বিভিন্ন স্থানে বিএনপির মিছিলে পুলিশের হামলা-লাঠিচার্জ : নারীসহ আহত ৫০
Published : Saturday, 6 January, 2018 at 12:00 AM, Update: 05.01.2018 10:54:51 PM
বিভিন্ন স্থানে বিএনপির মিছিলে পুলিশের হামলা-লাঠিচার্জ : নারীসহ আহত ৫০দিনকাল রিপোর্ট : সারাদেশে পুলিশি বাধা, হামলা, গ্রেফতার, লাঠিচার্জ উপেক্ষা করে কালো পতাকা মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। গতকাল শুক্রবার তারা ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে এ কালো পতাকা মিছিল করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ বরিশাল, খুলনা, বান্দরবান, ময়মনসিংহ, পাবনা, নওগাঁয় কালো পতাকা মিছিলে বাধা, হামলা, গ্রেফতার, লাঠিচার্জ করে নারীসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে আহত ও গ্রেফতার করে ২৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে। : বরিশাল : বরিশাল ব্যুরো জানায়, বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত গণতন্ত্র হত্যা দিবস  উপলক্ষে গতকাল সকালে বরিশালে বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও ছাত্রদলের উদ্যোগে পৃথকভাবে কালো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সকালে বরিশাল নগরীর রুপাতলী হাউজিং এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদারের নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বরিশালে বিএনপির কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগের হামলায় আহত হয়েছেন তিনজন। একজনের আঙ্গুল কর্তন করেছে। এদিকে দুপুরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা খানম নাসরীনের নেতৃত্বে বৈদ্যপাড়া এলাকায় কালো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে ৩ ছাত্রদল নেতাকে আহত করে এবং নাসরীনের বাসায় হামলা করে। হামলাকারীরা ছাত্রদল কর্মী রেজভীকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে একটি আঙ্গুল কেটে ফেলে। তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সকালে বরিশাল নগরীর হাটখোলা এলাকায় মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জাম ফারুকের নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকাল থেকে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বিএনপি অফিস ঘিরে রাখায় বিএনপি সকালে পূর্ব নির্ধারিত বিএনপি অফিসের সামনে সমাবেশ ও কালো পতাকা মিছিল করতে পারেনি। এ কারণে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে কালো পতাকা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার বলেছেন, গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি বিএনপি অফিসের সামনে করতে পারেনি পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বাধার কারণে। সকাল থেকেই পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বিএনপি অফিস ঘিরে রাখে। এদিকে ভোর থেকে পুলিশ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ারের কাউনিয়ার বাসা ঘিরে রাখে এবং তাকে বাস থেকে বের হতে দেয়নি এবং কোনো নেতাকর্মীসহ কাউকে বাসায় প্রবেশ করতে দেয়নি। ভোর থেকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা নগরীতে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছে। অবশ্য পুলিশ বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তারা মজিবুর রহমান সরোয়ারের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছে। তাকে বাসা থেকে তাকে বের হতে কোনো বাধা দেয়নি। এদিকে বরিশালের বাকেরগঞ্জে থানা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি আবুল হোসেন খানের নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয় । : খুলনা : খুলনা ব্যুরো জানায়, ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের কালো দিবস উপলক্ষে খুলনায় বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে আসা মিছিলে বিনা উসকানিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে ১৪ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে পুলিশ মিছিল থেকে পাঁচ বিএনপির কর্মীকে আটক করে বেদম প্রহারের পর থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ মিছিলে বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। সমাবেশ শেষে দুপুর পৌনে ১টায় নগরীতে কালো পতাকা মিছিল বের করার উদ্যোগ নেয় বিএনপি। কিন্তু থানার মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। পুলিশ খালিশপুরের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদকে