সব বারে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি আইনজীবীদের
Published : Sunday, 11 February, 2018 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি টানা পাঁচদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। গতকাল শনিবার দুপুরে ফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন  ফোরামের মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন। সংবাদ সম্মেলনে  উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল প্রমুখ। : সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, দুদকের করা এক মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হওয়ায় প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীসহ দেশের সাধারণ মানুষ। তবে এ বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত সংযত ও সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায় ও বেআইনিভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রাখার ঘটনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। : তিনি বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে বিএনপিকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। যা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেন তিনি। : গতকাল শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। : জয়নুল আবেদীন বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ এবং চেয়ারপারসনের নির্দেশে অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সত্ত্বেও নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের নিপীড়ন, নির্যাতন ও গণগ্রেফতার চলছে। যা কোনো গণতান্ত্রিক ও সভ্য রাষ্ট্রে চলতে পারে না। সরকারের এই প্রতিহিংসামূলক অত্যন্ত নিন্দনীয় আচরণ করছে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে। : তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলার রায়টি দেশের জনগণ কোনোভাবেই স্বাভাবিক রায় হিসেবে মেনে নেয়নি। জনসমর্থনহীন অগণতান্ত্রিক এক সরকারের স্বেচ্ছাচারী শাসন ক্ষমতার প্রবল দাপট, বিপুল লুটপাটের অভিযোগের সুরাহা না করে খালেদা জিয়ার ব্যাপারে সরকারের অতি উৎসাহের কারণে দেশবাসীর মধ্যে ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে, এর  মধ্য দিয়ে সরকারের রাজনৈতিক ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটেছে। সরকারের নির্দেশে পুলিশ প্রশাসন ঢাকা শহরের সভা-সমাবেশ, মিছিল মিটিং বন্ধ রেখেছে। এর মাধ্যমে মানুষের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার তারা খর্ব করেছে। : অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের কারাদন্ড হওয়ার পর বিএনপি ক্ষুব্ধ অবস্থানে থাকলেও অত্যন্ত সংযত ও সতকর্তার সঙ্গে সামাল দিচ্ছে। দলের নেতাকর্মীরা মনে করেন যে, সরকার তাদের সহিংসতার দিকে ঠেলে দিতে বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে নানাভাবে উসকানি দিচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা আশা করি ক্ষমতাসীনদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। অন্যথায় ভয়াবহ সংকটজনক পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটবে, তার দায়-দায়িত্ব বর্তমান ক্ষমতাসীনদেরই বহন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা দেশ, জাতি, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের স্বার্থে খালেদা জিয়ার কারাজীবনের অবসান কামনা করছি। তার ওপর চাপিয়ে দেয়া সব মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করার আহ্বান জানাচ্ছি। : মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাকে মুক্তির জন্য সরকারের নিকট দাবি জানানো হয়েছে। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

ভারতীয় গণমাধ্যম বলেছে, এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে আ’লীগ হেরে যাবে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
4969 জন