রূপগঞ্জে সাথী ফসল চাষে আগ্রহী কৃষক
Published : Thursday, 15 February, 2018 at 12:00 AM
রূপগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া, বানিয়াদী, মঙ্গলখালী, গঙ্গানগর, পুটিনা, শিমুলিয়া, বিরাবো, জাঙ্গীরসহ আশপাশের ২০-২২টি গ্রামের চাষীরা সাথী ফসল চাষাবাদে ঝুঁকছেন। চলতি বছর রূপগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামে ১২ শতাধিক বিঘা জমিতে সাথী ফসল চাষ করা হয়েছে। আখ ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে বাঁধাকপি, টমেটো, সালগম, গাজর, মূলা, কাঁচামরিচ, গোল আলু, ডাল, ক্ষিরাই, টমেটো চাষাবাদ করা হয়। সাথী ফসল বিক্রি করে মূল ফসলের অনেক আগেই চাষীরা পুঁজি পেয়ে যায়। খরচও কম। এক বিঘা জমি চাষাবাদ করতে খরচ হয় ৮-৯ হাজার টাকা। তাতে আয় হয় ১৪-১৫ হাজার টাকা। যে কারণে চাষীরা সাথী ফসল চাষাবাদে ঝুঁকছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা তাদের সাথী ফসল উৎপাদনের জন্য মাঠে কাছ করছেন। কোনো কোনো জমিতে কৃষাণীরা নিড়ানি দিচ্ছেন। কেউ টমেটো তুলছেন। কেউ ক্ষিরাই তুলছেন। কেউ-বা কীটনাশক দিচ্ছেন জমিতে। কৃষক-কৃষাণীদের এতটুকু ফুসরত নেই। সকাল-সন্ধ্যা কাজ করছেন। রূপগঞ্জ উপজেলার মঙ্গলখালী গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম বলেন, আখ ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে একাধিক ফসল চাষাবাদ করা যায়। তাতে বেশি লাভ হয়। উপজেলার বানিয়াদী গ্রামের কৃষক আইবুল্লা ও জাঙ্গীর গ্রামের কৃষক হুমায়ুন কবির জানান, শুধু ফসল করে বছরে তারা ২৫-২৬ হাজার টাকা আয় করেন। রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মুরাদুল ইসলাম বলেন, লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর সাথী ফসলের চাষাবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।   : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন দেখতে চায় ইইউ। আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে হবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
2851 জন