বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা জনগণ মেনে নিবে না : খন্দকার মোশাররফ
Published : Sunday, 31 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 30.12.2017 11:02:22 PM
বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা জনগণ মেনে নিবে না : খন্দকার মোশাররফস্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ, দিনকাল : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বিচার বিভাগ ধ্বংস। মিথ্যা বানোয়াট মামলায় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সপ্তাহে তিন দিন হাজিরা দিতে হয়। ষড়যন্ত্র করে ভুয়া বিচার করা হচ্ছে। কোনো সাক্ষী নেই ডকুমেন্ট নেই সরকার বিচারকদের যা লিখে দিবে তাই বিচারক রায় দিবে। আগামীতে আওয়ামী লীগ আবারো ক্ষমতায় থাকতে বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। কিন্তু জনগণ মেনে নিবে না। গতকাল শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে বিবি রোডের গ্রান্ড হলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর মহিলা দলের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। : তিনি বলেন, মহিলা দলকে গুরুত্ব দিয়ে জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেছেন। কারণ ভোটের হিসেবে মহিলা দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে মহিলাদল সামনে থাকলে পুলিশ ও গুন্ডারা কিছুটা হলেও সমীহ করে থাকে। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ বিএনপিকে ভয় পায়। আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে, খালেদা জিয়া, তারেক রহমানকে ভয় পায়। জনগণের ভোট ছাড়া গায়ের জোরে আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে আছে। এ হাসিনার সরকার অবৈধ সরকার। ১৫৪টি আসনে কোন প্রার্থীই ছিল না। বিনা ভোটে তারা নির্বাচিত। তারা স্বৈরাচারী আচরণ করছে। দেশের তিনটি স্তম্ভকে দলীয়করণ করে নিয়ন্ত্রন করছে। ধ্বংস করে দিচ্ছে। নির্বাহী বিভাগকে দলীয়করণ করে ধ্বংস করে দিচ্ছে। দেশে কোন চেইন অব কমান্ড নাই। যে কারণে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেনা। শেখ হাসিনা বলেছিল ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। কিন্তু আজকে ৫০টাকা কেজি মোটা চাল। : সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এ স্বাধীনতা অর্জন। কিন্তু তা ধূলিসাৎ হতে যাচ্ছে। বাকশাল কায়েম করে গণতন্ত্র হত্যা করেছি। সেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শহীদ জিয়াউর রহমান সকল স্থানে সমান অবস্থান রেখে গেছেন। তার নীতি-আদর্শে আমরা বিএনপির রাজনীতি করি। শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে স্বাধীনতা হতো না। আজকে আওয়ামী লীগ অপপ্রচার করে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী দেয় জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন। : সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম, জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সহ-সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান, আবদুল হাই রাজু, মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, প্রবীণ বিএনপি নেতা জামাল উদ্দীন কালু, কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী শাম্মী আক্তার, হেলেন জেরিন খানসহ উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, মাসুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার, মহানগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সজল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম  প্রমুখ। সম্মেলনে জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক নুরুন্নাহারের সভাপতিত্বে নারায়ণগঞ্জের মহিলা দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রহিমা শরীফ মায়া, মহানগর মহিলা দলের আহ্বায়ক রাশিদা জামাল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাউন্সিলর আয়েশা আক্তার দিনা, সাজেদা খাতুন মিতা, বন্দর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহামুদা আক্তার, সোনারগাঁও উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সালমা আক্তার, আড়াইহাজার উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি পারভীন আক্তার, শহর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি দিলারা মাসুদ ময়না, মহিলা দল নেত্রী ডলি আক্তারসহ জেলার সাতটি থানা এলাকা থেকে শত শত মহিলা দলের নেতাকর্মী। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আবারও বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশ বিপর্যয়ে পড়বে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
7196 জন