পাথরঘাটায় অবৈধ জালের বৈধতা চেয়ে মৎস্য অফিস ঘেরাও
Published : Friday, 12 January, 2018 at 12:00 AM
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি : সাগরে মাছ ধরতে ছোট ফাঁসের জাল বৈধতার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্য অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন মৎস্যজীবিরা। গত বুধবার সকাল ১১টার দিকে বরগুনা জেলার কয়েকটি মৎস্য সংগঠনের নেতাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়। সংগঠনগুলো হচ্ছেÑ পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য আড়তদার সমিতি, ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়ন, মৎস্য ঘাট শ্রমিক, জেলে মাঝি সমিতি ও পোনা মাছ আড়তদার সমিতি। এ সময় বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমন ও পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মৎস্য অফিসে উপস্থিত ছিলেন। পাথরঘাটা উপজেলা জেলে মাঝি সমিতির সভাপতি সিদ্দিক জোমাদ্দার জানান, সরকার মৎস্য প্রজ্ঞাপনে উপকূলের কাছাকাছি সাগরে মাছ  ধরতে ২০ সেন্টিমিটারের নিচের ফাঁসের জাল অবৈধ ঘোষণা করেন। তবে এসব এলাকার সাগর ও নদীতে মাছ পাওয়া যায় চিংড়ি, পোয়া, তপসা, ফাইলসা, ভাটাসহ হরেক রকমের মাছ। এ মাছ ধরতে ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু মৎস্য সংরক্ষণে উপকূলে কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ, নৌবাহিনী ও মৎস্য বিভাগ কাজ করে। এসব বাহিনী প্রতিদিনের অভিযানে উপকূলের জেলেদের লাখ লাখ টাকার ছোট ফাঁসের অবৈধ জাল ধরে এনে পুড়িয়ে দিচ্ছে। এতে করে জেলেরা অসহায় হয়ে পড়ছেন। এ জন্য তাদের বেঁচে থাকার তাগিদে চিংড়ি মাছ ধরার জালটির বৈধতা দাবি জানিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত সংসদ সদস্য রিমন চিংড়ি মাছ ধরার জালের ওপর মৎস্য বিভাগের অভিযান শিথিল করার জন্য জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাহাদাত হোসেনকে অনুরোধ করেন। ঘেরাও কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বরগুনা জেলা ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. দুলাল মাঝি, পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর জমাদ্দার এবং মৎস্য ঘাট শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও পাথরঘাটা পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল। এ ব্যাপারে পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস এস আজাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, জেলেরা অনেক আবদার করতেই পারে। তবে আমরা সরকারের চাকরি করি। সরকারি নিয়ম মেনেই আমরা অবৈধ জালের ওপর ব্যবস্থা নেব। আগামী ১৫ জানুয়ারি সারা দেশে সাগরে অবৈধ জাল নিধনের বিশেষ অভিযান শুরু হবে। এই অভিযান সফল করতে সবাইকে সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সুজন সম্পাদক বলেছেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংসদ ভেঙে সেনা মোতায়েন করতে হবে। আপনি কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
33169 জন