বেধড়ক পেটালে তার জামা ছিঁড়ে সম্পূর্ণ খালি গা হয়ে যায়। সে অবস্থায় তিন পুলিশ সদস্য পেটাতে পেটাতে থানার ভেতর ধরে নিয়ে যায়। একই স্থান থেকে যুবদল নেতা মেহেদী হাসান, রুহুল, লিপু মল্লিক ও কুদ্দুসকে আটক করে পুলিশ। এ সময় দৌলতপুর থানা যুবদল নেতা জি এম মাসুদুল হক মাসুমের মোবাইল ফোনটি তার হাত থেকে এক পুলিশ কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জ এবং  নেতাকর্মীদের ইট-পাটকেল ও চেয়ার নিক্ষেপের সময় অন্তত ১৪ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে খালিশপুর থানা নেতা আল আমিনের পা ভেঙে যায়। তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের লাঠির আঘাতে দুই মহিলা কর্মী আহত হন। তারা হলেনÑ বিউটি বেগম ও হোসনে আরা। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বিএনপিকে রাজপথে দেখলে শেখ হাসিনার পতন আতঙ্ক শুরু হয়। অবৈধ অনির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে পেটোয়া পুলিশ বাহিনী বিএনপির ওপর হায়েনার মতো হামলে পড়ে। তিনি বলেন, হামলা চালিয়ে, মামলা দিয়ে, জেলে পুরে খুলনা বিএনপির নেতাকর্মীদের দমন করা যাবে না। পুলিশকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, খুলনার মাটি বিএনপির ঘাঁটি। এখানে চাকরি করতে হলে প্রজাতন্ত্রের সেবা করতে হবে। এখানে বসে অবৈধ সরকারের তাঁবেদারি করা চলবে না। বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, অ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, রেহানা আক্তার, মাহবুব হাসান পিয়ারু, আজিজুল হাসান দুলু, মুজিবর রহমান, কামরান হাসান ও শরিফুল ইসলাম বাবু। সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা আব্দুল গফফার। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, অ্যাড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ আমজাদ হোসেন, মাহবুব কায়সার, শেখ হাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, অ্যাড. গোলাম মাওলা, আজিজা খানম এলিজা, ইকবাল হোসেন খোকন, জালু মিয়া, সাদিকুর রহমান সবুজ, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, হাসানুর রশিদ মিরাজ, কে এম হুমায়ুন কবীর, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, হেলাল আহমেদ সুমন, হাসান মেহেদী রিজভী, শেখ জামিরুল ইসলাম, জহর মীর, মো. শাহজাহান, শেখ ইমাম হোসেন, বদরুল আনাম, মীর কবির হোসেন, আনসার শিকদার, রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ। : খুলনা জেলা বিএনপি : ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের কালো দিবস উপলক্ষে খুলনায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি। সকাল ১০টায় কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, একদলীয় স্বৈরশাসকের মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছে। ২০১৮ সাল হবে হাসিনার পতন ও গণতন্ত্রের মুক্তির বছর। তবে আন্দোলন ছাড়া ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত হবে না। তাই সর্বাত্মক আন্দোলনের প্র¯ুÍতি নিতে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন অ্যাড. শেখ আব্দুল আজিজ, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, চৌধুরী কওসার আলী, অ্যাড. শরিফুল ইসলাম জোয়াদ্দার খোকন, অ্যাড. মাসুম আল রশিদ, অ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, আব্দুর রকিব মল্লিক, মোস্তফা-উল বারী লাভলু, খান আলী মুনসুর, জি এম কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, মেজবাউল আলম, পিন্টু, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, ডা. আব্দুল মজিদ, খায়রুল ইসলাম খান জনি, খন্দকার ফারুক হোসেন, শাহাদাত হোসেন ডাবলু, আসলাম পারভেজ, উজ্জল কুমার সাহা, ইবাদুল হক রুবায়েদ, মোল্লা কবির হোসেন, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, অ্যাড. জি এ সবুর, সুলতান মাহমুদ, হাফিজুর রহমান, কাজী মিজানুর রহমান, কাজী ওয়াইজউদ্দিন সান্টু, হাবিবুর রহমান হবি, অধ্যাপক আইয়ুর আলী, জসিমউদ্দিন লাবু, রফিকুল ইসলাম বাবু, ফরহাদ হোসেন, ডা. আলমগীর হোসেন, মাসুম মাস্টার, জাভেদ মল্লিক, সরোয়ার হোসেন, সরদার আব্দুল মালেক, সাহেব আলী, শাহাবুদ্দিন ইজারাদার, জহুরুল হক, স ম মোকাররম, ইসমাইল হোসেন, রবিউল হোসেন, গাজী আব্দুল হালিম, আবুল কালাম, গাজী জাকির হোসেন, সেতারা সুলতানা, শাম্মী আক্তার মনি, কবির হোসেন ডাবলু, সন্তোষ কুমার, সাইফুল পাইক, মশিউর রহমান লিটন, বুলু চৌধুরী, বেলাল হোসেন, আবুজর প্রমুখ। : বান্দরবান : বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচিতে বান্দরবানে বিএনপির কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এ সময় পুলিশ জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ তিনজন নেতাকর্মীকে আটক করে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় বান্দরবান শহরের মসজিদ মার্কেটের সামনে থেকে একটি কালো পতাকা মিছিল বের হলে পুলিশের বাধার মুখে সড়কের ওপর বসে পড়েন বিএনপির নেতাকর্মীরা।  