কাজিপুরে শিক্ষাবঞ্চিত কয়েকশ’ শিক্ষার্থী
প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির যোগসাজশে  কার্যক্রমেঅচলাবস্থা
Published : Sunday, 14 January, 2018 at 12:00 AM
কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : কাজিপুরে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির যোগসাজশে শিক্ষাবঞ্চিত কয়েক শ’ শিক্ষার্থী। এ ব্যাপােের কাজিপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কাজিপুর উপজেলার ৭নং খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের জিওল গ্রামের নব্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গত ২০১৩ সালে যমুনা নদীর ভাঙনের কবলে পড়লে বিদ্যালয়টি পার্শ্ববর্তী ৮নং চরগিরিশ ইউনিয়নে স্থানান্তর করা হয়। এরপর ৪-৫ বছর পর ওই বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গা যার দাগ নং ২২/২৩ খতিয়ান নম্বর-৩ মৌজা-জিওল, দলিল নং-৩৫০ জিওল গ্রামের চর আবার জেগে ওঠে এবং লোকজন বসতি স্থাপন করেন। ২০১৪ সালে ওই জিওল গ্রামে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষায় একটি সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপিত হয়। যেটি বর্তমানে স্থানীয়দের স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করে আসছে। ওই ৭নং খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের জিওল গ্রামে প্রায় কয়েক শ’ শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে শিক্ষা কার্যক্রম সুনিশ্চিতের লক্ষ্যে পুনরায় জিওল গ্রামেই বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ায় ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পূর্ব স্থাপিত জিওল গ্রামে বিদ্যালয়টি পুনঃস্থাপনের জন্য দাবি জানান এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে আবেদন জানান। : কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকতার হোসেন ও তার ভাই একই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য ছোবাহান মেম্বারের যোগসাজশে বিদ্যালয়টি তাদের নিজ গ্রাম কালিকাপুর মৌজার কালিকাপুর নিজ গ্রামে বাড়ির পাশে বিদ্যালয়টি স্থাপন করে চালিয়ে যাচ্ছেন। কালিকাপুর গ্রামে পূর্ব থেকে কালিকাপুর নব্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব কালিকাপুর সরকারি বিদ্যালয়, কালিকাপুর খ প্রকাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কালিকাপুর ইবতেদায়ি মাদ্রাসা রয়েছে। কালিকাপুর গ্রামে ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও জিওল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে অন্যত্র স্থানান্তর করায় জিওল গ্রামের কয়েক শ’ কোমলমতি শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিদ্যালয়টি পূর্বে স্থাপিত স্থানে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে এবং প্রধান শিক্ষকের এহেন কর্মকান্ডের ফলে কাজিপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল এবং বিদ্যালয়টি পুনঃস্থাপনের জন্য দাবি জানান। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মঈনুল হাসান জানান, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় ও অভিভাবকদের দাখিলকৃত একটি  অভিযোগপত্র পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বর্তমানে গরিবরা আরও গরিব হয়েছে। আয় কমেছে ৬০ ভাগ মানুষের। সুশাসনের অভাবে এমন হচ্ছে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
33851 জন