সৈয়দপুরে তিন ফসলি জমিতে অবৈধ ইটভাটা
Published : Monday, 1 January, 2018 at 12:00 AM
ফজল কাদির, নীলফামারী থেকে : নীলফামারীর সৈয়দপুরে সম্প্রতি দুই ও তিন ফসলি জমিতে ইটভাটা স্থাপনের হিড়িক পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও কৃষি বিভাগকে ম্যানেজ করে গড়ে উঠছে এসব ইটভাটা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কৃষি বিভাগ। উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নে প্রায় ২০টি ইটভাটা রয়েছে। এছাড়াও বোতলাগাড়ী ও বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নে বেশ কিছু ইটভাটা রয়েছে। সরেজমিন বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে লক্ষনপুর স্কুল ও কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, সোহরাব হোসেনের মালিকানাধীন একটি নতুন ইটভাটা তৈরির প্রস্ততি চলছে। সদ্য ধান কাটা জমি থেকে ট্রাক্টরে মাটি কাটা, ইট রাখার জন্য খলান তৈরি করছে ৩০-৩৫ জন শ্রমিক। পুরো ইট ভাটাটি স্থাপন করা হচ্ছে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এলাকায়। এই প্রকল্পে জমির পরিমাণ প্রায় ১শ একর। সেখানে কিছু জমিতে আলু, রসুন, সরিষাসহ বেশ কিছু ফসল লাগানো হয়েছে। এইইট উৎপাদনের জন্য পোড়া নোহচ্ছে প্রায় ১ কোটি সিএফটি মাটি। সিংভাগ মাটি আসছে কৃষি জমি থেকে । কৃষি জমির মূল্যবান অংশ টপ সয়েল হিসেবে পরিচিতি এ মাটি ইটভাটাগুলোর পেতে গেলেও এ নিয়ে তেমন প্রতিক্রিয়া নেই কোন প্রতিষ্ঠানেরই । কৃষি জমির টব সয়েলের বিনাশ করা হলে ফসল উৎপাদনের ওপরে মারাত্মক উপাদান নেতিকবাচক প্রভাব পড়বে ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানে অবস্থানকালে কথা হয় কয়েকজন জমির মালিক ও এলাকাবাসীর সাথে। জমির মালিক দুলাল, বিমল ও নরেশ জানান, “হামরা এইলা জমিত বছরে দিন বার আবাদ করি। ২ বার ধান আর আলু, কপি, সইশা আবাদ করি। ভাটার হইলে হামার জমিত আর আবাদ হইবেনা। হামাক না খেয়া থাকির নাইকবে।”ইট ভাটা মালিক সোহরাব হোসেন বলেন, “আমি নিয়ম মেনে ইট ভাটা করছি। নিউজ করে কিছুই হবেনা।বরেন্দ্র বহুমুখি সেচ প্রকল্পের ইজারাদার স্বপন জানান, এখানে বরেন্দ্র সেচ প্রকল্পের আওতায় ১০০ একর জমি রয়েছে। ইট ভাটা করায় আবাদী জমি গুলোতে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে সেচ প্রকল্প বন্ধ হওয়ার কারনে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে।” নাম প্রকাশ না করার শর্তে লক্ষনপুর স্কুল ও কলেজর একজন শিক্ষক জানান, “ইট ভাটা চালু হলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে ছাত্রছাত্রীসহ এলাকার মানুষ। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রংপুরের ভোট নিয়ে ইসির নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিচার করা ঠিক হবে না। আপনি কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
7426 জন