এ সময় বাধা উপেক্ষা সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ জেলা ছাত্রদল সভাপতি সাবিকুর রহমান জুয়েল, কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক মোরশেদ বিন ওমর ও জেলা ছাত্রদল সদস্য মো. রাসেলকে আটক করে। পরে সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের ফুট প্যালেস রেস্টুরেন্টে জেলা বিএনপির সভাপতি ম্যাম্য চিং-এর সভাপতিত্বে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. ওসমান গনি, সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ রেজা। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের তিনজন নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটককৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্তে মুক্তি না দিলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবেন। এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি গোলাম ছারোয়ার জানান, ‘আমি থানার বাইরে আছি থানায় গেলে বিস্তারিত জানতে পারব।’ : গৌরীপুর : গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, গৌরীপুরে ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবসে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কালো পতাকা মিছিল করেছে। সকালে জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নূরুল হকের নেতৃত্বে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আকবর আনিস, বিএনপি নেতা ও পৌর কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম রিপন, আরিফুল ইসলাম ভুঞা এনাম, উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নূরুজ্জামান সোহেল, কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির, ছাত্রনেতা জিকু সরকার, তারা মিয়া, ছিদ্দিক, জাহাঙ্গীর, রুবেল প্রমুখ। অপরদিকে ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরনের নেতৃত্বে একটি কালো পতাকা মিছিল বের হলে পুলিশি বাধার মুখে পন্ড হয়ে যায়। বিকালে ময়মনসিংহ জেলা উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামছুল হক ভিপি শামছুর নেতৃত্বে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন যুবদল নেতা সৈয়দ তৌফিকুল ইসলাম, ইলিয়াস উদ্দিন, মো. সোহেল রানা মেম্বার, সিটি মাসুদ, আব্দুস ছাত্তার, মাসুদ মেম্বার, সাহেব আলী, ডা. শাহজাহান, মাজহারুল, খোকন, শহীদ, মজিবুর, আনোয়ার হোসেন মীর সবুজ, হুমায়ুন, রফিকুল, মজিবুর, খোকন, আলীম মেম্বার, মোস্তাকিম, সবুজ, রাসেল কাঞ্চন, আলম, রাজা, লাল্টু, বিএনপি নেতা ওসমান গনি মাস্টার প্রমুখ। : বেলকুচি : কামারখন্দ-বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে বেলকুচিতে কালো পতাকা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বেলকুচি বিএনপি ও পৌর বিএনপি। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকার ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্র হত্যা করেছে। গতকাল শুক্রবার সকালে বেলকুচি উপজেলার গাবগাছি বাজার থেকে একটি কালো পতাকা মিছিল নিয়ে শেরনগর ৭নং ওয়ার্ড বাজারে গিয়ে শেষ হয়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে শেরনগর বাজারে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম। এ সময় তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। শাসক দলের ভোটারবিহীন নির্বাচনের স্বপ্ন জনতার আন্দোলনে দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বনী আমিন, মুক্তার হোসেন, কেরামত তালুকদার, আলম কমিশনার, নূরে আলম, ইমতিয়াজ আহম্মেদ, শামীম সরকার, সুরুজ মন্ডল, গোলাম কিবরিয়া, রাজীব আহসান, জামাল ব্যাপারী, রেজাউল করিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, রুহুল মেম্বর, সালাম মুন্সি, সোহেল, রাজ্জাক, জাহিদ, কামরুল, শাহাদাত, মোহাম্মদ আলী, ফিরোজ মন্ডল, শরীফ ডাক্তার, রহিজ ব্যাপারী প্রমুখ। : নওগাঁ : নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, নওগাঁয় গণতন্ত্র হত্যা দিবসে পুলিশের বাধায় নির্দিষ্ট স্থানে মিছিল ও সমাবেশ করতে পারেনি জেলা