খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেছেন ঢাকা বারের ২৯২১ আইনজীবী
Published : Monday, 12 February, 2018 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ও বেআইনিভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। আমরা ঢাকা বারের আইনজীবীগণ তার মুক্তি দাবি করছি। বেগম খালেদা জিয়ার মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানিকালে তার নিযুক্ত আইনজীবীগণ সাক্ষীর বরাত দিয়ে তুলে ধরেছেন যে, মামলায় সাক্ষী চ/ড-৩২ নং নুর আহম্মেদ তার অনুসন্ধান রিপোর্টে উল্লেখ করেন যে, ডকুমেন্টস অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে কোনো তথ্য ও অভিযোগ প্রমাণ হয়নি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট এবং এই ট্রাস্টে সেটেলার এবং অন্য কোনো ট্রাস্টের সদস্য অনিয়ম করলে ট্রাস্ট আইনের বিধান অনুযায়ী দন্ডবিধি ৪০৬ ধারায় ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। বেগম খালেদা জিয়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোনো সদস্য নন। কুয়েতের আমীর সোনালী ব্যাংক রমনা কর্পোরেট শাখা, ঢাকার সৌদি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে বিগত ০৯/০৬/১৯৯১ তারিখে টাকা পাঠান। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান কুয়েত হতে উক্ত টাকা এনে গত ১৩/১১/১৯৯৩ তারিখে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট বগুড়ার গাবতলীতে ২,৩৩,৩৩,৫০০/- (দুই কোটি তেত্রিশ লাখ তেত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা এবং জিয়া মেমোরিয়াল ট্রাস্ট, বাগেরহাট মোস্তাফিজুর রহমানের নিজ এলাকায় সমপরিমাণ টাকা অনুদান দেন। উক্ত বাগেরহাটে মোস্তাফিজুর রহমান মারা যাওয়ার পর তার পরিবারের কেউ রাজনীতি না করার কারণে মামলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উক্ত টাকা ঢোকেনি। তারেক রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ডীড যা গত ০৫/০৯/১৯৯৩ তারিখে ১ লাখ জমা দিয়ে রেজিস্ট্রি ডীড করেন এবং উক্ত ডীডে দুই ভাইয়ের ঠিকানা ৬ নং শহীদ মঈনুল রোড লেখা আছে। এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন যে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট বগুড়ার গাবতলী। এটি নাম সর্বস্ব নয় বা অস্তিত্ববিহীন ট্রাস্ট নয়। এটি একটি রেজিস্ট্রিকৃত ট্রাস্ট। : বগুড়ার গাবতলীর দাড়াইল মৌজায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে ২.৭৯ একর সম্পত্তি ক্রয় করা হয়। অন্যদিকে গাবতলীতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট সঠিকভাবে চালানো এবং উন্নতির নিমিত্তে আশুলিয়াতে জমি ক্রয় করার জন্য আসামি শরফুদ্দিনের সাথে একটি চুক্তি হয়। এর মধ্যে ১/১১ সরকার আসার কারণে এবং তারেক সাহেব জেলে যাওয়ায় ও পরবর্তীতে নির্যাতিত হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় এবং আসামি শরফুদ্দিনের ছেলে ক্যানসার ও পরবর্তীতে মারা যাওয়ায় জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মানি মোকদ্দমা দায়েরপূর্বক উক্ত বায়নার টাকা কোর্টের মাধ্যমে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট হিসাবে সমস্ত টাকা জমা করেন। বর্তমানে ৬ কোটি টাকার ওপরে ট্রাস্টের নামে জমা আছে। : দুদক মামলা প্রমাণ করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। দন্ডবিধির ৪০৯/১০৯ প্রমাণ হয়নি। বাদীপক্ষে জব্দকৃত আলামত যা কোর্টে প্রদর্শিত করেছেন তার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রেজিস্ট্রার ও ফাইলের ওপরে রাষ্ট্রপতি লেখা এবং ভেতরের পাতায় একটি আইটেম উপরোক্ত টাকা ছাড়া কোনো অন্য আইটেম নেই। ভেতরের পাতায় বিভিন্ন জায়গায় ঘষা মাজা ও কাটাকাটি। উক্ত রেজিস্ট্র্রার ও ফাইলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কোনো সই স্বাক্ষর নেই। বেগম খালেদা জিয়ার সই স্বাক্ষর নেই। কোনো কাগজপত্রে বেগম খালেদা জিয়ার সই স্বাক্ষর নেই। বাদীর দাখিলকৃত সোনালী ব্যাংকের কাগজপত্রে বেগম খালেদা জিয়ার সই নেই। চ.