শেখ হাসিনার বার্তা পাঠ করবেন আখতারুজ্জামান : গয়েশ্বর
Published : Wednesday, 31 January, 2018 at 12:00 AM, Update: 30.01.2018 10:24:47 PM
শেখ হাসিনার বার্তা পাঠ করবেন আখতারুজ্জামান : গয়েশ্বরদিনকাল রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তা সংবাদপাঠক হিসাবে পাঠ করবেন বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, আপনার বিশেষ দূত এরশাদ সাহেব বেগম খালেদা জিয়াকে জেলখানায় পাঠান, তার আরেকজন মন্ত্রী রাঙ্গা তারিখই দিয়ে দিলেন। তাহলে বিচারিক আদালতের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান যে বিচারকের চেয়ারে বসে আছেন তার কাজটা কি? তাহলে কি তিনি শেখ হাসিনার বার্তা জনগণের কাছে সংবাদপাঠক হিসাবে পাঠ করবেন। আমরা কি এটাকে রায় মনে করব? মোটেও না। কারণ এটা রায় হতে পারে না। কারণ রায় লেখার আগেই যখন রায় ঘোষণা হয় সরকারের প থেকে তাহলে আমরা বুঝে নেব এই সরকার কোর্টকে ব্যবহার করছে বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নির্যাতনের জন্য অস্ত্র হিসাবে। সুতরাং হয়ত আমাদের আবার গাইতে হবে সেই ঊনসত্তরের গগনবাণী ‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা।’ : গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসকাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জিয়া সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিষয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে অগ্রিম রায়ের বিষয়ে বলায় কঠোর সমালোচনা করেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, সারাদেশের মানুষ উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় আছে। উৎকন্ঠা-উদ্বিগ্ন আসত না যদি না শেখ হাসিনা পার্লামেন্টে রায় ঘোষণা না করতেন। এছাড়া এরশাদও রায় ঘোষণা করেছেন এবং তারা মিষ্টির দোকানে ইতিমধ্যে অগ্রিমও অর্ডারও দিয়েছেন। : তাই তারা (আ’লীগ) বিএনপির নেতাকর্মীদের রাজপথে বিষয়টি মোকাবিলা করবেন বলে অগ্রিম কথা বলছেন। তিনি বলেন, কিসের মোকাবিলা? কিসের মোকাবিলা করবেন আপনারা? প্রশ্ন করে আপনাদের কী বিএনপি নেতাকর্মীদের আক্রমণ করছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা কি আপনাদের আক্রমণ করতে গেছে। যখন আক্রমণ করতে যাবে তখন হয়ত প্রতিরোধের প্রশ্ন আসতে পারে। : বিএনপির এই নীতি-নির্ধারক সরকারের উদ্দেশে আরও বলেন, আপনারা বেগম জিয়াকে জেল দিবেন, নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন, একটু ভাবেন। বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন করার সামর্থ্য আপনাদের আছে কি না? ২০১৪ সালে তো নির্বাচন করতে পারেন নাই, এটাকে নির্বাচন বলে না। কারণ আপনারা নির্বাচনে বিশ্বাস করেন না। দেশে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, জনগণের যদি ভোট দেয়ার সুযোগ থাকে, সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করবে না। তিনি আরও বলেন, দিন কিন্তু বেশি নেই। জনগণ যে ধাক্কা দিবে, আপনারা জনগণের যে রোষানলে পড়বেন, আমাদের বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর তখন আপনাদের পাশে থাকতে হবে। তা না হলে এদেশে আপনাদের বেঁচে থাকার সুযোগ থাকবে না। : বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ ভোট দখল করেছে, ব্যাংকগুলো দেউলিয়া করেছে, শেয়ারবাজারকে ধ্বংস করেছে। দেশটাকে গুম, খুনের রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তারাই আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে। কিভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসব কথা বলে সেটা আমার বোধগম্য নয়। : আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হাসানুল ইসলাম রাজার সভাপতিত্বে এবং এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈশার সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার, জিনাফের সভাপতি মিয়া মো. আনোয়ার, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে বিরোধী দলকে সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
36828 জন