আবারও বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশ বিপর্যয়ে পড়বে : বক্তারা
Published : Sunday, 31 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 30.12.2017 11:05:12 PM
দিনকাল রিপোর্ট : ৫ জানুয়ারির মতো আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে দেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক মুক্ত সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। : সুজন সম্পাদক বলেন, আবারও একটি বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। নির্বাচন মানে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। রংপুরে ইসি বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছে। কারণ তারা সেখানে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। তবে জাতীয় নির্বাচনে ভিন্নদৃষ্টি থাকবে। তিনি বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ইসি পার্টটাইম সংস্থা নয়। সার্বক্ষণিকভাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিরাজ করে তা নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব। : একই অনুষ্ঠানে সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যে প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এখনো সে প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন হয়নি। যেভাবে দলীয়করণ হয়েছে তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, চিন্তা করা যায় না। তিনি বলেন, চারটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন না হলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। সেগুলো হলোÑ রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন গঠনের আইনি কাঠামো, দলীয়করণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান বলেন, নিছক ভোটের রাজনীতি অপরাজনীতির দিকে ঠেলে দেয়। এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এর দায় রাজনৈতিক দলগুলোর। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণ করতে পারিনি। মানুষকে বিভ্রান্ত করেছি, শোষিত করেছি।’ : জাতীয় পার্টির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, সবাই বলে জাতীয় পার্টি স্বৈরাচার ছিল। কিন্তু বড় দুটি দল দেশকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা কেউ দেখে না। রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরকে চোর বানাচ্ছে। বড় দুই দল এক হবে তা কখনো বিশ্বাস হয় না। কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না। জঙ্গি দমনের কথা উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, তুফান সরকারের মতো যারা ধর্ষণ করছে, তাদের সময় আইনের আশ্রয়ের কথা বলা হয়। আর জঙ্গিদের দেয়া হচ্ছে বন্দুকের আশ্রয়। এক দেশে দুই আইন চলতে পারে না। তিনি ধর্ষকদের গুলি করে মেরে ফেলার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘তারপর দেখেন ধর্ষণ হয় কি না।’ : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন কোনো নির্বাচন ছিল না। সামনে যেন এর পুনরাবৃত্তি না হয়, সেটা দেখতে হবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করতে হবে, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হতে হবে। : সাবেক কূটনীতিক মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন যাতে না হয়। প্রধানমন্ত্রীও মনে হয় ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন চান না। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আবারও বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশ বিপর্যয়ে পড়বে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
7200 জন