সারাদেশে গ্রেফতার চলছেই : সভার আশপাশ থেকেও অনেকে আটক
Published : Sunday, 4 February, 2018 at 12:00 AM, Update: 03.02.2018 11:08:57 PM
সারাদেশে গ্রেফতার চলছেই : সভার আশপাশ থেকেও অনেকে আটকদিনকাল রিপোর্ট : রাজধানীসহ সারাদেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের গণগ্রেফতার অব্যাহত রয়েছে। গতকালও দেশের বিভিন্নস্থান থেকে শতাধিক নেতা-কর্মীকে আটকের খবর পাওয়া গেছে। গতকাল পাঁচ তারকা হোটেল লা মেরিডিয়ানে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভা চলাকালে হোটেলের আশপাশের এলাকা থেকে ৩০ জনের অধিক নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভাস্থলের কাছ থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হোটেলের সামনে থেকে পাঁচজনকে তুলে নিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শী একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন। এরপর দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে হোটেলের পাশের গলি থেকে আরো আটজনকে আটক করা হয়। তার কিছুটা পরে আরো অন্তত ৮-১০ জনকে আটক করে বড় মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। : বিএনপিকর্মীদের আটকের ব্যাপারে খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না। গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি। তবে ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক ডিবি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তারা কেউ এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি। : এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টুসহ ৬জন নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে নাজিম উদ্দিন আলমের বাস ভবন থেকে আমানসহ তাকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে। তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও নয়া পল্টন থেকে রাজশাহী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টুসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। : শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাজধানীর মহাখালীর ডিওএইচএস’র ৩১ নম্বর রোডে নাজিম উদ্দিন আলমের বাসভবন ঘিরে রাখে পুলিশ। নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে গিয়েছিলেন আমান উল্লাহ আমান। আমানের বিরুদ্ধে ২৩৭ টি ও নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় জামিনে রয়েছেন তারা। এর আগে বিএনপির কেন্দ্রিয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।  : এছাড়া শুক্রবার বিকেলে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি শাহিনুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সজিব হোসেন, হরিরামপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহাবুব হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রফি অপু। : এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালসহ ৩২ জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন-বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রাক্তন সভাপতি হাসান মামুন, সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ছেলে শান্তনু ইসলাম সুমিত, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামের পিএস ফারুকুল ইসলাম সেলিম, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদল নেতা হাফিজ আল মাহমুদ প্রমুখ : নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, “বিরোধী দলের অনুষ্ঠান বানচাল করার চিরাচরিত আওয়ামী লীগের যে অভ্যাস সেই অভ্যাসের পুনরাবৃত্তি করছে সরকার। কার্যত ভয়ভীতি সৃষ্টি করে এই সভা যাতে সফল না হতে পারে সেজন্য দানবীয় মনোবৃত্তি নিয়ে তারা (সরকার) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়েছে।” :   :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার করা হচ্ছে না। আপনি তার সঙ্গে একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
33989 জন