দেলদুয়ারে ৪০ প্রাথমিক স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য
Published : Thursday, 1 February, 2018 at 12:00 AM
দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ৪০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্তরা পালন করছেন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব। ফলে ভারপ্রাপ্তদের ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাসহ প্রশাসনিক কার্যক্রম। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ৯৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৪০টি  বিদ্যালয়েই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য দীর্ঘদিন ধরে। সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত করে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় তাদের উপজেলা শিক্ষা অফিসে দৌড় ঝাঁপেই সময় পার হচ্ছে। বিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে পারছেন না তারা। ফলে পাঠ দান ব্যাহত হচ্ছে।  সেই সঙ্গে শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষা অধিকার থেকে। এমনিতেই উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছেই। তার ওপর সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় যথোপযুক্ত শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘœ ঘটছে। নীতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিক্ষায়। ভারপ্রাপ্তদের দিয়ে চলছে এমন ৪০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় হচ্ছে-কুইচতারা, আবাদপুর, মুশুরিয়া. গজিয়াবাড়ী, মৌশাকাঁঠালিয়া, ব্রাহ্মণখোলা, কাতুলী, শৈলকুড়িয়া, শশীনাড়া, বিশ্বাস  বাথুলী, আরমৈষ্টা, বর্ণী উত্তর, কোপাখী, ধানকী মহেড়া, গাদতলা, ভবানীপুর আব্দুল গণি, আফাজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, লালহারা, গোমজানী, ফাজিলহাটী, দাড়িয়াপুর, কায়েম উদ্দিন,  ডুবাইল জাগরণী, আলসা কান্দাপাড়া, তাঁতশ্রী, মৈষ্টা সালেহাভানু, মুন্সিনগর টি.এস, নিজপাড়া, বারপাখিয়া রথীন্দ্রপাড়া, বিষ্ণপুর, বেতবাড়ী, ডুবাইল, বেংরাইল,  সিংহরাগী মুন্সিপাড়া, বেংগুলিয়া, বারকুড়িয়া, দেলোয়াকান্দি, কসবা আটিয়া, পাঁচুরিয়া, নলুয়া ও অলোয়াতারিণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে উপজেলা শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। : এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিক্ষকের পদ প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প থাকায় এমনিতেই শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। ৪০ টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্তদের দিয়ে চালানো হচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে ওই সব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরন চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস বলেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বাধীন মত ও তথ্যপ্রকাশের ক্ষেত্রে বড় হুমকি। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
37376 জন