জয়পুরহাটে কোচিং বাণিজ্য
Published : Friday, 2 February, 2018 at 12:00 AM
জয়পুরহাট প্রতিনিধি : ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোচিং বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ২৬ জানুয়ারি থেকে। তবে সরকারি এ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে জয়পুরহাট জেলায় বিভিন্ন স্কুল ও একাডেমীর সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে অথবা কোচিং সেন্টারের সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলে অভিনব কায়দায় সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অবৈধভাবে চালাচ্ছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। সরেজমিন দেখা গেছেÑ শহরের বদরমাস্টার রোড, মাদ্রাসা রোড, সরকারি মহিলা কলেজ রোড, সরকারি কলেজ রোড, বঙ্গবন্ধু রোড, শান্তিনগর, সাগরপাড়া, মাস্টারপাড়া, স্টেডিয়াম রোড, সাহেবপাড়া, প্রফেসরপাড়া, চিত্রারোড, ধানমন্ডি, বিশ্বাসপাড়াসহ জেলার বিভিন্নস্থানের প্রায় ৩ শতাধিক কোচিং সেন্টারে চলছে এসব অবৈধ কোচিং। জেলা সদরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক অভিভাবক বলেন, জেলা স্কুলের গার্লস ও বয়েজ স্কুলের শিক্ষকদের নিকট কোচিং বা প্রাইভেট না পড়লে তারা শিক্ষাথীদের পরীক্ষায় মার্ক কমসহ অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে। কোচিং বন্ধের সরকারের এই নির্দেশনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে হলে কোচিং সেন্টার বন্ধের বিকল্প নেই। সাংবাদিকরা শহরের বিভিন্ন নামধারী কোচিং সেন্টার, ক্যাডেট কোচিং, কিন্ডারগার্টেন ও প্রি-ক্যাডেট স্কুলে গেলে প্রতিষ্ঠানের মালিকরা বলছেনÑ “আমরা এখন কোচিং করাচ্ছি না, এখন প্রাইভেট পড়াচ্ছি ও স্কুলের পাঠদান করাচ্ছি।” যদিও স্কুলে পাঠদান করার জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন অনুমোদন নেই। কোমলমতি ছোট ছাত্রছাত্রীসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের শিখিয়ে দিচ্ছেনÑ তারা কোচিং করছে না প্রাইভেট পড়ছে। আবার জেলা শহরের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ঘর ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টারের সাইনবোর্ড নামিয়ে কোচিং বাণিজ্য অবাধে চালাচ্ছেন এবং তারা বলছেনÑ প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। এ ব্যাপারে জয়পুরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিম খলিল-উল্লাহ এসব অভিযোগ বিষয়ে স্বীকার করে বলেন, জয়পুরহাট কিছু কোচিং সেন্টার ও কিন্ডারগার্টেন, প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে ও কিছু সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা শহরে বাসা ভাড়া ও ঘর নিয়ে সরকারি নীতিমালা বহির্ভূতভাবে প্রাইভেটের নামে চালাচ্ছে কোচিং। এ বিষয়ে আমাদের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত আছে এবং সরকারি নীতিমালা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মোকাম্মেল হক বলেন, কোচিং-প্রাইভেট সবই অবৈধ। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দমনমূলক শাসনের জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
34470 জন