শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা কমছে : রোদের দেখা মেলেনি
Published : Monday, 15 January, 2018 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : টানা শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা আরো কমেছে। গতকাল সারাদিন রোদের দেখা মিলেনি। এদিকে তীব্র শীতে সারাদেশে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মানুষ খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। কাজ করতে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে বাস, ট্রাক, বিমান ও নৌচলাচলের ব্যাঘাত ঘটছে। ঘন কুয়াশার কারণে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ফ্লাইটের সিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। তৃতীয় দিনের মতো গতকাল রবিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিমান বন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা বিঘিœত হয়েছে। : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবির ফ্লাইট বিপর্যয়ের কথা স্বীকার করে বলেন, এতে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। : তিনি বলেন, দেশে বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহে গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রামে ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে গত তিন দিন ধরে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ফ্লাইটের সিডিউল বিপর্যয় চলছে। বিশেষ করে গতকাল ভোর থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিমান বন্দরের রানওয়েতে ফ্লাইট উঠানামায় বিঘœ হচ্ছে। : তিনি জানান, তৃতীয় দিনের মতো গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় ওমানের মাস্কট থেকে যাত্রী নিয়ে আসা ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নামতে পারেনি। পরে সেটি কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করে। : অন্যদিকে সিঙ্গাপুর থেকে যাত্রী নিয়ে আসা একই এয়ারলাইন্সের আরেকটি ফ্লাইট ঢাকায় নামতে না পেরে সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করেছে। : বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফ্লাইট গতকাল সকাল ৯টা ৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে সেটি যেতে পারেনি। একইভাবে সকাল সাড়ে ১০টার ফ্লাইটও যেতে পারেনি বলে জানান চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরের বাংলাদেশ বিমানের সুপারভাইজার শওকত হোসেন। : শাহ আমানত বিমান বন্দরের উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবির আরও বলেন, ঢাকা থেকে ফ্লাইট আসতে না পারায় চট্টগ্রাম থেকে সঠিক সময়ে ছেড়ে যেতে পারছে না। গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মোট চারটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম থেকে সঠিক সময়ে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যেতে পারেনি। চারটি ফ্লাইট নামতে পারেনি বলে জানান তিনি। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিশিষ্টজনেরা বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। আপনিও কি তাই মনে করেন
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
33864 জন