রোহিঙ্গাদের সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাবাসনের প্রত্যাশা ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের
Published : Tuesday, 13 February, 2018 at 12:00 AM
দিনকাল রিপোর্ট : ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। গতকাল  সোমবার দুপুরে উখিয়ার মধুরছড়াস্থ ইউএনএইচসিআর পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন প্রতিনিধি দল। এসময় প্রতিনিধি দলের টিম লিডার (গ্রিন পার্টি এমইপি ফর লন্ডন) জিন লামবারট সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, রোহিঙ্গারা যাতে নিজ ভূমিতে নিরাপদে ও সম্মানের সাথে ফিরে যেতে পারে সে প্রত্যাশা করে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের দেশ মিয়ানমারে মৌলিক ও নাগরিক অধিকার নিয়ে বসবাসের অধিকার রয়েছে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণ আশ্রয় নিয়ে উচ্চ মানবিকতা দেখিয়েছে। এটি নিশ্চয় প্রশংসার দাবিদার। এসময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, প্রত্যাবাসনটি একটি জটিল বিষয়। তাই বিলম্ব হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ বাসস্থান ও মানবাধিকারসহ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেই প্রত্যাবাসনের দিকে আগানো হচ্ছে। যাতে প্রত্যাবাসনের পর পুনরায় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসতে না হয়। ইতিমধ্যে প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে জাতিসঙ্ঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন ইউএনএইচসিআরকে সংযুক্ত করা হয়েছে। তারা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম মনিটরিং করবে। প্রতিনিধি দল সকাল থেকে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং ইউএনএইচসিআর, আইওএম সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এছাড়া রোহিঙ্গাদের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তারা ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলেন প্রতিনিধি দল। এসময় রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইনের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। প্রতিনিধি দলে ইউরোপিয়ান পার্লমেন্টের মানবাধিকার বিষয়ক সাবকমিটি, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটি, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং আশিয়ান অঞ্চলবিষয়ক সাব কমিটির সদস্যরা ছিলেন। প্রতিনিধি দলটি আজ কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে যাবে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের মিয়ানমার সফরের কথা রয়েছে। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

আসক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
42291 জন