প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত, শিক্ষকদের চরম ভোগান্তি
Published : Thursday, 15 February, 2018 at 12:00 AM
মো. আব্দুল হালিম, ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) থেকে : বদলির আদেশকে কেন্দ্র করে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত ও শিক্ষকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়তই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা সিদ্ধান্ত নিতে দৌড়াতে হয় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে। গত ২৪ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারের বদলির আদেশ হয়েছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আশরাফীর বদলির আদেশ হয় ফুলবাড়ীয়ায়। এক মাস ২১ দিন ধরে বদলির আদেশ হলেও এ দুই শিক্ষা কর্মকর্তা তাদের স্টেশন ছাড়তে গড়িমসি করছেন। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে দৌড়াচ্ছেন বদলির আদেশ বাতিল করানোর জন্য। জানা গেছে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ৭টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৪ জন। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ ২৫ এপ্রিল সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার ও ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ জুলাই মাসে হিসাব রক্ষক মো. আমিনুর রহমান অন্যত্র  বদলি হয়ে যাওয়ার পর থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের পদ দুটি শূন্য রয়েছে। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ মাঝামাঝি উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন নাসরিন আক্তার। দীর্ঘ প্রায় চার বছর পর তার এ বদলির আদেশ হয়। গত ২৪ ডিসেম্বর বদলির আদেশের পর ৯ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি অর্জিত ছুটিতে যান। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার না থাকায় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোহসিনা বেগম। জানা গেছে, উপজেলায় এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৩৭টি, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩১টি, ন- এমপিও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৭টি, এমপিওভুক্ত দাখিল মাদ্রাসা ৪৩টি, আলিম মাদ্রাসা ১টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৭টি, নন-এমপিও দাখিল মাদ্রাসা ১টি ও ৩ টি  ডিগ্রি কলেজসহ ১৪টি কলেজ রয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে উপজেলার ৪টি কলেজের ১০ জন শিক্ষক, ৬টি স্কুলের আইসিটি শিক্ষক ৬ জন ও ১১ জন শ্রেণী শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) শর্ত পূরণ করে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে ইন্টারনেটে আবেদন করতে বলা হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার না থাকায় ও ইন্টারনেট পাসওয়ার্ড না পাওয়ায় বেশির ভাগ শিক্ষক এমপিও আবেদন প্রেরণ করতে পারেননি। ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষক এমপিও আবেদন করছেন বলে জানা গেছে। : :





দেশের পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন দেখতে চায় ইইউ। আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে হবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
2881 জন