ডিজিটাল আইন মধ্যযুগীয়
Published : Wednesday, 31 January, 2018 at 12:00 AM, Update: 30.01.2018 10:23:56 PM
দিনকাল রিপোর্ট : নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদে পাস করা থেকে বিরত থাকার জোর দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারা বিলুপ্ত করা হলেও প্রস্তাবিত আইনের ৩২ ধারা হয়রানিমূলক। তাদের মতে, এ ধারার আওতায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে নতুন করে নিপীড়ন ও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ আইনে বাকস্বাধীনতাকে অপরাধে পরিণত করা হয়েছে। এসময় তিনি আরো বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে টেলিফোন জাস্টিস জনগণ মেনে নেবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কিংবা সচিবালয় থেকে ফোন করে কোনো রায় পাঠানো হলে জনগণ বরদাস্ত করবে না। জাতীয়তাবাদী শক্তিও মেনে নেবে না। : গতকাল মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেছেন, ৫৭ ধারাকে ভেঙে চারটি ধারা করা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন ধরনের বাকস্বাধীনতাকে অপরাধে পরিণত করা হয়েছে। এ সম্পর্কে কোনো বিরূপ মন্তব্য করা যাবে না, প্রশ্ন করা যাবে না, সমালোচনা করলে সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদন্ড হবে। এসব আইন শুনে খুব দুঃখ লাগে। আমেরিকার সংবিধানে ১৭৯১ সালে তারা বলেছিল, সংসদ বাকস্বাধীনতা খর্ব করে কোনো আইন পাস করতে পারবে না। ওটা হলো গণতন্ত্র। এটা পনের শ, ষোল শ এবং সতের শ সালে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানিতে বড় বড় রাজা করতেন। তারা তখন আইন করতেন রাজার ব্যাপারে, তাদের পুত্র, কন্যা, তাদের ড্রেস ও মুকুটের ব্যাপারেÑ কোনো বিরূপ মন্তব্য করলে শূলে চড়ানো হবে। হাজার হাজার লোককে মধ্যযুগে শূলে চড়ানো হয়েছে। মধ্যযুগ আর গণতন্ত্রের পার্থক্য হলোÑ গণতন্ত্রে সবাই কথা বলতে পারবে। আমরা সোয়া দুই শ বছর আগের আমেরিকাকে অতটা গণতান্ত্রিক না বলি, কিন্তু এখন এতকিছুতে কথা বলা যাবে না। আমি তো বলব, এটা মধ্যযুগে ফিরে যাওয়ার আইন। ডিজিটাল আইন নাগরিক অধিকারের ওপর প্রভাব ফেলবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনে যেটা বলা হচ্ছে, ওই ব্যাপারে কথা বললে, সমালোচনা করলে ১৪ বছর পর্যন্ত জেল হবে। আমি বুঝি গণতন্ত্র মানে হলো কথা বলার স্বাধীনতা। যেই আইন কথা বলার স্বাধীনতাকে কেড়ে নেয়, সেটা গণতান্ত্রিক আইন নয়। সেটা মধ্যযুগে ফিরে যাওয়ার আইন। : ৫৭ ধারায় দায়ের হওয়া মামলাগুলো চলবে : ৫৭ ধারা বাতিল হলেও এই ধারায় দায়ের হওয়া মামলাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক। গত সোমবার বিকাল ৩টায় পুলিশ সদর দফতরে মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আইজিপি বলেন, নতুন যে আইন হচ্ছে সেটা না দেখে কোনো মন্তব্য করা যাবে না। বইটি সম্পর্কে আইজিপি বলেন, পুলিশ সদস্যরা যাতে সে সময়ের পুলিশ বাহিনীর অবদান সম্পর্কে জানতে পারে, সে : জন্যই এ প্রচেষ্টা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে পুলিশ প্রথম যে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তার পেছনের মনোবল ছিল বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত সোমবার মন্ত্রিসভায় জেল-জরিমানার বিধান রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’র খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। আইনটি সংসদে পাস হলে আইসিটি অ্যাক্টের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হবে। : সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, বহুল আলোচিত নিপীড়নমূলক আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭সহ ৫টি ধারা বিলুপ্ত করে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’র খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। যা আরও একটি কালো আইন হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এ আইনটি পাস হলে মানুষের বাকস্বাধীনতা বলে কিছুই থাকবে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বলেও কিছু থাকবে না। সরকারের দুর্নীতি যাতে প্রকাশ না পায় বা কেউ প্রকাশ করতে না পারে সে জন্যই এ আইনটি করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া আইনের খসড়ায় কম্পিউটার বা ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ সংক্রান্ত ৩২ ধারায় সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন। খসড়ায় জাতির পিতা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা, প্রচারণা এসবে মদদ দেয়ার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা এক কোটি টাকা অথদ  বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। তাহলে তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোনো গবেষণা বা কথাও বলা যাবে না। আওয়ামী লীগ বা সরকারের লোকজন যা বলবে তাই হবে ইতিহাস। সত্যিকার ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করে বা এ বিষয়ে কেউ মতামত দিলে তিনি অপরাধী হয়ে যাবেন। মূলত মানুষের সকল স্বাধীনতাকে হরণ করতেই এ আইনটি করা হয়েছে। : তিনি বলেন, অনুমোদন পাওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ‘কম্পিউটার বা ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ’ সংক্রান্ত ৩২ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো ধরনের গোপনীয় বা অতি গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করেন বা সংরক্ষণে সহায়তা করেন তাহলে কম্পিউটার বা ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শাস্তি অনধিক ১৪ বছর কারাদন্ড বা অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। আর এই অপরাধ যদি একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার করেন বা বারবার করেন তাহলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।’ : আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারা বিলুপ্ত করা হলেও প্রস্তাবিত আইনের ৩২ ধারা হয়রানিমূলক বলে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, তাদের মতে, এ ধারার আওতায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে নতুন করে নিপীড়ন ও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ আইনে বাকস্বাধীনতাকে অপরাধে পরিণত করা হয়েছে। গণতন্ত্রকামীরাই ক্রিমিনাল হিসেবে অভিহিত হবে। ফিরে যাওয়া হবে মধ্যযুগের অন্ধকারে। এ সম্পর্কে কোনো বিরূপ মন্তব্য করা যাবে না, প্রশ্ন করা যাবে না, সমালোচনা করলে সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদন্ড হবে।  আমেরিকার সংবিধানে ১৭৯১ সালে তারা বলেছিল, সংসদ বাকস্বাধীনতা খর্ব করে কোনো আইন পাস করতে পারবে না। ওটা হল গণতন্ত্র। এটা পনের শ, ষোল শ এবং সতের শ সালে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানিতে বড় বড় রাজা করতেন। তারা তখন আইন করতেন রাজার ব্যাপারে, তাদের পুত্র, কন্যা, তাদের ড্রেস ও মুকুটের ব্যাপারে- কোনো বিরূপ মন্তব্য করলে শূলে চড়ানো হবে। হাজার হাজার লোককে মধ্যযুগে শূলে চড়ানো হয়েছে। মধ্যযুগ আর গণতন্ত্রের পার্থক্য হলো- গণতন্ত্রে সবাই কথা বলতে পারবে।  আমি নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদে পাস করা থেকে বিরত থাকার জোর দাবি জানচ্ছি। এ মধ্যযুগীয় অমানবিক মানবতা বিরোধী আইন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের উদ্যোগের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। : সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি আইন সংস্কারের কাজ নাকি প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে। সশস্ত্র বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় না রাখা, বিতর্কিত ইভিএম, ডিভিএম ছাড়া আরও কিছু বিতর্কিত বিষয় আরপিও-তে রাখা হচ্ছে। বন্ধুরা, নির্বাচন কমিশনের সাথে অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের করা সুপারিশ আমলে না নিয়ে কমিশন আওয়ামী সরকারের প্রদর্শিত পথে হেঁটে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদসহ সব পর্যায়ের নির্বাচনে সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বজায় রাখার ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা থাকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে না রাখার ফলে নির্বাচনি মাঠ সমতল হবে না, ভোটাররা নিরাপদে নির্ভয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে না। সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন যে আইন করতে উদ্যোগী হয়েছে তা নিঃসন্দেহে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের অন্তরায় হবে। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিপন্থী এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ থেকে সরে আসার জোরালো আহবান জানাচ্ছি।   : তিনি আরো বলেন, গত পরশু অনুষ্ঠিত কর্মিসভায় পুলিশ বিনা উসকানিতে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও আহত করলেও উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে গতকাল গাজীপুরে উল্টো বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সায়েদুল আলম বাবুল, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. মাজহারুল আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি মীর হালিমুজ্জামান ননি, সাধারণ সম্পাদক হান্নান মিয়া হান্নু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সালাহউদ্দিন সরকার, বিএনপি নেতা সুরুজ আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন সবুজ, জয়নাল আবেদীন তালুকদার, শ্রীপুর থানা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান ফকির, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইজাদুর রহমান মিলন, বিএনপি নেতা নাহিন আহমেদ মমতাজী, মো. ইসমাইল হোসেনসহ গাজীপুরের বিভিন্ন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১৪৭ জন নেতাকর্মীকে আসামি  করা হয়েছে। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারের এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে গাজীপুর নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হীন ফায়দা হাসিলের মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া সিলেট জেলাধীন জকিগঞ্জ উপজেলা জাসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদকে গত ২৮ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে গুম করা হয়েছে। এ পর্যন্ত কোথাও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে তার পরিবার-পরিজন গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন। আমি দলের পক্ষ থেকে অবিলম্বে তাকে খুঁজে বের করে জনসমক্ষে হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি। : বিএনপির এই নেতা বলেন, ফেনী জেলায় আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সিসিটিভি নিয়ন্ত্রণাধীন স্থানে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহতের ঘটনায় উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর অপকৌশলের অংশ হিসেবে ফেনী পৌর বিএনপির সভাপতি আলাল উদ্দিন আলাল, ফেনী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইয়াকুব নবী, আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত, সহ-সভাপতি ভিপি বেলাল, জেলা কৃষক দলের সভাপতি আলমগীর চৌধুরী, ফেনী পৌর যুবদলের সমন্বয়ক এ কে এম জাহিদ হাসান বাবলুসহ স্থানীয় বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা যথাক্রমে শাহজাহান সিরাজী, রিয়াদ পাটোয়ারী, নুরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন দেলু, সৈকত জাহান, শরীফুল ইসলাম রাসেল, ইব্রাহিম পাটোয়ারী, জাহিদ আহমেদ ইমন, রানা, রায়হান, বিজয়, মো. শুভ, নাদিম ও রনির বিরুদ্ধে বানোয়াট ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের মামলা দায়েরের ন্যক্কারজনক ঘটনায় আমি দলের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি করছি। : সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আব্দুস সালাম, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক তাইপুল ইসলাম টিপু, মো. মুনির হোসেন প্রমুখ। : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে বিরোধী দলকে সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
36825 জন