অপরিকল্পিত শিল্পায়নে হুমকিতে ঢাকার নদী ও জলাশয়
Published : Thursday, 4 January, 2018 at 12:00 AM, Update: 03.01.2018 10:51:59 PM
অপরিকল্পিত শিল্পায়নে হুমকিতে ঢাকার নদী ও জলাশয়দিনকাল রিপোর্ট : অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে বাংলাদেশের পরিবেশ মারাত্মক তির মুখে পড়ছে। শিল্পকারখানাগুলো অপরিকল্পিতভাবে ঢাকার ভূ-গর্ভস্থ পানি তুলে ফেলায় পানির স্তর আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে যাচ্ছে। আবার মাটির ওপরের, অর্থাৎ খাল ও নদীসহ অন্যান্য জলাশয়ের পানিও মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সমীা-২০১৭ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। শ্যামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকার ৫০টিরও বেশি ডাইং কারখানার বর্জ্য সরাসরি মিশে যাচ্ছে বুড়িগঙ্গায়। কেরানীগঞ্জ-কালিগঞ্জের ৭০টি ওয়াশিং ও ডাইং কারখানার বর্জ্যও মিশছে নদীতে। এসব কারখানায় নেই কোনো বর্জ্য শোধনাগার। বিশ্বব্যাংকের পরিবেশ সমীায়, ৭১৯টি তৈরি পোশাক কারখানার ওয়াশিং ও ডাইং ইউনিট থেকে প্রতিদিন রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোতে ২০০ টন বর্জ্য এসে পড়ছে। এছাড়া শিল্প কারখানাগুলোতে ব্যবহার করা হচ্ছে ভূ-গর্ভস্থ পানি। এতে পানির স্তর আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে যাচ্ছে। : প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ সালে বস্ত্র কারখানাগুলো থেকে ২৭০ হাজার কোটি লিটার দূষিত বর্জ্যসহ পানি নির্গত হয়েছে। একই সময়ে ইস্পাত কারখানাগুলো থেকে ১ লাখ কোটি লিটার এবং কাগজ কারখানাগুলো থেকে ৪৫ হাজার কোটি লিটার দূষিত বর্জ্য পানি নির্গত হয়েছে। পরিবেশ সংরণ আইন অনুযায়ী, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন প্রতি লিটারে ন্যূনতম ৫ মিলিগ্রাম থাকা দরকার। কিন্তু তা এখন নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। ঢাকার আশপাশের চারটি নদীই এমন ভয়াবহ দূষণের শিকার। আর খালগুলো দখল আর দূষণে অস্তিত্ব হারিয়েছে অনেক আগেই। মৎস্য ও জলজ প্রাণীর জীবন ধারণের জন্য যে অক্সিজেন দরকার তা নেই রাজধানী ঘিরে থাকা নদীগুলোতে। শুধু কলকারখানা নয়, সরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও পানি দূষণের জন্য দায়ী বলে মনে করছেন বাপার পরিচালক আব্দুল মতিন। নদী দূষণের জন্য দায়ী কারখানার জন্য কমন ইটিপি করার চিন্তা ভাবনা করছে বলে জানান পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক জিয়াউল হক। : : : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

আইনজীবী এ কে মোহাম্মদ আলী বলেছেন, খালেদা জিয়াকে সাজা দিতে জাল ডকুমেন্ট তৈরি করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
5858 জন