সালথায় সোনালী ব্যাংকের ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ মানুষ
Published : Saturday, 3 February, 2018 at 12:00 AM
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি, দিনকাল : নিরবচ্ছিন্ন সেবাদানের অন্যতম মাধ্যম হলো ‘ব্যাংক’-যেখানে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষের টাকা লেনদেনের জন্য হর.হামেশাই যেতে হয়। সেই সেবা গ্রহণের ক্ষেত্র সালথা সোনালী ব্যাংক শাখা মানুষের সোনালী স্বপ্ন ভঙ্গেরও অন্যতম প্রতিষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রমজীবী মানুষের শ্রমের বিনিময়ে অর্জিত অর্থ উত্তোলনে ঘুষের প্রবণতা, যথেচ্ছা বাধা-সাধারণ মানুষের লালিত স্বপ্নও আজ প্রশ্নবিদ্ধ। ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাত্র দুটি ব্যাংক-একটি সোনালী অপরটি কৃষি ব্যাংক, উপজেলার গণমানুষের নিরবচ্ছিন্ন সেবাদানের মাধ্যম হলো সোনালী ব্যাংকের সেবাদান, বিতরণ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন যাবৎ অনেক অভিযোগের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। বেশ কিছুদিন আগে এ ব্যাংকের একজন ডেবিট অফিসারের ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হবার প্রেক্ষিতে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো। সেদিনের মারমুখী সে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমত ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেনকে করজোড়ে মাপ চাইতে হয়েছিলো-তার পরও থেমে নেই ডেবিট অফিসার মশিউর রহমানের ঘুষ বাণিজ্য। তিনি বেপরোয়াভাবে অজুহাত দেখিয়ে ক্লায়েন্টের সাথে টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করে টুপাইস হাতিয়ে নেবার প্রথা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগের অন্ত নেই। অতি সম্প্রতি উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হলে বিল উত্তোলনের ক্ষেত্রে কমিশনের অর্থ হাতে না-পাওয়া পর্যন্ত চেক ছাড় দেন না বলে বিশ^স্ত সূত্রে জানা যায়। মধ্যস্থতার কাজে তিনি এখানে ম্যানেজারের পক্ষে অন্যতম মাধ্যমের দায়িত্ব পালন করছেন। সূত্র আরো বলছে, কর্মসূচির কাজে নিয়োজিত জব-কার্ড হোল্ডারদের হাতে টাকা না দিয়ে ধার্যকৃত নির্ধারিত কমিশনের অর্থ হাতে পেয়ে প্রকল্প পিআইসি এবং ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে যোগসাজশ করে সমুদয় অর্থ তাদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পিআইসিরা যার কারণে তালিকা মাফিক টাকা উত্তোলন করে প্রায় অর্ধেক নিজেদের পকেটে আর বাকি অর্ধেক লেবারদের মধ্যে বাটোয়ারা করে দেবার সুযোগ পাচ্ছে। উল্লেখ ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজের প্রথম পর্যায়ে এবার উপজেলায় প্রতিদিন ১৭৫০ জন লেবার কাজ করার জন্য বরাদ্দ রয়েছে। : অভিযোগের বিষয় সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন অবগত থাকা এবং কমিশন মানি পাওয়া সত্ত্বেও এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব। এদিকে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এতোসব অনিয়মের প্রতিকার দাবি করেছেন। বিশেষ করে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা উত্তোলনকারী বেশ ক’জন, টাকা উত্তোলন করতে হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করে এর প্রতিকার দাবি করেছেন। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন,  সরকার মিডিয়ার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আপনি তা বিশ্বাস করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
8292 জন