রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দ্রুত বিচার আইনের শাস্তি বাড়ানো হয়েছে : আসক
Published : Tuesday, 13 February, 2018 at 12:00 AM, Update: 12.02.2018 11:09:23 PM
দিনকাল রিপোর্ট : রাজনৈতিক উদ্দেশে দ্রুতবিচার আইনের শাস্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে বলে আশঙ্কা করেছেন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। গতকাল সোমবার গণমাধ্যমকে দেয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ আশঙ্কার বিষয়টি উল্লেখ করেছে। ‘গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে জাতীয় সংসদে পাস হয় আইনশৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) বিল ২০১৮। বিলে সাজার মেয়াদ ৫ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৭বছর করা হয়।’ এ ব্যাপারে সংগঠনটি জানায়, গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ২০০২ সালে ২ বছরের জন্য এই আইন কার্যকর করার পর থেকে বেশ কয়েক দফায় এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালে আইনটি মেয়াদ বাড়িয়ে মার্চ ২০১৯ পর্যন্ত তা বলবৎ করে এই মর্মে সংশোধনী বিল পাস করা হয়। দেশে প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার ধীরগতি নিরসনে এই আইন ভূমিকা রাখবে ধারণা করা হলেও বিগত বছরগুলোতে এই আইনের প্রয়োগের ধরণ ও বারবার সংশোধনীর মাধ্যমে এর মেয়াদ বৃদ্ধির আওতায় সাজার মেয়াদ ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৭ বছর করা  হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে  করে, বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা দেশের বিদ্যমান আইনের আওতায় বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের জন্য নতুন করে সাজার মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে রাজনৈতিক উদ্দেশে এই আইন ব্যবহার করা হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে সংগঠনটি। দ্রুত বিচার আইনে ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ নিষ্পত্তি করার বিধান আছে। এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে আরও ৬০ দিন সময় বাড়ানো পাওয়া যাবে। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যথাসময়ে বিচার শেষ করা সম্ভব হয় না বলে বিচারপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ রয়েছে। সরকার বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঠেকাতে ও প্রতিপক্ষকে দমন করার কাজেও আইনটিকে ব্যবহার করেছে বলে বিরোধী দল গুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ রয়েছে। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

আসক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
42293 জন