শ্রীপুরে সাফারি পার্কে দর্শনার্থী গভীর নিদ্রায় বিভোর কুমির
Published : Sunday, 31 December, 2017 at 12:00 AM
বশির আহমেদ কাজল, শ্রীপুর (গাজীপুর) : ‘জলে কুমির-ডাঙ্গায় বাঘ’ শুনে আসছি গল্প-উপন্যাসে। দেখেছি সুন্দরবনে, কুমির প্রজনন কেন্দ্রে ও চিড়িয়াখানায়। এই শীতে দেখছি ডাঙ্গায় পড়ে আছে কুমিরের নিথর দেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে। দর্শনার্থীরা কুমিরের নড়াচড়া উপভোগ করতে চায়। তাই খাবারের প্যাকেট, পানির খালি বোতল বা হাতের কাছে যা পাচ্ছে ছুড়ে মারছে তার গায়ে। কুমিরের তবুও যেন হুঁশ নেই বরং মগ্ন শীতনিদ্রায় তাপ পোহাতে। মুজিব সাফারি পার্কের ওয়াইল্ড লাইফ সুপারভাইজার মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, শুধু কুমির নয় যত উভয়চর প্রাণী আছে যারা বুকে ভর করে চলে তারা বছরে কিছু সময় শীতনিদ্রায় থাকে। এদের মাতৃকালীন সময়েও তাই হয়। যেমন সাপ, কচ্ছপ, কুমির। এ সময় খাওয়া কমিয়ে দিয়ে ডাঙ্গায় উঠে শীতনিদ্রায় থাকে। পূর্বে তার খাবার গ্রহণ করা শক্তি থেকে পরিচালিত হয়। সাফারি পার্কে সল্ট ক্রোকোডাইল বা লুনা পানির কুমির রয়েছে ১৬টি। আর মার্ক ক্রোকোডাইল  বা মিঠাপানির কুমির ৬টি। মার্ক ক্রোকোডাইল  মহাবিপন্ন বা বিলুপ্তির পথে যা ইন্ডিয়াতে কিছু পাওয়া যায়। গত বছর বাংলাদেশের একটি নদীতে আটককৃত মার্ক ক্রোকোডাইলটি সাফারিতে রয়েছে। আমাদের এখানে প্রজনন হবে বলে আশাবাদী। যদিও  জায়গার তুলনায় কুমিরের সংখ্যা বেশি। বন্য কুমিরের প্রধান খাবার হচ্ছে মাছ ও কার্কাস বা মৃতদেহ। আমরা পূর্বে মুরগি দিয়েছি কিন্তু এখন গরুর মাংস খাওয়াচ্ছি। আরো জানা যায়, বর্তমানে সারা পৃথিবীতে কুমিরের ৩টি গোত্রে ২৫টি প্রজাতি রয়েছে। এক সময় আমাদের দেশে ৩ প্রজাতির কুমির ছিল। সুন্দরবন এলাকায় প্রায় ১৫ ফুট লম্বা দেহের লুনা পানির কুমির পাওয়া যায়। যা প্রায় বিলুপ্তির পথে। তাছাড়া পদ্মা এবং যমুনা নদীর তিস্তা-নগরবাড়ী ও সারধা-গোদাগাড়ি অঞ্চলে মার্ক ক্রোকোডাইল বা ইন্ডিয়ান মাদার, ঘড়িয়াল, বাইশাল, ঘোট কুমির পাওয়া যায়। ইন্ডিয়ান মাদার ও ঘড়িয়াল কুমিরকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন প্রজাতির হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আবারও বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশ বিপর্যয়ে পড়বে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
7234 জন