জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দুদকের এখতিয়ার বহির্ভূত : আইনজীবী
Published : Friday, 2 February, 2018 at 12:00 AM, Update: 01.02.2018 9:46:23 PM
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দুদকের এখতিয়ার বহির্ভূত : আইনজীবীরফিক মৃধা, দিনকাল : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দুদকের এখতিয়ার বহির্ভূত বলে মন্তব্য করেছেন এ মামলার আসামি পরে আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় অন্য আসামিদের যুক্তিতর্কে উপস্থিত হন। রাজধানীর বকশিবাজারে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ মামলার পরবর্তী দিন ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তৃতীয় দিন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টকে ব্যক্তিগত ট্রাস্ট উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ট্রাস্টের অনুসন্ধান, তদন্ত চার্জশিট ও বিচার চাওয়ার কোনো এখতিয়ার দুদকের নেই। তিনি বলেন, আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই চ্যারিটেবল ট্রাস্ট নিয়ে যে বিচার হচ্ছে এটি এখতিয়ারবিহীন বিচার। যেহেতু এ মামলায় দুদক আইনের কোনো বিষয়বস্তু নেই সে কারণে আসামিরা অব্যাহতি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এ আইনজীবী। আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটি সঠিক নয়। মতার প্রয়োগের মাধ্যমে এ ট্রাস্ট গঠন করা হয়নি। কোনো সাী এসে বলেনি যে, তাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে কোনো টাকা আদায় করা হয়েছে। : আইনজীবী বলেন, ‘আদালতের প্রবেশপথে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আবার অনেককে প্রবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদেরও প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। এ কারণে আদালতের ভেতরে প্রবেশ কমে গেছে।’ : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিকে গত ২৫ জানুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। ওই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত। : গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট রেজ্জাক আলী খান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট সানাউলাহ মিয়া, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান, অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান তপন প্রমুখ। : অপরদিকে আদালতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন। : পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে প্রতিদিনের মতো অভ্যর্থনা জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাজিরা উপলক্ষে আদালতে যাওয়া ও আসার পথে মৎস্য ভবন, হাইকোর্ট, দোয়েল চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, চানখাঁরপুল, গুলিস্থান, পল্টন, কাকরাইল, শান্তিনগর ও আদালত প্রাঙ্গণের আশেপাশের সড়কে বেগম খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িকে ঘিরে ব্যাপক শোডাউন তৈরি করে ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই এসব স্থানে নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময়ে বিএনপির ৫ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। গতকাল সোয়া তিনটার দিকে পুরান ঢাকার বকশিবাজার আলীয়া মাদরাসার মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালত থেকে বের হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আদালত থেকে বের হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মোড়ে আসলে অপেমাণ দলটির নেতাকর্মীরা তার গাড়িবহরে যুক্ত হন। গাড়িবহর হাইকোর্ট মাজারের সামনে এলে ভেতরে অপেমাণ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী গাড়িবহরে যোগ দেন। এ সময় বিভিন্ন শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। “খালেদা জিয়া ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই”, “খালেদা জিয়া এগিয়ে চল, আমরা আছি তোমার সাথে”, “জেল জুলুম হুলিয়া, নিতে হবে তুলিয়া” এ ধরনের অসংখ্য শ্লোগান নেতাকর্মীদের কণ্ঠে শোনা যায়। গাড়ি বহরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, রফিক শিকদার, আ ক ম মোজ্জামেল হক, সোহবার হোসেন, আমিনুল ইসলাম, শেখ মো. শামীম, ঢাকা মহানগর বিএনপি উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, সহ-সভাপতি রবিউল আউয়াল, ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম রবি, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ- সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র সহ- সভাপতি মোস্তফা কামাল রিয়াদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন জুয়েল, যুবদল দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হোসেন রিয়াজ, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, নাজমুল হাসান, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, ইকতিয়ার কবির, মামুন বিল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহাগ, ওমর ফারুক মুন্না, নুরুল হুদা বাবু, আনিসুর রহমান রানা, সহ-সাধারণ সম্পাদিকা আরিফা সুলতানা রুমা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক তানভীর আহমেদ খান ইকরাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দও শোডাউনে অংশ নেন। : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দমনমূলক শাসনের জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
23 জন