৩২ ধারা নিয়ে অহেতুক ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে : আইনমন্ত্রী
Published : Wednesday, 31 January, 2018 at 12:00 AM, Update: 30.01.2018 10:24:25 PM
দিনকাল রিপোর্ট : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৩২ ধারা নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এটা অহেতুক ভীতি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। গত সোমবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের (আইসিটি) বিতর্কিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বিলুপ্তির বিধান রেখে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। : তবে নতুন আইনের ৩২ ধারা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে কোনো সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো গোপনীয় বা অতি পোপনীয় তথ্য-উপাত্ত কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস বা কম্পিউটার নেটওয়ারর্কে ধারণ প্রেরণ সংরণ করেন বা করতে সহায়তা করেন তাহলে সেটা হবে গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ। সেটার শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ১৪ বছর জেল বা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানা।’ অনেকে মনে করছেন সাংবাদিকতার েেত্র বাধা হবে এ ধারাটি। : এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘গুপ্তচরবৃত্তি একটি অপরাধ, গুপ্তচরবৃত্তি তো আগেও আইনে অপরাধ ছিল। এ আইনের মধ্যে যেটা করেছি সেটা হচ্ছে, ওই যে কম্পিউটার সিস্টেম, ইনফরমেশন টেকনোলজির যে সিস্টেম ওই সিস্টেমের মাধ্যমে যদি কেউ গুপ্তচরবৃত্তি করে সেটা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। সেটার সঙ্গে সাংবাদিকতার কোনো সম্পর্ক আছে বলে তো আমার মনে হয় না। আমার মনে হয় এটা অহেতুক ভীতি। আর সমালোচনার েেত্র সমালোচনা করা।’ আনিসুল হক বলেন, ‘আমি আরেকবার অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের নেত্রী। জনগণ মানে সাংবাদিকতা। তিনি অহেতুক ও অযথা কেউ হয়রানি হোক সেটা তিনি চান না। তাই কোনো আইনের মধ্যে এমন ব্যবস্থা থাক সেটা তিনি চান না। সেই কারণেই স্পষ্ট করে এই ধারাগুলো দেয়া হয়েছে। যাতে অস্পষ্টতা দূর হয়।’ : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে বিরোধী দলকে সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
36831 জন