ড-১ এবং চ.ড-৩১ কে অন্যান্য সাক্ষী সমর্থন করেনি। যেখানে চ.ড-১ এবং চ.ড-৩১ বলেছে বেগম খালেদা জিয়া কোনো টাকা আত্মসাৎ করেননি, সেখানে সাজা হয় কি করে? বেআইনিভাবে দেয়া সাজা আইনত বাতিলযোগ্য। আমরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছি। : বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ সানাউল্লাহ মিয়া, এম মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মোঃ বোরহান উদ্দিন, মোঃ মহসিন মিয়া, মোঃ আজিজুল ইসলাম খান বাচ্চু, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ খোরশেদ মিয়া-আলম, মোঃ মোসলেহ্ উদ্দিন (জসিম), মোঃ ওমর ফারুক (ফারুকী), মোঃ রুহুল আমিন, আফরোজা বেগম (শেলী), মোঃ শাহজাহান কবীর, একেএম সোহরাব, আলহাজ মল্লিক সফি উদ্দিন আহমেদ, মোঃ রেজাউল করিম (নিজাম), কাজী মোঃ আব্দুল বারিক, মোঃ এখলাসুর রহমান, মোঃ জহির রায়হান জসিম, মোঃ হারুন রশীদ খান, এবিএম ওয়ালিউর রহমান খান (ওয়ালী), ফকির আব্দুল মান্নান (২), এসকে আব্দুল মালেক, সরদার আবদুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এএইচএম লুৎফুল কবীর, মোঃ এমদাদুল হক, মোঃ আবু ইউসুফ সরকার, মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান (হাফিজ), মোঃ সারোয়ার কায়ছার (রাহাত), মোহাম্মদ জালাল আহাম্মদ, দোলন, তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ, মোহাম্মদ আরিফুর রহমান রঞ্জু, সৈয়দ হুমায়ুন, মোঃ এমরানুল হাসান মজুমদার, এএফএম গোলাম ফাত্তাহ্, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ইসমাইল ফকির, মোঃ আমিনুল ইসলাম, সুফিয়া আক্তার হেলেন, মাইন উদ্দীন আহম্মেদ সেলিম, লিপি আক্তার, মোঃ জামাল উদ্দিন খন্দকার, মোঃ শোয়াইব মিয়া (শোয়েব), আহাম্মদ উল্লাহ (আমান), মোঃ মাজেদুর রহমান (মামুন), মোঃ নিজামুল হক, মোঃ শামসুল হক, খাদিজা বেগম হেলেন, সৈয়দ শামীম আহসান হাবিব শামীম, জাহানারা বেগম, সাবিনা ইয়াসমীন চৌধুরী বীনা, মোঃ সাইফুর রশীদ সবুজ, শাহিন হক বিউটি, তাবাস্সুম রিফাত টুম্পা, সৈয়দা শাহীন আরা লাইলী, রাফিজা আলম (লাকী), আকলিমা আক্তার আলো, মোঃ আফানুর রহমান (রুবেল), আব্দুল খালেক মিলন, মোঃ এরশাদুল আলম (জর্জ), মোঃ খায়রুল আহসান (মিন্টু), মোহাম্মদ শহীদ গাজী, শেখ আলাউদ্দিন, মোঃ সফিকুল ইসলাম, মোঃ জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম), ফজলুর রহমান খান, আব্দুল খায়ের, আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া, আরফান উদ্দিন খান, নূরুল ঈমান বাবুল, মোঃ খলিলুর রহমান, হারুন অর রশিদ ভূইয়া, আব্দুল লতিফ তালুকদার, আবদুর নূর ভূইয়া বাবলু, মোঃ আসলাম মিয়া, কালিমুর রহমান খান হিমু, আবেদ রেজা, শাহ ইলিয়াস রতন, আনিসুর রহমান, মাহফুজুর রহমান পাটোয়ারী, তাহমিনা আক্তার হাসেমী, সাখাওয়াত উল্লাহ খান আনু, এম এম ফারুক, আবুল কালাম খান, সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, জিয়াউদ্দিন জিয়া, আমীরুল ইসলাম আমীর, আবুল বাশার, কাজী সেলিম, নূরুজ্জামান তপন, দেলোয়ার হোসেন লেবু, ফরিদ হালদার, মোঃ তরিকুল ইসলাম, শরীফ উদ্দিন মামুন, জাকির হোসেন ভূইয়া, কাজেম আলী দুলাল, ইকবাল হোসেন, জহিরুল হক জহির, আতিকুর রহমান, আক্তার হোসেন সোহেল, জুনায়েদ হোসেন সোয়েব, মোহাম্মদ উল্লাহ জুয়েল, আবদুর রাজ্জাক, হাতেমুল আলম, মোঃ রফিকুল ইসলাম (চাঁদপুর), ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, আবদুর রশিদ মোল্লা, আবুল কালাম আজাদ, মাসুদুর রহমান বাদল, নূর মোহাম্মদ, তাজ ইসলাম তাজ, গাজী তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, ওয়ালিউল ইসলাম তুষার, হাদিউল ইসলাম হাদি, মোঃ রমজান আলী, সরোয়ার হোসেন, শওকত