বিপজ্জনক দাউদকান্দি টোলপ্লাজা
Published : Wednesday, 3 January, 2018 at 12:00 AM
কুমিল্লা প্রতিনিধি : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোলপ্লাজা এখন বেশ বিপজ্জনক এবং চলাচলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ফোরলেন হওয়ার পর কুমিল্লা থেকে ঢাকায় যেতে দেড় থেকে দুই ঘন্টা লাগার কথা থাকলেও সেখানে পাঁচ-ছয় ঘন্টা লাগছে। এজন্য যাত্রীরা দাউদকান্দি টোলপ্লাজার গাড়ি ছাড়ার ধীরগতি আর নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ এলাকার যানজটকে দায়ী করেছেন। বিশেষ করে গত শুক্রবারে দাউদকান্দি টোলপ্লাজার যানজট কয়েক কিলোমিটার ছাড়িয়ে যায়। কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী বাসের যাত্রী ডা. গোলাম শাহজাহান বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ফোরলেন হওয়ার পর আমরা আশায় বুক বেঁধেছি দ্রুত ঢাকায় যাবো। কুমিল্লা থেকে ঢাকায় যেতে দেড় থেকে দুই ঘন্টা লাগার কথা থাকলেও সেখানে পাঁচ-ছয় ঘন্টা সময় লাগছে। দাউদকান্দি টোলপ্লাজার গাড়ি ছাড়ার ধীরগতি আর নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ এলাকার যানজট যাত্রীদের দিনকে মহাসড়কে রাত করে ছাড়ছে। আমরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।’ সরেজমিনে দেখা যায়, রড বোঝাই করা একটি বড় লরি টোলপ্লাজায় এসে ৮ মিনিট আটকে থাকলো। তর্কবিতর্ক শেষে ওজন বেশি হওয়ায় তাকে ফিরিয়ে দেয়া হলো। তিনি আবার অন্য সারিতে গিয়ে দাঁড়ালেন। এদিকে তার পেছনে লম্বা জট লেগে যায়। ওই লরি চালক কামাল হোসেন জানান, ‘সীতাকুন্ডে ওজন দিলাম একটা, এখানে এসে দেখি আরো বেশি। মূলত তাদের ওজন স্কেলে সমস্যা আছে। একটিতে ৪৫ টন ওজন হলে অন্যটাতে আবার ৪০ টন দেখা যায়। এজন্য আমাদের হয়রানিতে পড়তে হয়। বিভিন্ন সারিতে গিয়ে দাঁড়াতে গিয়ে যানজট লাগে।’ তিনি আরো বলেন, ‘যাদের ওজন বেশি হয় তাদের আটকে রেখে রাতে বেশি টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।’ টোলপ্লাজার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট (অব.) আবদুল মজিদ ভূঁইয়া বলেন, ‘সীতাকুন্ডে ওজন দেয়ার পর অনেকে পথে মালামাল নেয়ায় ওজন বেড়ে যায়। টাকা নিয়ে রাতে গাড়ি ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। গাড়ি দ্রুত ছেড়ে দেয়ার জন্য আমরা তৎপর রয়েছি।’ টোল আদায়কারী প্রতিষ্ঠান সিএনএস লি-এর নির্বাহী পরিচালক মেজর (অব.) জিয়াউল আহসান বলেন, ‘সীতাকুন্ডে সব গাড়ি ওজন করার সুযোগ থাকে না। ৪৪ টন ওয়েটের অনুমতি দেয়ায় ওভার ওয়েটের বেশি গাড়ি এখন টোলপ্লাজায় খুব বেশি আসে না। ছুটির দিনে কিছু চাপ থাকে। মেঘনা-গোমতী সেতু দুই লেনের হওয়ায় মাঝেমধ্যে কিছু জট লাগে। যাত্রী ও পণ্য পরিবহন চালকদের ভোগান্তি রোধে তারা তৎপর রয়েছেন।’ : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ২০১৮ সালে জনগণের বিজয় হবেই। আপনিও কী তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
8681 জন