বাঘায় গ্রাহকের প্রায় ১৫ লাখ টাকা নিয়ে এনজিও লাপাত্তা
Published : Friday, 26 January, 2018 at 12:00 AM
বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি                                                                    : রাজশাহীর বাঘায় ঋণ গ্রহণে আগ্রহী সদস্যের সঞ্চয়কারী টাকা ও চাকরি দেয়ার নামে অর্ধশতাধিক ব্যক্তির কাছে প্রায় ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে প্রোগ্রেসিভ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের আড়ানী শাখার ম্যানেজার শাহিন আলম। গত এক সপ্তাহ ধরে অফিসে এসে ফিরে যাচ্ছেন ঋণ গ্রহণে আগ্রহী সঞ্চয়কারী সদস্যরা। গত বুধবার থেকে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার অফিস বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন। টাকার শোকে বন্ধ অফিসের গেটের সামনে সদস্যরা ভিড় করতে দেখা গেছে। জানা যায়, বাঘা উপজেলার আড়ানীর শান্তি সুপারমার্কেটের দোতালায় দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে প্রোগ্রেসিভ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের আড়ানী শাখার কার্যক্রম শুরু করে। এই অফিস ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অফিসের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন টাঙ্গাইল জেলার কালীহাতি উপজেলার জকরমান গ্রামের শাহিন আলম নামের এক প্রতারক। অফিস উদ্বোধনের পর ১০ হাজার টাকা বীমা করলে দুই সপ্তাহের মধ্যে এক লাখ টাকা, ২০ হাজার টাকার বীমা করলে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হবে মর্মে কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রচারণা করেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার শাহিন আলম। এই প্রচারণা শুনে স্থানীয় মাজদার রহমান, ইয়ারুল ইসলাম, তিতাস হোসেন, আবদুল হাকিম, মনোরঞ্জন, সুনন্দ কুমার হালদার, জিল্লুর রহমান, মিন্টু হোসেন, সুমন হোসেন, আসলাম হোসেন, বিপুল সরকার, পলি খাতুন, শাকিব হোসেন, তিথি খাতুন, স্বর্ণা খাতুন, লিখন হোসেন, মজিবর রহমান, জালাল হোসেন, সোহেল হোসেন, পিন্টু হোসেন, ফিমা খাতুন, সুমন সরকার, নুরবানু খাতুনের মধ্যে কেউ ১০ হাজার আবার কেউ ২০ হাজার টাকা জমা দেন। এ ছাড়া ভালো বেতন দেয়া হবে মর্মে প্রচারণা করেন ওই ম্যানেজার। ফলে চাকরির নেয়ার লোভে আসলাম উদ্দিন, আমিরুল ইসলাম, সমেন হোসেন, জমসেদে আলীর মধ্যে কারো কাছে থেকে ২০ হাজার টাকা, আবার কারো কাছে থেকে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার শাহিন আলম। প্রতিষ্ঠানের সদস্য পিয়াদাপাড়া গ্রামের মুরগি ব্যবসায়ী তিতাস হোসেন বলেন, প্রোগ্রেসিভ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড বাহ্যিক চাকচিক্য অফিস মোটা অংকের ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার কাছে থেকে ১১ হাজার টাকা নিয়েছে। আমাকে ২২ জানুয়ারি ঋণ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই অফিস বন্ধ করে পালিয়েছেন ম্যানেজার। আরেকজন আড়ানী দিয়াড়পাড়া গ্রামের মুরগি ব্যবসায়ী ইয়ারুল হোসেন বলেন, আমি সহজ শর্তে ঋণ নেয়ার লোভে আমার স্ত্রীর স্বর্ণের কানের দুল বিক্রি করে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। আমি মঙ্গলবার অফিসে গিয়ে দেখি অফিস তালা বন্ধ। বাধ্য হয়ে ফিরে এসেছি। ম্যানেজারকে ফোন দিয়েও তার ফোন বন্ধ পাচ্ছি। এখন আমি নিরুপায় হয়ে পড়েছি। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শাসকগোষ্ঠী একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বেপরোয়া হিংস্র আচরণ করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
34366 জন