নেত্রকোনায় কিশোরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
Published : Tuesday, 13 February, 2018 at 12:00 AM
নেত্রকোনা প্রতিনিধি : জেলার দুর্গাপুর থানার এসআই মজিবুর রহমান, এসআই কবির আহম্মেদ ও এএসআই তোফাজ্জল হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কিশোর মিলন মিয়াকে (১৮) হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার মিলন মিয়ার বাবা জেলার কলমাকান্দার মহিষাসুড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মজিবুর রহমান মামলার দায় থেকে ছেলেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভাগীয় উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক ময়মনসিংহ রেঞ্জ বরাবরে অনুলিপি দেয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের শেহরাউন্দ গ্রামের সোমেশ্বরী নদীর চরে গত ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় মিলন মিয়া তিন বন্ধুকে নিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলছিল। এ সময় পার্শ¦বর্তী দুর্গাপুর থানার এসআই মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই কবির আহম্মেদ ও এএসআই তোফাজ্জল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মিলন মিয়া, তার বন্ধু আক্রাম, নিবারণ ও হেলিমকে আটক করেন। পুলিশ অন্য তিনজনকে ছেড়ে দিয়ে মিলন মিয়াকে দুর্গাপুর নিয়ে যায়। দুর্গাপুর থানায় নিয়ে গিয়ে মিলনের কাছে ছয় বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায় উল্লেখ করে এবং ঘটনাস্থল জেলার দুর্গাপুরের আব্বাসনগর দেখিয়ে মাদক মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। জব্দ তালিকায় মদন, আক্রাম ও হেলিম এফিডেভিটের মাধ্যমে জানায়, মিলনকে পুলিশ ধরে নেয়ার সময় তার কাছে কোনো মাদকদ্রব্য ছিল না। মিলনের বাবা মো. মজিবুর রহমান অভিযোগে বলেন, আমার ছেলে মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িত নয়। পুলিশ তাকে আটক করে ঘটনাস্থল অন্য এলাকায় দেখিয়ে তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। দুর্গাপুর থানার এসআই মজিবুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফেনসিডিল পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ যে কেউ কারো বিরুদ্ধে করতে পারে। দুর্গাপুর থানার এসআই  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবদুল হালিম বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে মামলার বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। নেত্রকোনার পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

আসক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
42294 জন