চিরিরবন্দরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
Published : Saturday, 27 January, 2018 at 12:00 AM
চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : চিরিরবন্দরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএমওএন্ডএম, বিলিং সহকারীদের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্ব্যবহার, অনিয়ম, রাজস্ব ফাঁকিসহ বিভিন্ন অপরাধ চরম আকার ধারণ করায় গ্রাহকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, চিরিরবন্দর পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিসের এজিএমওএন্ডএম মো. আব্দুল মান্নান ২০১৭ সালের ৪ জুলাই চিরিরবন্দর অফিসে যোগদানের পর থেকে পল্লী বিদ্যুতের বিদ্যুৎ বিল গ্রহণের সময় রেভিনিউ স্ট্যাম্প লাগানো বাধ্যবাধকতা থাকলেও তিনি ৩১ হাজার ৮০৮ জন গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে নতুন স্ট্যাম্প না লাগিয়ে পুরনো ব্যবহার করা স্ট্যাম্প লাগিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চলেছেন। ওই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী হরেন্দ্র নাথ বর্মণ বলেন, বিলে রেভিনিউ স্ট্যাম্প লাগানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া আছে। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে ৩ মাসের একসঙ্গে স্ট্যাম্প কিনে থাকে। জাল স্ট্যাম্প প্রতিরোধে সেগুলোতে অফিসের সিল ব্যবহার করে বিভিন্ন সাব জোনাল অফিসে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। তারপরও অভিযোগ পেলে ও সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী বলেন, স্ট্যাম্প না লাগানোর প্রমাণাদি পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সাব জোনাল ম্যানেজারের (এজিএমওএন্ডএম) কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমরা খুব সতর্ক, ভুলভ্রান্তি হতে পারে। ওই স্ট্যাম্পগুলো দিনাজপুর বাশেরহাট অফিস থেকে একসঙ্গে ৪টিতে করে গোল সিল মেরে অত্রাফিসে পাঠানো হয়েছে। সরবরাহকৃত স্ট্যাম্পগুলো আমরা গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে লাগিয়ে থাকি। ব্যবহার করা স্ট্যাম্প নয়। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ এখন আওয়ামী লীগ। ভাগাভাগি নিয়েই প্রতিপক্ষ হচ্ছে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
34194 জন