জনগণ ভোট না দিলে আফসোস থাকবে না। : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে ভালোবেসে দেশ চালাই। বাবার কাছ থেকে যা শিখেছি, দেশের উন্নয়ন কিভাবে করতে হয়, সে চিন্তা করেই দেশ চালাচ্ছি। সেজন্য সফলতাও আসে দেশের। আজকে বাংলাদেশ বিশ্বে একটা মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তো এই মর্যাদাটা ধরে রাখবেন, না মানি লন্ডারিং, ওই শপিং মলের মালিক, নাকি খুন-খারাবি করা, বোমাবাজি, মানুষ খুন, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা তাদেরকে নেবেন। এটা তো জনগণের ওপর নির্ভর করে। এখানে আমার কোনো কিছুই করার  নেই। আমরা দেশটাকে স্বাধীন করেছি। দেশটাকে উন্নত করবো সেই ল্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি। : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
32711 জন