জীবননগরে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা
বিএনপি প্রার্থীদের লোকজনের ওপর হামলা ব্যাপক লুটপাট
Published : Tuesday, 2 January, 2018 at 12:00 AM
জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনোত্তর সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে। এ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থীর লোকজন পরাজিত ধান শীষ প্রতীকের প্রার্থীর লোকজনের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ পর্যন্ত হামলায় স্বামী-স্ত্রীসহ চারজন আহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত স্বামী-স্ত্রী জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও  স্বতঃস্ফূর্তভাবে গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়। এ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দেড় শতাধিক ভোটের ব্যবধানে বিএনপি দলীয় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামরুজ্জামানকে পরাজিত করেন। নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় নৌকা প্রতীকের বিজয়ী চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন খানের লোকজন ধানের শীষ প্রতীকের কর্মী পিয়ারাতলা গ্রামের হান্নান কাজীর দোকানে হামলা চালিয়ে দোকান ভাঙচুর করে এবং লুটপাট করে। এ সময় সেখানে থাকা লোকজনকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেয়। অন্যদিকে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধোপাখালী গ্রামের ধান শীষ প্রতীকের কর্মী বাবু ও তার স্ত্রী শহিদা খাতুনকে নৌকা প্রতীকের লোকজন বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এ সময় হামলাকারীদের প্রতিহত করতে গিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যরাও হামলার শিকার হন। আহত স্বামী-স্ত্রীকে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। হাসপাতালে ভর্তি আহত বাবু ও তার স্ত্রী শহিদা খাতুন বলেন, আমরা নৌকা প্রতীকে ভোট না দেয়ার অভিযোগে আমাদের ওপরে নৌকা প্রতীকের লোকজন হামলা চালিয়ে আহত করে। একই ইউনিয়নের কালা গ্রামের বাদশা মিয়া বলেন, আমি ধানের শীষ প্রতীকের কর্মী ছিলাম। আমাদের প্রার্থী নির্বাচনে ফেল করায় নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে নৌকা প্রতীকের লোকজজন হামলা চালায় এবং আমাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে চলে যায়। নৌকা প্রতীকের লোকজন গত শনিবার সন্ধ্যায় আবারো আমার ওপরে হামলা চালায়। নৌকা প্রতীকের লোকজনের ভয়ে আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিএনপি দলীয় ধান প্রতীকের পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে দাবি করা হলেও ভোটগ্রহণ শেষে কৌশলে ভোট গণনার সময় আমাকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন আবার আমার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের আতঙ্কিত করা হচ্ছে। নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সামনে তার লোকজন আমার কর্মী বাদশা মিয়াকে মারপিট করা হয়েছে। এ অবস্থায় আমার পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।   :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিশিষ্টজনেরা বলেছেন, ৫ জানুয়ারির মতো বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশে বিপর্যয় নেমে আসবে। আপনিও কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
34699 জন