বিএনপি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে শহরের কেডির মোড় বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে জেলা বিএনপির একটি মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে পুলিশের বেষ্টনীর মধ্যেই সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা লে. কর্নেল (অব) আব্দুল লতিফ খান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ নজমুল হক সনি, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল ইসলাম টুকু ও ’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক আমিনুল হক বেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মামনুর রহমান রিপন ও শফিউল আজম ওরফে ভিপি রানা, জেলা বিএনপি নেতা অ্যাড. রফিকুল আলম, শহর বিএনপির আহবায়ক নাছির উদ্দীন আহমেদ, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আমিনুর রহমান বিন্টু, জেলা যুবদলের সভাপতি বায়েজিদ হোসেন পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান ফারুক, জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। : ফরিদগঞ্জ : ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি জনিনি, ৫ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ১১টায় ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফ মো. ইউনুছ বলেন, ২০১৪ সালের এইদিনে নির্দলীয় সরকারের অধীন একটি অবাধ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল ও আন্তর্জাতিক মহলের দাবি উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন সরকার প্রহসনের নির্বাচন করে। পৃথিবীর ইতিহাসে এটিকে কলঙ্কিত নির্বাচন হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।  ক্ষমতার লোভে যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে বাংলাদেশের মাটিতে সেই হত্যাকারীদের বিচার দেশের জনগণ একদিন করবেই। সেদিন আর বেশি দূরে নয়। গণতন্ত্র রক্ষার জন্য এদেশের মানুষ বারবার সংগ্রাম করেছে। তাই গণতন্ত্রের বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানানো হয়। তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ববিষয়ক সম্পাদক, সাবেক এমপি লায়ন মো. হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে দলের সকল কর্মসূচি ঐক্যবদ্ধভাবে সফল করার জন্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান। উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমানত গাজী, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী, পৌর যুবদলের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মহসিন মোল্লা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সোহেল, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফজলুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক এমএ কাইয়ুম, মনির হোসেন, পৌর বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাজু আহমেদ পাটওয়ারী, সহ-ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আ. সবুর পাটওয়ারী রুবেল, রুবেল গাজী, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সেলিম মাহমুদ রাঢ়ি, উপজেলা যুবদলের ফারুক খান, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক পেয়ার আহমেদ তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আজিম খান, উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন বিএনপির আসাদুজ্জামান খান কালু, আবু সাঈদ পাটওয়ারী, আবুল হোসেন ভূঁইয়া, ফজলুর রহমান বাচ্চু, আবু সাইদ, রবিউল আলম বাবু, হামিমুর রহমান বাবুসহ উপজেলা, পৌর বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল, কলেজ ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, তাঁতী দল, শ্রমিক দল ও অঙ্গসংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ কয়েক শ নেতাকর্মী। : চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম অফিস জানায়, নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের হাতাহাতি, ধাওয়া, উত্তেজনা আর বাধা উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে মহানগর বিএনপির গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। : পূর্ব ঘোষিত সমাবেশে অংশ নিতে গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মীরা কাজির দেউরি মোড়ে সমবেত হতে থাকেন। : গতকাল বেলা ৩টায় হাজার হাজার নেতাকর্মী ব্যানার, ফেস্টুন ও কালো পতাকা হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে নগর বিএনপি