রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে
হাইকোর্টে করা রিট খারিজ
Published : Tuesday, 9 January, 2018 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : মিয়ানমারের এক মেয়েকে বাংলাদেশি এক ছেলের বিয়ের ঘটনায় ওই ছেলের পরিবারকে হয়রানি ও গ্রেফতার না করার রিট আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রিট আবেদনকারীকে ৩০ দিনের মধ্যে খরচা হিসেবে এক লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দিতে বলা হয়েছে।  হাইকোর্টের এই আদেশের ফলে ওই পরিবারটি আরো বেশি হয়রানির শিকার হবে জানান তাদের আইনজীবী। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার বাবুল হোসেন হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি করেছিলেন। কারণ তার ছেলে শোয়েব হোসেন জুয়েল কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের রাফিসা (১৮) নামের এক মেয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। অর এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন তাদের হয়রানি করছে। গতকাল : সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি গ্রহণ শেষে এই আদেশ জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিসবা। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। : আদালতের বাইরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফরেনারস অ্যাক্ট অনুসারে বিশেষ এলাকা থেকে কাউকে বিয়ে করা ও নিয়ে আসা অপরাধ। এ বিষয়ে বিধিনিষেধ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এ অবস্থায় মিয়ানমার থেকে আসা মেয়েকে বিয়ে করা ও নিয়ে আসা আইনের পরিপন্থী। হয়রানি ও  গ্রেফতার এড়াতে রিটটি করা হয়। তাই আদালত রিট আবেদনকারীকে খরচা হিসেবে এক মাসের মধ্যে এক লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়ে রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন। : গত বছরের ২৫ অক্টোবর আইন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে ‘বিশেষ এলাকা’সমূহে বিবাহ নিবন্ধন সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনা অনুসারে, বাংলাদেশি ছেলের সঙ্গে মিয়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা মেয়েদের বিয়ের বিষয়ে বিধিনিষেধ দেয়া হয়। এই নির্দেশনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাবুল  হোসেন রিটটি করেন। এতে এই বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও স্থগিত চাওয়া হয়। : গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর কুতুপালংয়ে শোয়েব ও রাফিসার বিয়ের প্রস্তুতি কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়ে। পরে মসজিদে গিয়ে তারা বিয়ে করেন। পরবর্তী সময়ে ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর তারা সিঙ্গাইরে ফিরে আসেন। পরে পুলিশ তল্লাশি চালালে তারা অন্যত্র চলে যান। এ অবস্থায় ছেলেটির বাবা ওই রিট করেন। :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সাবেক আইজিপি নূরুল হুদা বলেছেন, রাজনৈতিক ব্যবহারের কারণে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে। আপনি কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
14360 জন