উল্যাহ চৌধুরী, মোঃ রমজান খান, মোঃ মহসিন ভূইয়া, রুহুল আমীন শেলী, রেজাউল করিম সরকার, মোয়াজ্জেম, ওয়াহিদুজ্জামান টিটু, শাহাদাৎ হোসেন আদিল, সিমকী ইমাম খান, জাকিয়া আনার কলি, মাঈন উদ্দীন মিয়া, আরিফ নেওয়াজ, মোয়াজ্জেম হোসেন ডলার, শহিদুল ইসলাম, মোঃ ইলতুত মিস, আবু তালেব সিকদার, আবসুদ সালাম দেওয়ান, সরকার নাসির উদ্দিন আহমেদ, এআর মিজানুর রহমান, মোঃ জিয়াউল হক (জিয়া), মোঃ নিহার হোসেন ফারুক, মোঃ মনিরুল ইসলাম আকাশ, নুরুজ্জামান, মোঃ নজরুল ইসলাম পাপ্পু, এএসএম শফিউল্লাহ শিবলী, মোঃ আমানুল করিম (লিটন), আব্দুল আল মামুন, মোঃ আজিজুল হক (দিদার), মোঃ আব্দুল হক খলিফা, মোহাম্মদ ছাকায়েত উল্লাহ্ ভূইয়া  (ছোটন), মোহাম্মদ আলম খান, আনোয়ার উল্লাহ, মোহাম্মদ আবু ছায়েম, মোঃ এহসান লাবীব জেকব, এবিএম ইফতিখারুল হক, মোহাম্মদ খলিলুর রহমান (খলিল), কাজী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ডাবলু, মাক্সুদা ইয়াসমিন (লাভলী), এমবিএম খায়রুল ইসলাম (লিটন), মোশাররফ হোসেন মোল্লা, নাছিমা আক্তার, শাহ্নাজ বেগম শিরীন, হাবিবা কাদের (মিলি), মাহ্বুব হাসান রানা, এইচএম মাসুম, মোঃ আবু জাফর শেখ (মানিক), মোঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার (জীবন), মোঃ রাশেদুল হাসান সুমন, মোঃ মাইনুল ইসলাম সোহেল, সাইদুর রহমান মায়নুল, মিরাজ উদ্দীন সিকদার, আলাউদ্দিন খান, দেওয়ান মনির হোসেন, সাইফুল ইসলাম মিয়াজী, ইব্রাহিম খলিল, আমিনুল ইসলাম ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা খান, সফিকুল ইসলাম সাবু, জাহিদুল ইসলাম হিরন, সাদ আলম সোহাগ, সামসুদ্দিন খান, মিজানুর রহমান শামীম, শাহাজাদি কহিনুর পাপড়ি, কে.এম. রেজাউল ফিরোজ রিন্টু, জেসমিন আক্তার, মোজাম্মেল হক হিমু, মিনা বেগম (মিনি), শাহজালাল, দেলোয়ার হোসেন ফেরদাউস, পান্না চৌধুরী, সেলিম খান, মোঃ নাসির, আয়শা আক্তার, মেহেদী হাসান বাদল, শাহীন হোসেনসহ ২৯২১ জন আইনজীবীর মধ্যে উপরোক্ত উল্লেখযোগ্য আইনজীবী। : রংপুর বিভাগ জিয়া পরিষদের নিন্দা : বিএনপি চেয়ারপারসন এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রায় ও বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে জিয়া পরিষদ, রংপুর বিভাগ। গতকাল  রবিবার  কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ)  ড. মো: রোকনুজ্জামান কর্তৃক প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এ ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়। তিনি অবিলম্বে এ রায় বাতিল করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনার আহবান জানান। : তিনি বলেন একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী যিনি দেশের জন্য সন্তান হারিয়েছেন, বাড়ি হারিয়েছেন, পরিবার ছাড়া হয়েছেন, নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিলিয়ে দিয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করছেন, সেই মাটি ও মানুষের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা যাবে না। বাংলাদেশের জনগণ অতিশিগগিরই এ অন্যায় রায় ও অপবাদের বিরুদ্ধে জেগে উঠবে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। : নাগরিক দলের প্রতিবাদ সভা : রাজধানীর ঢাকা স্টান ট্রেড সেন্টারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, সাবেক সেনাপ্রধান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাগার থেকে দ্রুত নিঃশর্তে মুক্তি পাবার ল্েয প্রতিবাদ সভা করেছে।  এতে সভাপতিত্ব করেন সভার আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ মোঃ ওমর ফারুক। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, অদৃশ্য শক্তির কারণে সাগর-রুনি হত্যার বিচারে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। আপনি কী একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
1444 জন