সরকার রায় নির্ধারণ করে বিএনপির ওপর বুলডোজার চালাচ্ছে : রিজভী
Published : Wednesday, 7 February, 2018 at 12:00 AM, Update: 06.02.2018 11:09:09 PM
সরকার রায় নির্ধারণ করে বিএনপির ওপর বুলডোজার চালাচ্ছে : রিজভীদিনকাল রিপোর্ট : আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে কঙ্কালে পরিণত করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গণতন্ত্রশূন্য দেশে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনকে আটকিয়ে রাখতেই পুলিশকে মতাবান করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার বেগম  খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় লিখে দিয়েছে সরকার, যার প্রস্তুতি নিতেই সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় এক হাজার ২০০-এর কাছাকাছি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  গতকাল মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হযরত শাহজালাল (র.)-এঁর মাজার জিয়ারতের জন্য সিলেটে যান। এটি ছিল তাঁর সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিগত সফর, মাজার জিয়ারতÑ যা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম জিয়া দেশের যে জেলাতেই যান না কেন, পথিমধ্যে হাজার মানুষ তাঁকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাঁর সিলেট যাওয়ার পথে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষমাণ বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারদলীয় অঙ্গসংগঠনের যৌথ আক্রমণে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সূচনা হয়। সরকারি বাহিনীগুলোর আক্রমণে বিএনপি নেতাকর্মীদের ক্ষতবিক্ষত করা হয়, মৃত্যু ভয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে কেউ পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে তাকে টেনে-হেঁচড়ে আটক করে পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়। হবিগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য নেতাকর্মীরা একটি ছোট  মঞ্চের ওপর দাঁড়িয়ে থাকলে পুলিশ অতর্কিতে হামলা চালিয়ে মঞ্চ ভেঙে দিয়ে নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারপিট করা হয়। সরকারি বাহিনীর আক্রমণে নেতাকর্মীদের মাথা ফাটানো, অবিরাম ঘুষি-লাথি মেরে থেঁতলিয়ে জখম করা, অরুচিকর কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করা, শার্টের কলার ধরে টেনে-হেঁচড়ে গাড়িতে তোলাসহ বীভৎস আক্রমণের দৃশ্য শুধু স্থানীয় মানুষই নয়, গোটা জাতি তা অবলোকন করেছে আপনাদের গণমাধ্যমে। বাংলাদেশকে এখন একটি আদর্শ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করতে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী সক্ষম হয়েছে। এখানে ক্ষমতাসীন নেতা-মন্ত্রী ও সরকারি বাহিনীগুলোর কোনো রীতি নেই, কোনো নীতি নেই, আইন নেই, কানুন নেই, বিনয় নেই, ভদ্রতা নেই, শ্লীলতা ও শালীনতা নেই। শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে খুশি রাখতে সবকিছুতেই তাদের বাড়াবাড়ি ও অতি উৎসাহ। : বিএনপির এই নেতা বলেন, এই হচ্ছে আওয়ামী লীগের গণতন্ত্রের নমুনা। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে কঙ্কালে পরিণত করেছে। গণতন্ত্রশূন্য দেশে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনকে আটকিয়ে রাখতেই পুলিশকে ক্ষমতাবান করা হয়েছে। আর পুলিশ অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সরকারের নিষ্ঠুর শাসনের সঙ্গী হিসেবে অমানবিক নিপীড়ন যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন নৃশংসতা নয়, ৮ ফেব্রুয়ারিতে সরকারপ্রধানের ইচ্ছা পূরণ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেপরোয়া উন্মত্তায় বিএনপির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। কিন্তু সরকার মনে হয় রায় নির্ধারণ করে রেখেছে বলেই প্রতিক্রিয়ার অজানা আতঙ্কে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর বুলডোজার চালাচ্ছে। : সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, গত সোমবার বিএনপি চেয়ারপারসনকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষমাণ জনগণ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহিংস আক্রমণের পরেও যে দৃঢ় মনোবল প্রদর্শন করেছে জনগণ ও নেতাকর্মীরা তা নজিরবিহীন। জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক জনগণের প্রিয় নেত্রীকে নিয়ে সরকারের দেয়া সাজানো ও ভুয়া মামলার নামে ছিনিমিনি খেলাতে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে। এই কারণে জনগণ ও নেতাকর্মীরা তীব্র আবেগে সরকারের পেটোয়া বাহিনীদের নৃশংস আক্রমণ সহ্য করেও প্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল। এই দৃঢ়তা, এই প্রত্যয়, এই অটুট মনোবল, এই দুর্যোগ-দুর্বিপাককে উপেক্ষা, এই নিষ্ঠুর নির্যাতনকে আলিঙ্গন করার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়Ñ জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিঃশেষ করা যাবে না, জনগণের ভালবাসার নেত্রী, গণতন্ত্র আদায়ের আপসহীন কান্ডারী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ধ্বংস করা যাবে না। গতকাল যারা শত বাধাবিপত্তি ও পুলিশি হামলা সত্ত্বেও জনগণসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা দেশনেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে যে সাহসিকতা ও দৃঢ় মনোবল দেখিয়েছেন তা সবার জন্য এক অনন্য প্রেরণার উৎস। সুতরাং এটা নিশ্চিত, বর্তমান স্বৈরাচারী দুঃশাসনের বন্ধন কেটে গণতন্ত্রের পথে দেশ পা বাড়াবেই। আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলÑ বিএনপির পক্ষ থেকে গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসনকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষমাণ জনগণ ও নেতাকর্মীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ধন্যবাদ জানাচ্ছি। : গ্রেফতারের চিত্র তুলে ধরে রিজভী বলেন,  বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দণি বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল সিলেট থেকে ফেরার পর তিনি কোথায় আছেন আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পারিনি। : ঢাকা : শাহবাগ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ইকবাল হাসান গ্রেফতার। মৌলভীবাজার : রাজনগর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সুন্দর বকস, প্রচার সম্পাদক জগলুসহ অন্তত ১৪ জন গ্রেফতার। বগুড়া : সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মাহবুবুল আলম শাহীন, কাহালু উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন আজাদ, জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, যুবদল নেতা বাপ্পী, শাহীন শেখ, ছাত্রনেতা সন্ধান, সোনাতলা উপজেলা জোড়গাছা ইউনিয়ন যুবদল নেতা মিলন, বালুয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বিটুল ও ফজলু গ্রেফতার।  রাঙ্গামাটি : জেলা বিএনপি সভাপতি শাহ আলম, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ চৌধুুরী, প্রচার সম্পাদক আবুল হোসেন বালি, জেলা যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল, সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস, জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের নেতা সাখাওয়াত হোসেন সুজা। চট্টগ্রাম (দ.) : বাঁশখালী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ-আল মবিন গ্রেফতার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা :  কসবা উপজেলাধীন খারেরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবু হানিফ, কসবা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শিমুল, কুঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা হৃদয়, বাদৈর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য সোহাগ, রমজান, শাফিউদ্দিন, সাদ্দামসহ ৩০ জনের অধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ফেনী জেলা :  ছাগলনাইয়া উপজেলাধীন ৫নং মহামায়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক মুন্সি একরামুল হক শাহীন, সদর উপজেলা ছাত্রদল নেতা নুর করিমসহ ৭ জনের অধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার। চট্টগ্রাম মহানগর : ইপিজেড থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শাহজাহানকে বাসায় না পেয়ে তার স্কুলপড়ুয়া ছেলেকে পুলিশ মারধর করতে করতে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ময়মনসিংহ উত্তর : ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মফিজ উদ্দিনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে না পেয়ে তার কলেজপড়ুয়া ছেলে ফরহাদ আল রাজিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। দিনাজপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক আক্তারুজ্জামানসহ ৩ জনের অধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার। নরসিংদী : রায়পুরা উপজেলা বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফয়েজ উদ্দিন, বিএনপি নেতা রাহাত মিয়া, মোশাররফ মিয়া, নেকবুল মিয়া, ওছমান মিয়া, যুবদল নেতা আলমগীরসহ ১৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা : পটিয়া উপজেলায় ৩০ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার। জিসাস গাজীপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক বাবুল চৌধুরী এবং ঢাকা মহানগর সদস্য আলমগীর গ্রেফতার। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। : এদিকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নয়াপল্টনে আরেক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মনোয়ার হোসেন শামীম, পাবনা সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিহানুল ইসলাম বুলাল এবং পাবনা বেড়া পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন গ্রেফতার। ফেনী জেলাধীন ছাগলনাইয়া পৌর যুবদলের সহ-সভাপতি মো. আব্দুর রৌফ, পৌর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক আবিদুল হক এবং শুভপুর ইউনিয়ন যুবদলের নেতা আব্দুল করিম গ্রেফতার। সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরজেদ, জেলা তাঁতী দলের সহ-সভাপতি নাসির এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আজিজ গ্রেফতার। ভোলা জেলার দৌলতখান পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক কমিশনার সিদ্দিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র জাকির হোসেন বাবু গ্রেফতার। চাঁদপুর জেলাধীন ফরিদগঞ্জ পাইকপাড়া উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, ফরিদগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোক্তার মিয়াজী, রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আল ইমন সবুজ, গোবিন্দপুর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আখের খান, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাউছার হোসেন রুবেল, পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মাইনুল ইসলাম বিলাস, বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়ন যুবদলের নেতা রিপন, গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল মমিন, সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক হোসেন নান্নু, পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাকির মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নেত্রকোনা কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, শ্রমিক দলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হালেক, পাইকুরা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, চান মিয়া, আটপাড়া উপজেলা বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ইমরুল হাসান, থানা বিএনপি নেতা বজলুর রহমান গ্রেফতার। তিনি আরো বলেন, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক হিলালীর বাসায় তল্লাশির নামে পুলিশি তান্ডব এবং বাসার লোকজনের সাথে অশালীন আচরণ করেছে পুলিশ। কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতির বাসাতেও একই ধরনের তান্ডব চালিয়েছে পুলিশ। মানিকগঞ্জ জেলাধীন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বিল্টু, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি নেতা মো. বকুল হোসেন, ঘিওর উপজেলা যুবদল নেতা মো. মামুন, হারুনার রশীদ হারু, শহীদুল ইসলাম টিপু, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা রুস্তম উদ্দিন ভূঁইয়া বাবু, মানিকগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, সিংগাইর উপজেলা যুবদল নেতা মো. মামুন এবং সাটুরিয়া উপজেলা ছাত্রদল নেতা সোহাগকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বগুড়া জেলাধীন আদমদীঘি থানা সান্তাহার পৌর বিএনপির সভাপতি ও দুবারের সাবেক মেয়র মো. কামরুল ইসলামকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুলের ছোট ভাই জেলা যুবদল নেতা হাফিজুল ইসলাম রাজু এবং বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবদল নেতা নাসির উদ্দিন গ্রেফতার। নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপি নেতা ও চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে রাসেল, টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল আলী নান্টু মাতব্বর, যুবদল নেতা কামাল হোসেন গ্রেফতার। লৌহজং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতা ওমর ফারুক এবং শাহরিয়ার হোসেন তন্ময়ের বাসায় তল্লাশির নামে তান্ডব চালিয়েছে পুলিশ। জামালপুর জেলাধীন মেলান্দহ উপজেলার ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আবুল হোসেন, সানোয়ার হোসেন এবং মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা ফরিদসহ ৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সুনামগঞ্জ জেলাধীন সদর উপজেলা বিএনপি নেতা আমিরুল ইসলামসহ তিনজন নেতাকর্মী গ্রেফতার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন সদর থানা যুবদলের সদস্যসচিব বুলবুল আহমেদ মুসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ ছাত্র সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন এবং জেলা বিএনপির সহ-সম্পাদক আব্দুর রৌফ গ্রেফতার। পাবনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান তোতা গ্রেফতার। মাদারীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহান্দার আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামিলুর রহমান মিঠু গ্রেফতার। মুন্সীগঞ্জ লৌহজং উপজেলা যুবদল সভাপতি মুক্তার হোসেনের বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে তছনছ করেছে পুলিশ। : বাগেরহাট জেলাধীন চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবু এবং কচুয়া উপজেলাধীন গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপি সেক্রেটারি শিকদার আতিয়ার রহমানসহ সমগ্র জেলায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার। : রিজভী বলেন, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ১২শ’র কাছাকাছি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যায়ভাবে যেসব নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট, ভিত্তিহীন, অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আবারো জোর দাবি জানাচ্ছি। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় যেসব নেতাকর্মী আহত হয়েছেন তাদের সুস্থতা কামনা করছি। : সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, সমস্ত কর্কশে, কঠিনে, সিমেন্টে, কংক্রিটে, ইটে, কাঠে, পীঠে, পাথরে, দেয়ালে দেয়ালে বেজে উঠেছে এক দুর্বার উচ্চারণ, এক প্রত্যয়ের তপ্ত শঙ্খধ্বনিÑ আমার নেত্রী আমার মাকে বন্দি হতে দেব না।   : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার রায় নির্ধারণ করে বিএনপির ওপর বুলডোজার চালাচ্ছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
2650 জন