রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার : মাহবুব
সংবিধান লঙ্ঘন করে অনৈতিক রায় দেয়া হয়েছে : মওদুদ
Published : Friday, 9 February, 2018 at 12:00 AM, Update: 08.02.2018 10:32:42 PM
দিনকাল রিপোর্ট : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট  মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারাদন্ড হলেও ‘আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না পর্যন্ত’ তার নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রবীণ আইনজীবি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। : বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অযোগ্য হচ্ছেন বলে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মওদুদ আহমদ বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) নির্বাচন করতে পারবেন, কী পারবেন না এটি কি আইনমন্ত্রী ঠিক করবেন? যদি প্রয়োজন পড়ে তাহলে রায় আদালতে গড়াবে। তখন সুপ্রিম কোর্টই সিদ্ধান্ত দেবেন তিনি পারবেন, কী পারবেন না। : আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের মতে তিনি পারেন। কারণ এটার বিরুদ্ধে আপিল হবে। সুতরাং সর্বাচ্চ আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এটা বলা যাবে না যে, তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হয়েছেন। আমরা মনে করি যতদিন পর্যন্ত চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। জামিন এবং নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যায়িত করে বিএনপির এই নেতা বলেন, নিম্ন আদালত যেহেতু সরকারের নিয়ন্ত্রণে সেজন্য একটার পর একটা সংবিধানকে লঙ্ঘন করে রায় দেয়া হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে রায় দেয়া হলো তা আইনসম্মনত হয়নি। স্যা-প্রমান ভিত্তিক হয়নি। এটি সম্পূর্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন। : রায়ের কপি হাতে পেলে রবিবার আপিল করা হবে জানিয়ে প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, আমরা আজকে চেষ্টা করছি রায়ের কপি পেতে। যে কোনোভাবে আমাদের আইনজীবীরা অপো করছে। যতণ লাগে, রাত হলেও থাকবে সেখানে। আমরা সেটি পেলে রবিবার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ফাইল করে জামিন চাওয়া হবে। : জিয়া অরফানেজ মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে মওদুদ আহমদ বলেন, তারপরও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাকে রায় দিয়ে সাজা দেয়া হলো। : তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানে আছে বিচার হতে হবে ইনপাবলিক বা উন্মুক্ত। কিন্তু এই বিচার উন্মুক্ত হয়নি। কারণ অনেক আইনজীবীকে ট্রায়ালে যেতে দেয়া হয়নি। সুতরাং কখনো আমরা এটিকে পাবলিক ট্রায়াল বলে স্বীকার করবো না। এটি সংবিধানের একটি লঙ্ঘন। মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করেছে। আজকে তো গণমাধ্যমকেও সেখানে যেতে দেয়নি। কেন? এটি প্রমাণ করে মামলাটি নট অ্যা পাবলিক ট্রায়াল। এই মামলায় ভুয়া কতগুলো কাগজ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে কোনো সই নেই, ঘষামাজা করা হয়েছে। এই নথিগুলো রাষ্ট্রপতির লেটারহেটে দিয়েছে তারা। রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা তো ১৯৮১ সালে আমাদের দেশে শেষ হয়ে গেছে। তারা এতো নিচে মেনে গেছে যে, ভুয়া-জাল কাগজ দিয়ে তার ওপর ভিত্তি করে এই রায় দেয়া হয়েছে। : সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব  সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ নেতৃবৃন্দ । : :     :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

ভারতীয় মিডিয়া বলেছে, বাংলাদেশে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। আপনিও কি তেমন আশঙ্কা করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
4666 জন