মাগুরার ৪টি উপজেলায় সরিষা চাষ গত বছরের তুলনায় অর্ধেক
Published : Tuesday, 2 January, 2018 at 12:00 AM
শালিখা, মাগুরা (প্রতিনিধি)   : মাগুরায় উচ্চ ফলনশীল  বারি-৯ ও টোরি-৭, বারি-১৪ ও বারি-১৫  জাতের সবিষার আবাদ কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগালেও গত বছরের তুলনাই সরিষার চাষ এ বছর অর্ধেকে নেমে এসেছে। মৌসুমের শুরুতে কৃষি বিভাগ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত এই অধিক ফলনশীল সরিষা আবাদে উদ্বুদ্ধ করে। এতে সরিষা আবাদে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ফিরে আসবে বলে আশা করেছিল কৃষি বিভাগ। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া ও শীত আসতে দেরি হওয়ায় চলতি মৌসুমে জেলার ৪টি  উপজেলায় সরিষার চাষ লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ না হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষি বিভাগের লোকজন ও কৃষকরা।  মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ  বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রাজিব হাসান জানান, চলতি মৌসুমে জেলার সদর, শালিখা, শ্রীপুর, ও মহাম্মদপুর উপজেলায় মোট ৬৩৯৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। যেখানে গত বছর জমিতে সরিষা আবাদের পরিমাণ ছিল ১০৮৬০ হেক্টর। সেখানে এ বছর মাগুরা সদরে ২১৫০, মহম্মদপুর ৬০৫, শ্রীপুর ৫৫০ ও শালিখা উপজেলায় ৩০৯০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। এ বছর জেলায়  ৭ হাজার  ৪৬৬ টন সরিষা উৎপাদন হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ, যা গত বছরের চেয়ে অর্ধেক। এ ছাড়া  সরিষার ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে বাড়তি আয় করার কথা শতাধিক মধু চাষীর। কিন্তু মাগুরা জেলার ৪টি উপজেলায় এ বছর সরিষা চাষ ভালো না হওয়ায় এলাকার মধু চাষীরা পার্শ্ববর্তী জেলাতে ভিড় জমিয়েছেন। সাধারণত মাগুরার কৃষকরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বারি-৯ ও টোরি -৭ জাতের সরিষার আবাদিই বেশি করতেন। সময় বেশি লাগায় ও ফলন কম হওযায় কৃষকরা সরিষা চাষে উৎসাহ হারাচ্ছিলেন। এ দুটি জাতের সরিষা মাত্র ৬৫-৭৫ দিনে সরিষা ঘরে তোলা গেলেও চলতি মৌসুমের শুরুতে কৃষি বিভাগ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত অধিক ফলনশীল জাতের বারি-১৪ ও বারি-১৫ সরিষা আবাদে উদ্বুদ্ধ করলেও অসময়ে বৃষ্টি ও শীত শুরু হতে দেরি হওয়াতে মাগুরার কৃষকরা সরিষা আবাদে অনেকটা  নিরুউৎসাহ প্রকাশ করছেন। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিশিষ্টজনেরা বলেছেন, ৫ জানুয়ারির মতো বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশে বিপর্যয় নেমে আসবে। আপনিও কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
34669 জন