কার্যালয়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। এ সময় কাজির দেউরি মোড়ে পুলিশ বিএনপির মিছিলে বাধা দিলে নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের হাতাহাতি হয়। পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছ থেকে কালো পতাকা কেড়ে নেয়। পুলিশের সাথে হাতাহাতির সময় নগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী সিরাজ উল্লাহ পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হন। এরপর কয়েক হাজার নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে নাসিমন ভবনে জড়ো হন। : বিক্ষোভ মিছিল শেষে নগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। : নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম। : সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশে কোনো নিরাপত্তা নেই। খুন, গুম আর তথ্যসন্ত্রাস চলছে দেশে। আইনের শাসন নেই। বিচারবহির্ভূত হত্যার ভয়ে দেশের মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যই প্রমাণ করে দেশে দুর্নীতির কি অবস্থা। বক্তারা বলেন, সরকার বেগম জিয়াকে ভয় পায় বলেই তাকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়ার চক্রান্ত চলছে। আইনের শাসন থাকলে এ মামলায় বেগম জিয়ার কিছুই হবে না। : এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, সামশুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, গাজী সিরাজ, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। : চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা : দক্ষিণ জেলা বিএনপির কালো পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে নগরীর নিউ মার্কেট এলাকায়। পুলিশি বাধা ডিঙ্গিয়ে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দক্ষিণ জেলা বিএনপি। ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্র ঘোষিত বিএনপির কালো পতাকা মিছিলের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে দোস্ত বিল্ডিংস্থ দলীয় কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে কালো পতাকা হাতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সমাবেশে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। : চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। ৫ জানুয়ারি ২০১৪-এর মতো ভোটারবিহীন নির্বাচনের চিন্তা বাদ দিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির সভা-সমাবেশের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে মুক্ত পরিবেশে সভা-সমাবেশ করার সুযোগ দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিন। অন্যথায় বাংলাদেশের জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ে বাধ্য করবে ইনশাল্লাহ। ২০১৮ সাল হবে অবৈধ সরকার পতনের সাল। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। তাই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ও গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। : সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতা মোশারফ হোসেন, অ্যাড. নুরুল ইসলাম, নাজমুল মোস্তফা আমিন, অ্যাড. মো. কাশেম চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, অ্যাড. মো. আবু তাহের, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শওকত ওসমান, শহীদুর রহমান, কে এম আনিছুর রহমান, সৈয়দুল আলম চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, আব্দুল মান্নান তালুকদার, আখতারুজ্জামান বাবু, সুলতানুল আজিম চৌধুরী, ওলামা দল নেতা মওলানা জাহাঙ্গীর আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শফিকুল ইসলাম রাহী, মহিলা দলের জান্নাতুল নাঈম রিকু, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য মুহাম্মদ শহীদুল আলম শহীদ প্রমুখ। এর আগে গতকাল সকালে নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে কালো পতাকা মিছিল করেছে পাহাড়তলী ছাত্রদল। চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক সুমনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল নেতা মো. ইয়াসিন, রাসেল খান, সাইফুল ইসলাম রুবেল, রাজু খান, রাজিবুল হক বাপ্পী, সাকিব, বাবার, বাবুল, দস্তগীর হোসাইন রিয়াদ, সালেক, শাহেদ তুষার, ওয়াসিম, মহিন, নূর আলম, সবুজ, অভি, ইবুসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে অনশন স্থগিত করলেন নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। শিক্ষকদের দাবি পূরণ হবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
2113 জন