আদমদীঘিতে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ৩ চিকিসৎক
সুষ্ঠু সেবা বঞ্চিত এলাকাবাসী
Published : Tuesday, 13 February, 2018 at 12:00 AM
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলাবাসী। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে ৩১ জন ডাক্তার থাকার বিধান থাকলেও মাত্র ৩ জন ডাক্তার দিয়ে চলছে ৫০ শয্যা হাসপাতালটি। ডাক্তার সংকট থাকায় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অত্র উপজেলার ৩ লক্ষাধিক মানুষ। জরুরি  ভিত্তিতে আদমদীঘি হাসপাতালে চিকিৎসক বৃদ্ধিকরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন স্থানীয়রা। মাত্র ৩ জন ডাক্তার দিয়ে শ’ শ’ রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে রোগীরা বিড়ম্বনায় পড়ে চিকিৎসা নিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলায় তিন লক্ষাধিকেরও বেশি  মানুষ ৫০ শয্যাবিশিষ্ট  হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার  ওপর নির্ভরশীল রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সরকারিভাবে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ৩১ জন ডাক্তার কর্মরত থাকার নির্দেশ থাকলেও বর্তমান ডাক্তার কলম-খাতায় যোগদান আছেন ৫ জন। তার মধ্যে একজন স্যাশপেনশনে রয়েছেন। অন্য ১ জন ডাক্তার প্রশিক্ষণে রয়েছেন। ফলে আদমদীঘি উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালটি ৩১ জনের স্থলে মাত্র ৩ জন ডাক্তার দিয়ে চলছে। এলাকাবাসীর সুচিকিৎসার জন্য ২০ শয্যা হাসপাতাল থেকে গত কয়েক বছর পূর্বে ৩০ শয্যা বাড়িয়ে ৫০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। আদমদীঘি উপজেলাসহ আক্কেলপুরের দেওড়া রায়কালী হরিসাদী, মারমা, রানীনগরের পরইল, আবাদপুকুর। দুপচাচিয়ার সাহারপুকুর চৌমুহনীসহ তিলকপুরের কিছু অংশের মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। ডাক্তার সংকটের কারণে শ’ শ’ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। অনেকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ক্লিনিকে চিকিৎসা করতে হলে অনেক টাকার দরকার হয়। টাকার অভাবে  অল্প আয়ের মানুষ ক্লিনিকেও চিকিৎসা করাতে পারেন না। চিকিৎসা করতে না পেরে রোগ নিয়ে ভুগতে হচ্ছে। পথচারী বা যানবাহন যাত্রী দুর্ঘটার শিকার হয়ে জরুরিভাবে হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তার সংকটের কারণে তাদের মধ্যে বেশি ভাগ রোগীকে বগুড়া বা নওগাঁ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে আদমদীঘি উপজেলা স্থাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা ডা. শহিদুল্লাহ দেওয়ান সম্প্রতি কয়েক মাস আগে হাসপাতালে যোগদান করার পর স্থানীয়দের সুচিকিৎসা দিতে অপারেশন থিয়েটার চালু করেন। কিন্তু ডাক্তার সংকটের কারণে সেবা দিতে কষ্ট হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এখানে ৩১ জন ডাক্তার থাকার নিয়ম থাকলেও মাত্র ৩ জন ডাক্তার দিয়ে চালানো হচ্ছে হাসপাতালটি। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

আসক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
42307 জন